somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বুক রিভিউ- 'গল্পটা কাল্পনিক'

৩১ শে মে, ২০১৮ সকাল ৭:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বুক রিভিউ- 'গল্পটা কাল্পনিক'

বইটি হাতে নিলেই চমৎকার ভূমিকাটিতে চোখ আটকে যায় কিছুক্ষণের জন্য। শুরুর কথাটুকু মনকে থমকে রেখে ভাবায় কিছুটা সময়।

‘যুক্তি আমাদের নির্দিষ্ট গণ্ডিতে আটকে রাখে আর কল্পনা নিয়ে যেতে পারে যেকোনো গন্তব্যে।‘
লেখক তার বইয়ের নাম রেখেছেন ‘গল্পটা কাল্পনিক’। তবে কি তিনি আমাদের কাল্পনিক কোনো গল্প শোনাতে চলেছেন?

নতুন লেখকের বই হাতে নিলেই আশা আর আশাভঙ্গের ভয়ে কম্পমান থাকে পাঠকের মন। যে বইটা পাঠক পড়তে চলেছেন তাতে কি মিলবে তার মনের খোরাক? পরিপূর্ণ পরিতৃপ্তি? লেখকের ভাব ও ভাষার দক্ষতা কি জয় করতে পারবে পাঠকের মন ও মনন?
সালমা সিদ্দিকার ‘গল্পটা কাল্পনিক’ বইটি হাতে তুলে নিয়ে পাঠকের মন প্রাপ্তির আশাতেই ঝুলে থাকে চৌদ্দ আনা। বইটির পাণ্ডুলিপি গত বছর ‘পেন্সিল জাগৃতির প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা’য় দীপন স্মৃতি পুরষ্কার বিজয়ী পাণ্ডুলিপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। কাজেই বইটি হাতে নিয়ে পাঠক হয়ত আশাভঙ্গের দূর্ভাবনায় খুব একটা দোদুল্যমানতায় ভুগবেন না।

পনেরটি নানা স্বাদের গল্প সমাহারে সাজানো এই বইটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে বৈচিত্র।
একই ধাঁচের গল্পের একঘেয়ে প্যাঁচে পড়ে পাঠককে হাঁসফাঁস করতে হয় না। গল্পগুলোকে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজাতে লেখক তার মুন্সিয়ানার সবটুকু তুলে দিয়েছেন।

সামাজিক গল্পের চলমান সমস্যার জালে বন্দি হয়ে ওঠার আগেই লেখক তার পাঠককে নিয়ে গেছেন রূপকথার আনন্দময় রঙিন জগতে। সেই রূপকথার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই তাকে শুনিয়েছেন মমতাঘেরা ভালোবাসার গল্প। সেই ভালোবাসার রাঙতা মোড়া পালকের ডানায় কখনো বা পাঠককে ভাসিয়ে দিয়েছেন মানবিকতার বাঁধ না মানা তুমুল জোয়ারে। সেই মানবিকতার রঙ মুছতে না মুছতেই তাতে প্রতিহিংসা আর ঘৃণার নতুন রঙ চড়িয়ে আগাগোড়া চমকে দিয়েছেন পাঠককে। শুনিয়েছেন অসম্ভবের গল্প, অবিশ্বাসভরা আকাঙ্ক্ষার গল্প...সুদূর ভবিষ্যতের অনাগত কোনো সম্ভাবনার গল্প।

পাঠক বইয়ে পুরোপুরি মজে গিয়ে ভাবতে বাধ্য হয়েছে একসময়। সত্যিই তাই...এত বৈচিত্রে ভরা এই বইটি যেন আসলেই কাল্পনিক!

এক নজরে ঘুরে আসি গল্পগুলো থেকে।

গল্পটা কাল্পনিক- এতিমখানার খাবারের সাপ্লায়ার লম্পট সাদেকের সাথে বাসেই দেখা হয়ে যায় রোকেয়ার। লম্পটের চোখ দিয়ে গিলতে থাকে সে মেয়েটার শরীর। কল্পনায় অনাবৃত করে চলে মেয়েটার অনাঘ্রাতা কুমারী যৌবন। সুফি বেশবাস দিয়ে নিজের লাম্পট্য ঢেকে রেখে অনায়াসে সে ফাঁকি দেয় সমাজের চোখকে। একসময় সুযোগসন্ধানী সাদেক লুটতে চায় মেয়েটির সম্ভ্রম। আর ঠিক তখনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে...

মেয়েমানুষী- প্রবাসী স্বামীর অপেক্ষায় থাকা নিঃসঙ্গ জীবনে নিপার সঙ্গী হয় কিছু রঙিন কল্পনা। বুকের অতল গহ্বরে লুকিয়ে রাখা সেই মেয়েমানুষী একান্ত ভাবনাগুলোকে সে সযত্নে লালন করে। প্রেমিকের প্রত্যাখ্যান, স্বামীর অবহেলা আর শ্বশুরবাড়ির ছকে বাঁধা অভ্যস্ত জীবনে সেই রঙিন ভাবনাগুলোকে নিয়েই বেঁচে থাকে সে। তাদের মাঝেই সে প্রতিনিয়ত খুঁজতে থাকে তার নারী জীবনের অনাস্বাদিত পূর্ণতা।

কেস নাম্বার-২৭৮৫৬- লেখিকা একটি আকর্ষণীয় সায়েন্স ফিকশনের গল্প বলতে চেয়েছেন গল্পটিতে। বহু বছর আগে খুন হওয়া ভাই জিমির হত্যা রহস্যের জাল উন্মোচন করতে ক্রিসমাসের ছুটিতে পুলিশ স্টেশনে আসে তার ভাই কেভিন। সেখানে সে শোনায় এক অবিশ্বাস্য কাহিনী।

ঘুড়ি- সুতো কাটা ঘুড়ির মতো উড়ে চলা জীবন রায়নার। কারো হাতের নাটাইয়ের লাগামে নিজেকে সে বাঁধতে চায় না। দূরন্ত শৈশব কৈশোরের অফুরন্ত উদ্দামতা মাখা দিন শেষে তার জীবনও চুপিসারে জড়িয়ে পড়তে চায় ফাহিমের হিসেবী নাটাইয়ের বন্ধনে। কিন্তু সুতো কাটা পলাতক ঘুড়ি সে বন্ধনের টানে ফিরে আসে না...অথবা আসতে চায় না।

এক টুকরো রোদ- সাদামাটা নিস্তরঙ্গ জীবনের মায়াময় গল্প ‘এক টুকরো রোদ’। ছোট ছোট টুকরো বর্ণনায় মায়াবী ভঙ্গিতে লেখিকা তুলে এনেছেন জীবনের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির যোগ বিয়োগের হিসেব নিকেশ। পোড় খাওয়া জীবনে স্ত্রীর অভিযোগ, সন্তানের বিয়োগ ব্যথা আর মধ্যবিত্ত জীবনের ছাপোষা গণ্ডিতে আটকে পড়ে যায় ফয়েজ সাহেবের স্বপ্নাতুর দু’চোখ। সেই ব্যাকুল দু’চোখেই আবার স্বপ্ন বুনে দেয় মেঘমেদুর জীবন আকাশে ছড়িয়ে পড়া এক টুকরো সোনালী রোদ।

তবুও বসন্ত এসেছিল- এক মমতাঘেরা ভালোবাসার গল্প ‘তবুও বসন্ত এসেছিল’। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পাগল হয়ে যাওয়া মতির জীবনে একদিন শাহিনা ছিল ভালোবাসার মানুষ। সেই মানুষকে মতি হারিয়ে ফেলেছে ক্ষনিকের ভুলে। শাহিনা সরে গেছে অনেক দূরে...অন্য কারো জীবনে সে নতুন আলো জ্বেলেছে। তবু মিইয়ে আসা শীতার্ত দিনে বসন্তের দমকা হাওয়ার মতোই কে যেন চুপিসারে বলে যায় মতিকে... তার জীবনেও একদিন বসন্ত এসেছিল।

ওয়াটারলুর ঝালমুড়ি- ভিন্ন ভিন্ন দুটি অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা মজার গল্প ‘ওয়াটারলুর ঝালমুড়ি’। টক মিষ্টি ঝালে ভরা বৈচিত্রময় জীবনের দুটো টুকরো খণ্ডচিত্র লেখিকা ফুটিয়ে তুলেছেন গল্পটিতে...অনন্য বৈশিষ্ট্যে।

খেলা- এক নিষ্ঠুর হিংসা প্রতিহিংসা আর জিঘাংসার গল্প ‘খেলা’। ছোট্ট এই গল্পটিতে লেখিকা দূর্দান্ত এক মেসেজ দিয়েছেন। জাহেদ আর রেশমা পরষ্পরকে ধোঁকা দিয়ে একসময় নিজেরাও জানতে পারে না, প্রকৃতঅর্থে তারা কে কার কাছে হেরে গেল!

কম্বল- এক ঘুনে ধরা নষ্ট সমাজের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই গল্পে। মিডিয়ার মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টায় দেখানোপনার চুড়ান্ত করে কম্বল বিলি করে ব্যবসায়ী কামরুল। অথচ তার বাসার শীতে কাতর বয়স্ক কেয়ারটেকার হাবিব বসে থাকে একটি কম্বল পাওয়ার আশায়। প্রতিদানের সম্ভাবনা না থাকায় তার সেই আশা কখনো আলোর মুখ দেখতে পায় না।

রূপকথা- রাজকুমারী বিজয়া আর দরিদ্র কৃষক পুত্র গায়ক শশীধরের অনন্য প্রেমগাঁথা বর্ণিত হয়েছে এই রূপকথায়। সাধু ভাষায় লেখা এই রূপকথাটি অত্যন্ত প্রাঞ্জল ও সাবলীল। সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকের মনোমুগ্ধকর উপস্থাপনা রূপকথাটিকে অনন্য করে তুলেছে।

যেখানে নেমেছিল তমসা- ‘যেখানে নেমেছিল তমসা’ গল্পটি একজন বিখ্যাত লেখিকার হত্যা রহস্য নিয়ে লেখা একটি ভিন্ন ধাঁচের গোয়েন্দা গল্প। সামাজিক প্রতিষ্ঠার খোলসে মুড়ে রাখা একজন আপাত প্রতিষ্ঠিত মানুষের জীবনের নির্মম পরিণতি লেখিকা তুলে এনেছেন সুদক্ষ মুন্সিয়ানায়।
পাজল- একটি চমৎকার মানসিক টানাপোড়েনের গল্প ‘পাজল’। প্রথমা স্ত্রীর প্রতারণায় আহত স্বামী নিজের সত্ত্বার খালি হয়ে থাকা অংশটিকে জুড়তে দ্বিতীয় বিয়ে করে। কিন্তু একসময় সে বুঝতে পারে তার সত্তার ছিন্ন অংশটি আর কিছুতেই জোড়া লাগার নয়।

নিদ্রাহীনতার কয়েকগুচ্ছ ফুল- দিবার প্রত্যাখ্যান আর অদিতির শুদ্ধ ভালোবাসায় আটকে পড়া রাসেল সিদ্ধান্তহীনতার জালে আটকে পড়ে। দিবাকে কি সে ফিরিয়ে দেবে প্রত্যাখানের প্রতিশোধ নাকি অদিতিকে ফিরিয়ে দেবে শুদ্ধতম একটি হৃদয়?

সমান্তরাল- মিথ্যে প্রেমের অভিনয় করতে গিয়ে সত্যি ভালোবাসার জালে আটকে পড়ে নিলয় ও ফারিয়া। বর্তমান তরুণ সমাজের হালকা আনন্দ, প্রেম ভালোবাসাবাসি আর রেস্টুরেন্ট প্রীতির কিছু চিত্র ফুটে উঠেছে গল্পটিতে। গল্পটিকে এই বইটির দূর্বলতম গল্প হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে।

পথটারে ভালোবেসেছি- পথের মাঝে টুকরো টুকরো মুহূর্ত, দৃশ্যাবলী আর ঘটনা পরম্পরা নিয়ে সাদামাটা প্রাঞ্জল গল্প ‘পথটারে ভালোবেসেছি। প্রতিদিনের প্রাত্যাহিকতার বাইরে কিছুটা সময় মনোযোগ দিয়ে তাকালে চেনা দৃশ্যের মাঝেও অচেনা নানা রঙ খুঁজে পাওয়া যায়, এই গল্পটিতে সেকথাই বলতে চেয়েছেন লেখিকা।

লেখক পরিচিতি- উদীয়মান লেখিকা সালমা সিদ্দিকা অনলাইন লেখালেখি জগতে বর্তমানে এক সুপরিচিত নাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ‘পেন্সিল’ গ্রুপে লেখালেখির মাধ্যমে আলোচনায় এলেও লেখিকার লেখক জীবনের সূচনা ‘গল্প কবিতা ডট কম’ ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে। অত্যন্ত সাবলীল লেখনীর মাধ্যমে সব ধরনের লেখাতেই নিজের মুন্সিয়ানার ছাপ রেখে চলেছেন তিনি। তার লেখনীর একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, হাস্য রসাত্মক সংলাপের মাধ্যমে নিখুঁত সাবলীলতায় সামাজিক সমস্যা তুলে নিয়ে আসার দক্ষতা। লেখিকা একই ধাঁচের লেখাতে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে আগ্রহী নন। এটা বোঝা যায় নতুন নতুন জনরা নিয়ে তার লেখার আগ্রহ থেকে। তবু থ্রিলার বা সাসপেন্স জাতীয় লেখায় তার নিজস্ব দূর্বলতা ও দক্ষতার ছাপ বোদ্ধা পাঠকের দৃষ্টি এড়ায় না।

বইটি নিয়ে দুটি কথাঃ ‘গল্পটা কাল্পনিক’ এই বইটির পনেরটি গল্পের একটি গল্প। এই গল্পের নামেই বইটির নামকরণের মাধ্যমে হয়ত লেখিকা সমাজকে একটি মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
এই ঘুণেধরা সমাজে নোংরা পঙ্কিলতার মতো গিজগিজ করছে অসততা, অনাচার ও লাম্পট্য। এই লাম্পট্যের করাল গ্রাস থেকে সমাজকে মুক্ত করা আজ যেন শুধু কল্পনাতেই সম্ভব। মানবতা আর সুস্থ জীবনের প্রত্যাশাকামী মানুষের কাছে আজো বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। অসহায় মানুষ পায় না সুবিচার...অপরাধী পায় না তার যোগ্য সাজা।

লম্পট ধর্ষকের এক অসম্ভব চরম প্রত্যাশিত পরিণতি দেখিয়ে লেখিকা যেন জরাক্রান্ত সমাজের মুখে বসিয়ে দিয়েছেন এক সজোর চপেটাঘাত। অন্যান্য গল্পগুলো পড়ার আগেই পাঠক এক দারুণ ভাবনায় আপ্লুত হয়ে ভাবতে বসেছে...’এ ও কি সম্ভব? এমনটা কি সত্যিই হতে পারে?’ যুক্তি মানতে নারাজ মন বারেবারে খুঁজতে থাকে এই প্রশ্নের উত্তর। পাঠককে এই ভাবনার দোলাচলে দুলিয়ে দিয়ে লেখিকা শেষাবধি জানিয়ে দিয়েছেন...না, এমনটা আজো এই সমাজে সম্ভব নয়। এই পৃথিবীতেও কখনো এমনটা ঘটে না। এই নষ্ট সমাজে আজো ধর্ষকেরা ঘুরে বেড়ায় বেপর্দা বেআবরু হয়ে...অপার সাহসিকতায়। তাদের বিচার হয় না। তাই এটি কোনো বাস্তবতার গল্প নয়...এই গল্পটা কাল্পনিক।

চমৎকার এই বইটির পরতে পরতে হাসি আনন্দ মায়া আর কল্পনার জাল বিছানো। বইটির বিষয় বৈচিত্রে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। একই বইয়ে এভাবে ভিন্ন ভিন্ন ঘরানার গল্প লিখে লেখিকা পাঠককে অনায়াসেই চমকে দিয়েছেন। তার হাল্কা দুলকী চালের সাবলীল লেখার ভাঁজে যে অপরিমেয় গভীরতার গন্ধ মিশে আছে তা সহজেই বলে দেয় লেখিকা যথেষ্ট সম্ভাবনা নিয়ে বাংলা সাহিত্যের ঐতিহ্যময় জগতে তার পা রেখেছেন।

কিছু টাইপিং মিস্টেক, ছোটখাট বানান ভুল বইটিকে মানের দিক থেকে কিছুটা দূর্বল করেছে। বিশেষ করে ‘মেয়েমানুষী’ গল্পটিতে একটি চরিত্রের নামকরণে লেখিকা দু’রকম নাম (রতন ও শাহেদ) ব্যবহার করেছেন যা পাঠককে দ্বিধায় ফেলে দিতে পারে। দু’একটি বাক্য গঠনজনিত ভুলও চোখে পড়েছে।

চমৎকার গল্পগুলোর সাথে ‘সমান্তরাল’ গল্পটি বইটির মানকে কিছুটা নামিয়ে দিয়েছে বলে মনে করছি। এই গল্পটি কিছুতেই অন্য গল্পগুলোর মানের সাথে পাল্লা দেওয়ার সামর্থ রাখে না। কাজেই গল্প নির্বাচনে লেখিকা আরো মনোযোগী হতে পারতেন বলে ধারণা করছি।

এক নজরেঃ
বইয়ের নামঃ গল্পটা কাল্পনিক
লেখকের নামঃ সালমা সিদ্দিকা
ধরণঃ গল্পগ্রন্থ
প্রকাশনঃ জাগৃতি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ
মূল্যঃ ৩৪০ টাকা।
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৯.৫/১০
প্রাপ্তিস্থানঃ রকমারি ডট কম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৬
১৪টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফাউন্টেন পেন আর কালির দোয়াত... (জীবন গদ্য)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০



ফাউন্টেন পেন আর দোয়াতের কালিতে আমরা কত সুখি ছিলাম। কত উচ্ছ্বল শিক্ষাজীবন,হই হুল্লোড় আর সুখ আনন্দে ভরা ছিল জীবন। নীল সাদা স্কুল ড্রেস,কালির ছিটার কালো নীল রঙ ছাপ,আহা আমাদের সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশী থেকে বাংলাদেশ, মুক্তির কন্টকিত পথে (তেইশ জুন স্মরণে)

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৫



বিষাদ আঁধার এক
কেড়ে নেয় শক্তি সাহস
হতাশা, জোকের মতো নিভৃতে চোষে খুন;

অনিশ্চিত আশায়
বিপ্লবীর অকাল বোধন স্বপ্নে
ব্যার্থতার দায় ঢাকে ‘কিন্নর’ সুধিজন!

তেইশ জুন, সতেরশো সাতান্ন
প্রতারণা, শঠতা আর মিথ্যেতেই
রাতের আঁধারে ডুবে যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহুরে ফোকলোর

লিখেছেন কিবরিয়া জাহিদ মামুন, ২৩ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫৫



ক্লাশ থৃ তে পড়ি । প্রয়াত মিনু স্যার একদিন ক্লাশে বল্ল, তোরা আজকের শিশু তোরা একদিন বড় হবি । বড় হয়ে এই দেশ চালাবি । আজকে এরশাদ সাহেব দেশের প্রেসিডেন্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (তৃতীয় তথা শেষ পর্ব)

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ২৪ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৪



মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (পর্ব ১)
মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (পর্ব ২)


ল্যুভর মিউজিয়াম থেকে বের হয়ে একটা লম্বা হাটা দিতে হবে। অবশ্য চাইলে মেট্রোও (আন্ডারগ্রাউন্ড ট্রেন) ব্যবহার করা যায়, কারন ডে-ট্রাভেল কার্ড এমনিতেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিণয়

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ২৪ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১০


আদরণীয়, কোথায় দিলে ডুব?
পানকৌড়ি যেমন অন্ন অন্বেষণে—
সরোবরজল তলে
তুমিও কী ঠিক তেমন কারণে?
চোখের আড়ালে থেকে রহিলে নিশ্চুপ…
বলো কোথায় দিলে ডুব?

চলছিলো ভালই প্রিয়ংবদা বলছিলে মধুকথা
কাটছিলো সময় মধুময়
গাড়ি চালনায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×