somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পের বাংলাদেশ

০১ লা মে, ২০১২ বিকাল ৩:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নতুন প্রোজন্মের আমরা এবং ২৬শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর
স্ব-ভাব যায় না ধুইলে -সত্যিই কি তাই? আসুন দেখা যাক। আমরা বাঙ্গালীরা একবার একত্রিত হয়েছিলাম সেই ১৯৭১ সালে , যুদ্ধ হলো, দেশ স্বাধীন হলো , কিšতু তার পর ? তার পর শুধুই বিভক্তি... ! আসলে এই বিভক্তির কারন কি ? কেউ কখনো ভেবে দেখেছি কি ...? আসুন একটু ভেবে দেখি এবং মিলিয়ে নেই । ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর যুদ্ধ শেষ স্বাধীন বাংলা দেশের যাত্রা শুরূ । তার পর ধ্বংষ একটি দেশকে পূণর্ঃর্গঠনের সংগ্রাম । খুব সল্প-সময়ের মধ্যে কিছু অসৎ লোকের বিত্তোবৈভবাপন্ন্ হিসাবে আত্ত-প্রকাশ , কারন তারা স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় সাধারণ মানুষের সম্পদ নিজেদের কাছে আমানত রেখেছিলো কিন্তু পরে তা আর ফেরত দেয় নাই । তারা মনে প্রাণে স্বাধীনতা যুদ্ধ চেয়েছিলো এবং গোপনে রাজাকারদের সাহায্য করতো নিজেদের গা বাঁচানোর জন্য অথবা তারা নিজেরাই রাজাকার তৈরী করেছিলো ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র মতায় অধীষ্ঠিত হওয়ার জন্য এ এক শুদুর-প্রোসারী পরিকল্পণা , শুধু তাই নয় তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতো রাজাকারদের তথ্য প্রোদান করার জন্য , এক কথায় মোনাফেক । আর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করা এবং স্বাধীনতাত্তোর কিছু চিহ্নিত রাজাকার কে প্রকাষ্যে হত্যা কোরে তারাই দেশের সেবক এবং বুদ্ধিজীবিতে রূপানত্তরিত হয় , তারা রাজাকার দের হত্যা করেছিল কারন তা-না হলে তাদের পরিচয়ও ফাঁস হয়ে যেতো , আর একারনেই তারা সেবক এবং বুদ্ধিজীবি হতে পেরেছে। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ এর কালো রাত্রি একথাই প্রমান করে ।
যুদ্ধ শেষে বঙ্গবন্ধু দেশে প্রত্যবর্তণের মধ্যদিয়ে শুচীতো হলো নতুন অধ্যায়ের । তিনী সরকার গঠন করলেন জাতীয় চার নেতাকে নিয়ে , সাথে স্থান পেয়েছিলো সেই সকল মোনাফেক দের কয়েক জন যাদের বঙ্গবন্ধু কোনোদিন চিনতেও পারেননি । আর সেকারনেই হয়তো তৎকালীন নবগঠিতো সেনাবাহিনী তে স্থান হয়নি ১৫-২০দিন অথবা এক মাস ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করা গেরীলা মুক্তিযোদ্ধাদের । বঙ্গবন্ধু বাকশাল গঠন করেছিলেন অবহেলিতো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিতো করার জন্য কিন্তু ততদিনে মতা লোভীরা আরও বেশী সুসংগঠিতো ,একদলীয় গণতাš্্রীক ব্যবস্থা তথা বাকশালকে এবং বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতীক জীবন কে কলুষীতো করেছে এই ধরনের মোনাফেকরা। আর এ কারনে নতুন প্রোজন্মের আমরা আজও জানতে পারিনি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধীনায়ক এম.এ.জি ওসমাণী কেনো পাদোপ্রদ্বীপের আলোয় হারিয়ে গেলেন ? এ কারনেই কজন বীপথগামী সৈনীকের হাতে জীবন দিতে হয়েছে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে , এসব বীপথগামী সৈনীকেরা ছিল সেইসব মোনাফেক দেরই দোষর। আজও এই দেশের আমরা সেই মোনাফেকী চেতনায় বুদবুদ ।
বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রমতায় বসেই শুরূকরে ইতিহাসের পট পরিবর্তনের , পূর্ণঃর্বাসিত করে রাজাকার দের। এভাবেই বিভক্তি এবং পট পরিবর্তন চলতে চলতে আমরা তৈরী করেছি আমাদের আজকের এই অবস্থান । বর্তমানে আমরা এক রাজনৈতিক গৃহযুদ্ধময় বাংলাদেশে বাস করছি যেদেশ পরিবারীক গণ তšত্রীক রাজনিতী দ্বারা পরিচালিত । জাতীগত ভাবেও আমরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়েগেছি বাঙ্গালী এবং বাংলাদেশী আর দলগত ভাবেও , বলার অপোয় রাখেনা নতুন প্রোজন্মের আমাদের মাঝেও এই বিভক্তীই কাজ করছে , সেটা এমন ভাবে যে - এক অংশ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বিস্বাস করে আর এক অংশ বঙ্গবন্ধুকে অশ্বিকার করে। সেকারনেই আমাদের দেশে বার বার ইতিহাস সংস্করন এবং পুণঃমুদ্রন করতে হয় , কিন্তুু প্রকৃত ইতিহাসকে কেউই প্রতিষ্ঠা করতে পারেনী । এই সবকিছুই সম্ভব হয়েছে আমাদের দেশে মোনাফেকতšত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারনে । এদেশের ইতিহাসকে ব্যবছ্যেদ করতে করতে এমন একটি পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে , এখন রাজনীতিবীদ ও ইতিহাসবীদ দের ইতিহাস পর্যালোচনা করতে শুনলে মনে হয় একটা ধোঁয়াটে গল্প , আর মনে হয় এখানে সুদ-আসলের কোনো হিসাব মেলানো হচেছ্য । অথচ আমরা সদাই বলে থাকি আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি গৌরব্বোজ্জ্বল ইতিহাস ।
হ্যাঁ... আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি গৌরব্বোজ্জ্বল ইতিহাস ঠিকই , কিন্তু মোনাফেকী দ্বারা ব্যবছ্যেদ হতে হতে এখন পারিবারীক দ্বন্দোযুদ্ধের ইতিহাসে রূপাšতরিত হয়েছে ,যা বাংলা সিনেমার ব¯তাপঁচা কাহিনীতে পাওয়া যায় । ইতিহাসে আমরাই সেই গর্বীত জাতি যে দেশের স্বাধীনতার ৪০বছর পরেও স্বাধীনতার ইতিহাসের সংস্করন এবং পুণঃমুদ্রন করতে হয় নতুন প্রোজন্মের কাছে তুলেদেবার জন্য , অথচ নতুন প্রোজন্মের কাছে ইতিহাস পৌঁছে যাওয়ার কথা কালের ধারাবাহিকতায় মমত্ত্ব ও দেশত্ত্ববোধ নিয়ে । বিশ্বের সব দেশের স্বাধীনতা ইতিহাসের মহানায়ক কে সেদেশের মানুষ জাতি,ধর্ম,দল ও মত নির্বিশেষে মহান-নেতা হিসাবে অšতরে লালন করে এবং তাঁর আদর্শকে প্রতিষ্ঠা করে । অথচ আমাদের দেশে মহান নেতাকে বানানো হয়েছে বলীর পাঁঠা , আর জাতীয় নেতারা অ¯িতত্ত্ব হীন ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×