৭১ থেকে শিখার আছে অনেক, কিন্তু যারা শিখেছে সেটা কি ৭১ থেকে অর্জন করা বাংলার বিজয় ছিনিয়ে আনার সত্য, নাকি রাজাকার আলবদরের পশুত্ব!!.... তবে আরো আনেক বারের মতো আমি আবারো বলতে চাই, ৫২, ৭১ বাংলার বিজয়ের ইতিহাসের বিজয়ের কথা, বাংলার হাজার বছরের বিজয় ইতিহাস আর ঐতিহ্য আছে... কথাটা সত্য... হাজার বছর... এখন এই হাজার বছরের বাংলাকে আমরা সর্বশেষ এবং স্থায়ী ভাবে পেয়েছি লাল সবুজের রংয়ের জাতীয় পতাকা মাধ্যমে... আমরা যারা সমাজমেবা করি, এবং একটা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত... তারা বুঝি সংগঠনের লোগোটা কতটা জরুরি... কতটা ভালো লাগা আর ভালোবাসার ব্যাপার... যেকোনো ব্যানার ফেস্টুনে আমরা যখন এই নাম আর লোগো ছাপাই, চোখটা রিজের অজান্তেই সেইখানে চলে যায়... সেই নাম আর লোগোর দিকে.... সেই ভালবাসার সূত্রে আমরা আরও ভালো ভাবে বুঝতে পারি ... আমরা সবাই এই বাংলাদেশ নামের একটা বড় সংগঠনের আছি... যার লোগো লাল-সবুজের এই জাতীয় পতাকা... জানি নতুন কিছু বলিনি, কিন্তু চিন্তা গুলোকে ঝারা দিচ্ছি আর কি... . এখন আসি যারা লোক দেখানো দেশপ্রেমে মজে আছে... যারা লোক দেখানো দেশপ্রেমে মজে থাকে তাদের আমি ব্যক্তিগত ভাবে মোটেও পছন্দ করি না... , কিন্তু এটাও সত্য... লোক দেখান কাজের মধ্য দিয়ে সে একটা ভালো কাজ করে ফেলছে...আর ব্যক্তিসত্ত্বাকে অপছন্দ করে আমরা যেন ভালো কাজ থেকে বিরত না হই... এটা সকলের প্রতি অনুরোধ...ব্যপারটা সার্বিকভাবে... শুধু অনলাইনে ফটো দেয়া নেয়া বা স্ট্যাটাস মারা, এমনটা না... যে কোন ব্যপার... এখন সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হবে... আমরা ব্যক্তি পর্যায়ের ঘৃণা থেকে দূরে সরতে গিয়ে জাতীয় ভালবাসা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি কিনা??!!! আবারো বলছি সার্বিক দিক বিবেচনায় আনতে... মন আর দৃষ্টিকোণ বড় করতে বলছি ... অনুরধ করছি......... এখন আরেকটা বিষয় যদি আমরা খেয়াল করি---> আমরা বাংলাদেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কবে থেকে কাজ করছি??? আমি খুব নতুন এই পথে, এর আগে আমি কি করতাম???!!! পতাকাটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতাম, বিভিন্নও দিবসে পতাকাটা ধুয়ে যত্ন করে রাখতাম, ছোট ছোট পতাকা কিনে বারান্দার রেলিংয়ে ভরে ফেলতাম....... এটা ছিল আমার পূর্বের রুপ, তখন কত জনই না আমার সামনে-পিছে কত কথা বলেছিল...... লেখাপড়ার নাম নাই, সারাদিন গিটার নিয়ে ভাব মারে, না বাংলা-না ইংলিশ বলতে পারে , মার্শাল আর্টসের ড্রেস ্পরে রাস্তা দিয়ে ভাব নেয়......................... কিন্তু আমার ওই ছোট পদক্ষেপ কিন্তু আজকে আমাকে একটা ছোট সংগঠনের সাধারন মেম্বার করে নিয়েছে ............... তাই কে যে কখন মিনি স্কার্ট ছেড়ে শাড়ি পড়বে ............ কে যে কখন হিন্দি গানের আলিঙ্গন থেকে মুক্তি পাবে, আমরা জানি না ........................... বরং আমরা সাধুবাদ দেই, তার ছোট্ট প্রয়াসের জন্য............ পতাকাকে ধারন করার জন্য ............যেন সেই ব্যক্তিরা এই ইন্টারনেট নামক যান্ত্রিক দুনিয়া থেকে ঘাম ঝরান সত্যিকার জীবনের মেঠো পথে নেমে আসতে পারে
............................................................. শুভ কাল .............................. কাল বৈশাখ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

