এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে আগামী ২৫ মার্চ। এ বছর পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন ১০ ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান।
মহান স্বাধীনতার চেতনা চির অম্লান রাখতে দেশমাতৃকার কল্যাণে আত্মনিবেদিত অনন্যসাধারণ ব্যক্তি এবং কল্যাণধর্মী ও সমাজ উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানের অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
১৯৭৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ১৬৭ জন কৃতি মানুষ ও ২০টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। এ বছরের পুরস্কার বিজয়ীদের নিয়ে এ সংখ্যা হলো ১৭৭ জন কৃতি মানুষ ও ২১টি প্রতিষ্ঠান। তাঁরা হলেন-
১৯৭৭ সাল
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (মরণোত্তর)- সমাজকল্যাণ, কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)-সাহিত্য, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন (মরণোত্তর)-চিত্রকলা, ড.মোকাররম হোসেন খন্দকার (মরণোত্তর)-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মাহবুব আলম চাষী-পল্লী উন্নয়ন, ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান চৌধুরী-চিকিৎসা বিজ্ঞান, ডা: মো: জাফরুল্লাহ চৌধুরী-জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, রুনা লায়লা-সঙ্গীত, হাবিলদার মোস্তাক আহমদ-ক্রীড়া ও এনায়েত করিম-জনসেবা।
১৯৭৮ সাল
জসীম উদ্দীন (মরণোত্তর)-সাহিত্য, ড.মজাহারুল হক (মরণোত্ত)-শিক্ষা, রনদা প্রসাদ সাহা (মরণোত্তর)-সমাজকল্যাণ, ডা: মোহাম্মদ ইব্রাহীম-সমাজকল্যাণ, ড.শাহ মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যা, আবদুল আহাদ-সঙ্গীত, মাহফুজুল হক-পল্লী উন্নয়ন ও আলমগীর এম,এ,কবীর-জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ।
১৯৭৯ সাল
আবুল মনসুর আহমদ (মরণোত্তর)-সাহিত্য, ড.কাজী মোতাহার হোসেন-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা, ড.মুজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী-শিক্ষা, ফিরোজা বেগম-সঙ্গীত, সমর দাস-সঙ্গীত, ওস্তাদ ফুলঝুরি খান-সঙ্গীত, কামরুল হাসান-চিত্রকলা, তাহেরা কবীর-সমাজকল্যাণ ও নূর মোহাম্মদ মন্ডল-জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ।
১৯৮০ সাল
ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (মরণোত্তর)-শিক্ষা, মাওলানা আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ (শর্ষিণার পীর)-শিক্ষা, আলহাজ্জ জহির উদ্দিন (মরণোত্তর)-জনসেবা, ফররুখ আহমদ (মরণোত্তর) সাহিত্য, শহীদ মুনীর চৌধুরী (মরণোত্তর)- সাহিত্য, ড.খন্দকার আমির হাসান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও সোহরাব হোসেন-সঙ্গীত।
১৯৮১ সাল
মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ (মরণোত্তর)-সাংবাদিকতা, আব্বাস উদ্দিন আহমদ (মরণোত্তর)-সঙ্গীত, মেজর আবদুল গনি (মরণোত্তর)-জনসেবা, বেগম সামসুন নাহার মাহমুদ (মরণোত্তর)-সমাজসেবা, আব্বাস মির্জা (মরণোত্তর)-ক্রীড়া, দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ-সাহিত্য, ওয়ালিউল্লাহ পাটোয়ারী-শিক্ষা ও ওস্তাদ খাদেম হোসেন খান-সঙ্গীত।
১৯৮২ সাল
ড.আবদুর রশীদ (মরণোত্তর)-শিক্ষা, কাজী মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন (মরণোত্তর)-জনসেবা, সৈয়দ মুর্তাজা আলী (মরণোত্তর)-সাহিত্য, আনোয়ারুল হক (মরণোত্তর)- ললিতকলা ও বেগম ফিরোজা বারী-সমাজসেবা।
১৯৮৩ সাল
কবি আবদুল কাদির-সাহিত্য, ড.মুহাম্মদ এনামুল হক (মরণোত্তর)-শিক্ষা ও বারডেম- চিকিৎসা বিজ্ঞান।
১৯৮৪ সাল
ড.মহম্মদ কুদরত-এ-খুদা (মরণোত্তর)-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যা, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন-সাংবাদিকতা, অধ্যাপক মহম্মদ মনসুর উদ্দিন-সাহিত্য, শাহ আবুল হাসনাত মোহাম্মদ ইসমাইল-সাহিত্য, ওস্তাদ আয়েত আলি খান-সঙ্গীত, রশিদ উদ্দিন চৌধুরী (বুলবুল চৌধুরী) (মরণোত্তর)-নৃত্য, দীদার সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি-পল্লী উন্নয়ন ও কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট-সমাজসেবা।
১৯৮৫ সাল
জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী (মরণোত্তর)-সমাজসেবা
১৯৮৬ সাল
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী,কুমিল্লা-পল্লী উন্নয়ন, অধ্যাপক মফিজ-উদ-দীন আহমেদ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিদ্যা ও মো:মোশারফ হোসেন খান-ক্রীড়া।
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


