somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গদ্য কবিতা: সূচনা, বিকাশ ও সম্ভবনা ( বিকাশ পর্ব-০২)

১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গেদু মিয়া আমারে ডেকে কয়, আপনার জন্য দু:খ হয় কবি ফকির আবদুল মালেক, মুল ধারায় সুযোগ না পেয়ে এলে ব্লগে, সুপার ফ্লপ ( হা..হা..হা)।
কবিতা না লিখে আমাকে নিয়ে লিখেন দেখবেন হিটের পর হিট। ঐ যে আমাকে নিয়ে লিখলেন পুরনো চুমুর আওয়াজ ও নতুন থাপ্পরের প্রতীক্ষা Click This Link আপনি হিট, ৪০৭ বার পাঠ আর প্রায় ৪০ টি মন্তব্য।
আমি বললাম তাই বলে কি কবিতা বিষয়ক প্রবন্ধ প্রকাশ করব না, দেখে নিও গেদু আমার এ প্রবন্ধ কবিতা প্রেমীরা ঠিকই গ্রহন করবে। আমার ইজ্জত বাচান, গেদু মিয়াকে নিয়া বড় যন্ত্রনায় আছি, সকলেই ডুকে পড়ুন আমার লেখায়। অসাধারণ প্রবন্ধ, ঝকঝকে ভাষা, একটু ধর্য্য ধরে পড়ুন কথা দিচ্ছি ঠকবেন না। তো হয়ে যাক.........



গদ্য কবিতা: সূচনা, বিকাশ ও সম্ভবনা -০১
গদ্য কবিতা : সূচনা, বিকাশ ও সম্ভবনা ( ভূমিকা পর্ব)


এ পর্বে যা পাবেন:
আত্মজীবনীতে নেরুদার চমকপ্রদ এক ঘটনা
আধুনিক কবিতা
রবীন্দ্রনাথ ও আধুনিক কবিতা:
রবীন্দ্রনাথ ও গদ্য কবিতা
:

কবিতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আত্মজীবনীতে নেরুদার চমকপ্রদ এক ঘটনা উল্লেখ করেছেন। বলেছেন----
এলিয়টকে তো সবাই জানেন। অলঙ্করণবিদ ও নাট্যকার এবং অতুজ্জল সমালোচক হওয়ার আগে তিনি আমার কবিতা পড়তেন। জেনে কৃতার্থ বোধ করছি। তাঁর চেয়ে ভাল বোদ্ধা আর কে? তারপর একদিন হলো কি, তিনি আমাকে তাঁর কবিতা পড়ে শোনাতে লাগলেন। আমি স্বার্থপরের মতো দৌড়ে পালাতে থাকি : --পড়বেন না, পড়বেন না, শোনাবেন না আমাকে। আমি বাথরুমে ঢুকে ছিটকিনি বন্ধ করে দিই কিন্তু এলিয়ট দরজার বাইরে দাড়িয়ে পড়েই যাচ্ছেন। আমার মনটা দমে গেল। ওদিকে ফ্রজার, স্কটল্যান্ডের কবি বলে উঠলেন----এলিয়টের সাথে আপনার এ কেমন ধারার ব্যবহার? আমি তখন উত্তর দেই: শুনুন, আমি আমার পাঠক হারাতে চাই না। তাকে আমি সযত্নে ধীরে ধীরে তৈরী করেছি। সে আমার কবিতার চামড়ার কোঁচকানো বলিরেখা পর্যন্ত দেখতে পায়। এলিয়টের প্রতিভা কত্ত দিকেই না। তিনি আঁকতে পারেন, প্রবন্ধ লেখেন তিনি। কিন্তু আমি যে আমার পাঠক ধরে রাখতে চাই। ফেজার, প্লিজ আমাকে বোঝার চেষ্টা করুন।

এরপর প্রসঙ্গের ইতি টেনেছেন এই বলে যে, কারণ হলো, সত্যি সত্যি এমনটাই যদি ঘটতে থাকে কবিরা কেবল লিখবেন অন্য কবিদের জন্য, তো হ্যাঁ, এই ব্যাপারটা, কবি কবিতা লিখে যাচ্ছেন অন্য কবিদেরই জন্য, এইটা আমাকে টানে না........ কবিতা তার পাঠকের সাথে সম্পর্ক হারিয়ে বসে আছে, কোন পাঠকই আর ধারে কাছে নেই....... তাকে কিন্তু ফিরিয়ে আনতে হবে......... কেবল তখনই আমরা সত্যিকার কবি হয়ে উঠব........ কবিতাতো বাঁচবে এ ল্ক্ষ্য নিয়েই।

আধুনিক কবিতা:

আধুনিক কবিতা এক আন্তর্জাতিক প্রপঞ্চের, যার নাম আধুনিকতা বা আধুনিকবাদ, যার উদ্ভব ঘটে পশ্চিমে এবং ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র গ্রহব্যাপী । রোমান্টিক আন্দোলনের পর সবচেয়ে ব্যাপক ও সফল সাহিত্য শিল্পান্দোলন আধুনিকতা বা আধুনিকবাদ, যা সারা পৃথিবী জুড়ে সৃষ্টি করেছে অসামান্য সাহিত্য ও শিল্পকলা। আধুনিকতাবাদ এক বহুমাত্রিক শিল্প-সাহিত্যান্দোলন, যার বিকাশ ঘটেছে নানা রূপে , নানা রীতিতে। আধুনিকতাবাদেও চরিত্র হচ্ছে সাহিত্যসংস্কৃতির ক্ষেত্রে প্রথাগত রাষ্ট্রসীমা ভেঙ্গে ফেলা; এর স্বভাব আন্তর্জাতিকাবাদ। আধুনিকতাবাদের আগে , পশ্চিমে, শিল্পকলার জগতে বিপ্লব ঘটেছে প্রত্যেক শতকেই, বদলও ঘটেছে সংবেদনশীলতার, কিন্তু তা কোন বিপর্যয় সৃষ্টি করেনি, ওই বদল ঘটে স্বাভাবিকভাবে, আধুনিকতা আসে এক মহা বিপর্যয়রূপে, যা আগের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে সম্পূর্নভাবে। এর স্বভাব বিপর্যয়কর।
১৮৮০ সালকে মনে করা হয় আধুনিকতার সূচনাকাল, যখন দেখা দেন প্রথম আধুনিকেরা- মালার্মে, গতিয়ে, বদলেয়ারের কাছে। পশ্চিমে এ সময়, উনিশ শতকের দ্বিতীয়ভাগে ঈশ্বরকে বাজে কথায় পরিনত করা হয়। কতগুলো বৈজ্ঞানিক হাইপোথিসিসকে কেন্দ্র গড়ে উঠা মতবাদের প্রভাবে তারা ঈশ্বর বিমুখ হয়ে পড়েন, তারা সমালোচনা করেন বুর্জোয়া সমাজের বিভিন্ন বৈশিষ্টের; এবং চারপাশের সমাজ তাদের মনে শুধু বমনের উদ্রেগ করে। তারা শুরু থেকেই ছিলেন বিদ্রোহী, শ্রদ্ধেয় ছিলেন না, তাদের লেখা অর্জন করে কেলেংকারির ও শিল্পকলায় সাফল্য। ১৯১০ থেকে ১৯২৫ সালকে মনে করা হয় আধুনিকবাদের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময়ে বিশশতক দগ্ধ হয় অপব্যয়ী অকান্ত আগুনে, প্রথম মহাযুদ্ধে, মেতে উঠে রক্তপাতে, যুদ্ধের পর অসীম অবিশ্বাস আর হতাশা থেকে জন্ম নেয় বিশ শতকের শিল্পকলা, যার মধ্যে আধুনিক কবিতা প্রধানতম। আধুনিকবাদের নিজের বছর হিসাবে চিহ্নিত করা হয় ১৯২২ কে যে বছর এলিয়টের পোড়ামাটি, রিলকের অর্ফিয়ুসের প্রতি সনেটগুচ্ছ, জয়েসের ইউলিসিস, লরেন্সের অ্যারন্স রড পভৃতি।
বাংলা সাহিত্যের তিরিশের দশকের অতি আধুনিকদের মধ্যে দু’জন সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণু দে- টি. এস. এলিয়টের কাব্যভাবনা, কবিতাশৈলী ও কাব্যভাষার মধ্যে দিয়ে তাদের নির্মাণ ও সৃষ্টির প্রভাময় উদ্যানকে করে তুলেছিলেন সমৃদ্ধ। বাংলায় ১৯২৫ ‘আধুনিকবাদ’-এর সূচনা বছর; আর কয়েক বছর পরই বেরোয় পরিপূর্ণ আধুনিক চেতনা সম্পন্ন কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ। বুদ্ধদেব বসুর ‘বন্দীর বন্দনা’ (১৯৩০), জীবনান্দ দাসের ‘ধূসর পান্ডুলিপি’ (১৯৩৬), অমিয় চক্রবর্তীর ‘খসড়া” (১৯৩৮)। পশ্চিমে আধুনিকবাদ আসে দীর্ঘ প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কিন্তু বাংলায় ছিলনা কোন রকম প্রস্তুতি। আধুনিকতা পূর্ব বাংলা কবিতা সরল আবেগের কবিতা, কৈশোর বা প্রথম যৌবনের আবেগ, স্বপ্ন কাতরতাই বিষয় প্রথাগত বাঙলা কবিতার; আর ওই কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে যে অভিজ্ঞতা, তা সার্বজনীন অভিজ্ঞতা, তা শুধু কবির নয়, পাঠকেরও অভিজ্ঞতা। আধুনিক বাঙলা কবিতা সার্বজনীন সাধারণ অভিজ্ঞতার বদলে প্রকাশ করে কবির অনন্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, যা অধিকাংশ সময়ই মানসিক; আর আধুনিক কবিতা তা প্রকাশ করেছেন অভিনব ভাষায় ও অলংকারে। বিশ দশকে সূচনা ঘটে যে কবিতা, আর ষাটের দশকে ঘটে যে ধারার কবিদের শেষ উন্মেষ, সে কবিতা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এ ধারায় প্রথম পাঁচ জীবনানন্দ দাশ, অমিয় চক্রবর্তী, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বুদ্ধদেব বসু,বিষ্ণু দে-এ ধারায় শ্রেষ্ঠ কবি। আধুনিক ধারার কবিরা বাংলা কবিতায় এনে দিয়েছে অনেক সমৃদ্ধি এবং নিয়েছে পাঠকহীনতার দুর্নাম । এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি জীবনানন্দ দাশই একমাত্র কবি যিনি গেঁয়ো, শব্দ ব্যবহারে অসংযমী, এই অঞ্চলের প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে গিয়ে গহীন ভালোবাসায় আপ্লুত হয়ে কবিতা লিখেছেন। আর এই কারণেই সময়ের পট পরিবর্তনের সাথে সাথে তিনি হয়ে উঠেছেন আরো গ্রহণীয়।

রবীন্দ্রনাথ ও আধুনিক কবিতা:

আধুনিকবাদের মূল সূর যে প্রথাকে অস্বীকার করা তার চর্চা রবীন্দ্রনাথ সারা জীবন করলেও আধুনিক কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ‘পূর্ববর্তী কাব্যচেতনাকে সম্পূর্নরূপে অস্বীকার করা’ তার সাথে তিনি একমত পোষণ করেননি।
১৯৩৩ সালে রবীন্দ্রনাত ঠাকুর তাঁর ‘আধুনিক কাব্য’ প্রবন্ধে বলেনÑ
মডার্ণ বিলিতি কবিদের সম্বন্ধে আমাকে কিছু লিখতে অনুরোধ করা হয়েছে। কাজটা সহজ নয়। কারণ, পাঁজি মিলিয়ে মডার্ণের সীমানা নির্ণয় করবে কে। এটা কালের কথা ততটা নয় যতটা ভাবের কথা।
নদী সামনের দিকে সোজা চলতে চলতে হঠাৎ বাঁক ফেরে। সাহিত্যও বারবার সিধে চলে না। যখন সে বাঁক নেয় তখন সেই বাঁকটাকেই বলতে হবে মডার্ণ। বাংলায় বলা যাক আধুনিক। এই আধুনিকটা সময় নিয়ে নয়, মর্জি নিয়ে।
প্রথম বয়সে যে ইংরেজ কবিদের সঙ্গে আমাদের পরিচয় হল তাঁরা বাহিরকে নিজের অন্তরের যোগে দেখেছিলেন; জগৎটা হয়েছিল তাঁদের নিজের ব্যক্তিগত। আপন কল্পনা মত ও রুচি সেই বিশ্বকে শুধু যে কেবল মানবিক ও মানসিক করেছিল তা নয়, তাকে করেছিল বিশেষ কবির মনোগত।
ওয়ার্ডসওয়ার্থের জগৎ ছিল বিশেষভাবে ওয়ার্ডসওয়ার্থীয়, শেলীর ছিল শেলীয়, বাইরনের ছিল বাইরনিক। রচনার ইন্দ্রজালে সেটা পাঠকেরও নিজের হয়ে উঠত।
দেখা যাচ্ছে, ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইংরেজী কাব্যে পূর্ববর্তীকালের আচারের প্রাধান্য ব্যক্তির আত্মপ্রকাশের দিকে বাঁক ফিরিয়েছিল। তখনকার কালে সেইটাই হল আধুনিকতা। কিন্তু, আজকের দিনে সেই আধুনিকতা মধ্যভিক্টোরিয়া প্রচীনতা সংজ্ঞা দিয়ে তাকে পাশের কামরায় আরাম-কেদারায় শুইয়ে রাখাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখনকার দিনে ছাঁটা কাপড় ছাঁটা চুলের খট্খটে আধুনিকতা। আধুনিক কালের মনের মধ্যেও তাড়াহুড়া, সময়ের অভাব। জীবিকা জিনিসটা জীবনের চেয়ে বড়ো হয়ে উঠেছে। তাড়া-লাগানো যন্ত্রের ভিড়ের মধ্যেই মানুষের হু হু করে কাজ করে, হুরমুর করে আমোদ-প্রমোদ।
গত য়ুরোপীয় যুদ্ধে মানুষের অভিজ্ঞতা এত কর্কশ, এত নিষ্ঠুর হয়েছিল, তার বহুযুগপ্রচলিত যত-কিছু আদব আব্র“ তা সাংঘাতিক সংকটের মধ্যে এমন অকস্মাৎ ছারখার হয়ে গেল; দীর্ঘকাল যে-সমাজস্থিতিকে একান্ত বিশ্বাস করে সে নিশ্চিত ছিল তা একমূহুর্তে দীর্ণবিদীর্ণ হয়ে গেল; মানুষের যে শোভনরীতি কল্যাণনীতিকে আশ্রয় করেছিল তার বিধ্বস্ত রূপ দেখে এতকাল যা-কিছুকে সে ভদ্র বলে জানত তাকে দুর্বল বলে, আত্মপ্রতারণার উপায় বলে, অবজ্ঞা করাতেই যেন সে এক উগ্র আনন্দবোধ করতে লাগল; বিশ্বনিন্দুকতাকেই সে সত্যনিষ্ঠতা বলে আজ ধরে নিয়েছে। মধ্য ভিক্টোরীয় যুগ বাস্তবকে সম্মান করে তাকে শ্রদ্ধেয়রূপেই অনুভব করতে চেয়েছিল, এ যুগ বাস্তবকে অবনামিত করে সমস্ত আব্র“ ঘুচিয়ে দেওয়াকেই সাধনার বিষয় বলে মনে করে। অতএব মধ্য-ভিক্টোরীয় যুগকে যদি অতিভদ্রয়ানার পান্ডা বলে ব্যঙ্গ কর তবে এডায়ার্ডি যুগকেও ব্যঙ্গ করতে হয় উল্টো বিশেষণ দিয়ে। ব্যাপারখানা স্বাভাবিক নয়, অতএব শাশ্বত নয়। সায়েন্সেই বল আর আর্টেই বল, নিরাসক্ত মনই সর্বশ্রেষ্ঠ বাহন; য়ুরোপ সায়েন্সে সেটা পেয়েছে কিন্তু সাহিত্যে তা পায় নি।''

রবীন্দ্রনাথ ও গদ্য কবিতা:

গান, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক সমস্ত মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথ সফল। কিন্তু তার সেরা সফলতা ‘গীতাঞ্জলী’র ইংরেজী অনুবাদ যা তাঁকে এনে দিয়েছিলো বিশ্ব স্বীকৃতি। ‘গীতাঞ্জলী’র কবিতাগুলি অনুবাদ করার সময় এবং পরবর্তীতে তার প্রতিক্রিয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে গদ্য-কবিতা লেখায় মূল উৎসাহ যোগায়। তিনি বলেনÑ
‘গীতাঞ্জলী’র গানগুলি ইংরেজী গদ্যে অনুবাদ করেছিলেম। এই অনুবাদ কাব্যশ্রেণীতে গন্য হয়েছে। সেই অবধি আমার মনে এই প্রশ্ন ছিল যে, পদ্য ছন্দের সুষ্পষ্ট ঝংকার না রেখে ইংরেজিরই মতো বাংলা গদ্যে কবিতার রস দেওয়া যায় কিনা।

চলবে....।
লেখাটি পড়ে একটু মন্তব্য করুন না প্লিজ, ওকে হাত ঠান্ডায় জমে গেলে + এ একটা চাপ দিয়ে যান.... ভুলবেন না যেন...

৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×