কোনো এক দেশের যোগাযোগ ব্যাবস্থা চরম বিঘ্নিত
বাংলার অধ্যাপক
একজন বাংলার অধ্যাপকের কাছে গেলে তিনি যোগাযোগ মন্ত্রী পদত্যাগের ব্যাপারে বলেন “পদত্যাগ শব্দটি এসেছে ‘পদ’ এবং ‘ত্যাগ’ শব্দদ্বয়ের সমন্বয়ে । পদ মানে ‘পা’ আর ত্যাগ মানে ‘ছেড়ে দেয়া’ । আক্ষরিক অর্থে পদত্যাগ শব্দটির মানে দাড়ায় ‘পা ছেড়ে দেয়া’ । যেহেতু তিনি কার পা ধরেননি (!) তাই ছেড়ে দেয়ার মানে পদত্যাগের(!) প্রশ্নই আসে না ।
মৎস্য সম্পদ অধিদপ্তর :-< :-< :-<
“ বিগত বছর গুলোর তুলনায় গত দুই বছরে মৎস্য সম্পদের পরিমান অনেক গুনে বেড়েছে । আগের দিন গুলোতে শুধু নদী-খাল-বিল-পুকুরে মাছ পাওয়া যেত । কিন্তু এখন রাস্তাঘাটের গর্ত গুলো ডোবাতে পরিনত হওয়ায়, সেখানে বোয়াল, মাগুড় মাছ চাষে ব্যাপক সাফল্য এসেছে” । একজন মৎস্য সম্পদ অধিদপ্তর কর্মকর্তা যোগাযোগ মন্ত্রী পদত্যাগ না করার পেছনে এই যুক্তি তুলে ধরেন । তিনি আরো বলেন “ দুর্বিষহ ট্র্যাফিক জ্যামে মানুষ যাতে বোর না হন সেইজন্য তিনি রাস্তার গর্তগুলো থেকে মাছ ধরার জন্য ছিপ-বরশির ব্যাবস্থাও করেছেন, ( মৎস্য মারিব খাইব সুখে, কি আনন্দ লাগসে বুকে ) । তবে চার্জ প্রযোজ্য ” ।
জনসংখ্যা অধিদপ্তর
“দেশের সরকার যখন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে হিমসিম খাচ্ছে, তখনই ফেরেশতা (!) রূপে নাযিল হলেন আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রী । জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনে উনার অবদান ইতিহাসে লিখা থাকবে(!) । উনার কারনে এখন আর পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের দরকার নেই । দরকার নেই কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী পদ্ধতি(!) গ্রহনের
সাধারন মানুষ
সাধারন মানুষের কাছে উনার পদত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন করলে উনারা জানান, “ আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রী সকল ধরনের মানবীয় গুনাবলির উর্দ্ধে
এখন বলুন আপনি কি মনে করেন ? দেশের জন্য এত পজিটিভ দিক (!) নিয়ে আসার পরও কি উনার পদত্যাগ করা উচিত ?
তবে ঘাবড়াবার কিছু নাই । সবশেষে যখন উনার ঘনিষ্ঠ মহলে যোগাযোগ করা হলে জানা যায় তিনি পদত্যাগ করবেন না এমনটি নয় । পদত্যাগ করবেন তবে সাবেক কোনো এক নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ সংক্রান্ত রেকর্ড (!) ভাঙ্গার পর ।
উপরের লিখাটি লেখকের উত্তপ্ত মস্তিষ্কের কল্পনা প্রসূত লেখা । বাস্তবের সাথে এর মিল খোঁজা বোকামি হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



