somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মাহমুদুর রহমান
আমার নাম- মাহমুদুর রহমান।কোন কুসংস্কারে বিশ্বাস করি না।যে কোন ধরনের সন্ত্রাসবাদকে ঘৃণা করি।নিজের ধর্ম ইসলামকে খুব ভালোবাসি।ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা মানুষকে মানবিক হতে শিখায়,সহনশীল হতে শিখায়,সামাজিক হতে শিখায়।নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি।

আগে শিক্ষা তারপর সমালোচনা।

২০ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



পাঠকেরা সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করবেন, ভালো না লাগলে চুপ করে কেটে পড়বেন, লেখার সমালোচনা করা যাবে না, লেখার উপর বিরূপ মন্তব্য করা যাবে না; তা'হলে, ব্লগ আপনার জন্য ভুল যায়গা। অনেক ব্লগার বলে থাকেন, "পোষ্ট আপনার ভালো না লাগলে, পোষ্টে আসবেন না", "আমি কতবার বলেছি যে, আমার পোষ্টে আসবেন না"; কিন্তু পাবলিক ডোমেইনের নিয়ম এই রকম নয়; কারণ, পাবলিক ডোমেইনর মালিকানা আপনার নয়, এবং ইহার উপর আপনার একক কোন অধিকার নেই, এমন কি ওয়েব-সাইটা আপনার হলেও; যদি আপনি চান যে, কেহ আপনার পোষ্টের সমালোচনা করতে পারবেন না, তখন একমাত্র উপায় হচ্ছে, পাবলিক ডোমেইনে প্রকাশ না করা। ঐ ধরণের লেখার স্হান ব্লগে হওয়ার কথা নয়, সেটার স্হান পত্রিকা, ম্যাগাজিন, বই'এ হতে পারে।

জী এই লেখাটা কার তা বুঝতে আপনার বেগ পেতে হয়নি আশা করি। ব্লগার হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই চাওয়া আমরা যখন পোষ্ট দিবো তখন বাকীরা সেখানে সুন্দর আশাবাদ ব্যক্ত করবে।আর তাতেই লেখাটা স্বার্থক হবে।কিন্তু সবাই আমরা এক হলেও সবার চিন্তাধারা এক নয়।আর এটা স্বাভাবিক যে একটা পাব্লিক পোষ্টে প্রত্যেকে যার যার মতামত ব্যক্ত করবে নিজেদের মতো করে।সেখানে আলোচনা হবে ;সমালোচনা হবে।কিন্তু এর মানে এই নয় আপনি অন্যের অনুভুতিতে আঘাত দিবেন;অশালীন, অসামাজিক মন্তব্য করবেন;অন্যদের সামনে তাকে কটাক্ষ করবেন।ব্লগের নীতিমালার বিরুদ্ধাচারণ করার ক্ষমতা কারও নেই।

ধরুন একজন বললো বাংলাদেশের রাজধানী বাগেরহাট।
এতে সবাই বলবে আপনি ভুল।বুদ্ধিমানেরা বলবে আপনার মতামতটি সঠিক নয় কিংবা এর ভিত্তি কি,কিংবা শালীনতার মধ্য থেকে তার ভুলটা ধরিয়ে দিবেন এবং সঠিকটা বলে যাবেন।এখন যদি শুরুতেই আপনি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন,আপনি একটা বেকুব,আপনার মগজ খালি,আপনার মাথায় সমস্যা,অসভ্য,অশিক্ষিত,বাবা-মা শিক্ষা দেয় নি ইত্যাদি ইত্যাদি।মূলত এই যাবতীয় কথা কেবল সেই শ্রেনীর মানুষ বলে যাদের মধ্যে নেই ন্যুনতম মূল্যবোধটুকুও।আর এই শ্রেনীর মানুষকে একজন এড়িয়ে যেতে বলাটা তার জন্যই মংগলজনক এই জন্যই যে তিনি মানুষের কাছে যেন হাসির খোরাক না হন কিংবা একজন শিক্ষিতলোক মূর্খকে কখনোই স্থান দেন না।

আপনি সমালোচনা করুন যে কোন বিষয়েরই।তবে আগে আপনার পূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে সে বিষয়ের ওপর।এখন যদি অর্ধেক জানেন আর অর্ধেক না জানেন তাহলে সমালোচনা করবেনই বা কেন?যে বেটারা ইসলামের সমালোচনা করে তারা তো ইসলাম সম্পর্কে কোন জ্ঞানই রাখে না।হুম, আপনি নাই জানতে পারেন তাহলে জিজ্ঞেস করুন যে জানে।কিন্তু না আপনি তা করবেন না বরং সব দোষ চাপাবেন ইসলামের ওপর।

একজন মানুষ সদা আপনার পোষ্টে যদি অগ্রহনযোগ্য বিবেকহীন মন্তব্য করে চলে; আপনি অবশ্যই একদিন না একদিন তাকে বলবেন আপনি আমার পোষ্টে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।আর এটাই স্বাভাবিক।উপরোক্ত লিখাটির জনকও ঠিক সেই রকমই একজন মানুষ।যিনি ঈর্ষা করতে ভালোবাসেন,মানুষকে সদা অপদস্থ করার চিন্তা-ভাবনা মাথায় নিয়ে ঘোরেন।আর সুযোগ পেলে আজেবাজে মন্তব্য করেন;ভুল ধরেন;কটাক্ষ করেন কিন্তু শুধরে দেন না।আপনার কাছে একটা বিষয় ভালো নাই লাগতে পারে সুতরাং আপনি বলে দিন ভালো লাগে নি,আমি আপনার সাথে একমত নই।অথবা সহজ সরল সুন্দর ভাষায় আপনার মতামত লিখুন কিন্তু মানুষকে গালাগাল করা; কাউকে মিথ্যা দোষারোপ করা এটা সত্যিই অশিক্ষিত শ্রেনীর কাজ।আর ব্লগে অশিক্ষিতদের মধ্যে তিনিই প্রথম স্থানে রয়েছেন।যেমন এই লোকটার অতিপ্রিয় একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আমি লিখেছিলাম যিনি ছিলেন ইসলাম বিদ্বেষী;নিজ কন্যা সন্তানকামী;বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকামী।সে লেখাটা তার সহ্য হয় নি আর তাই তিনি আমাকে সন্ত্রাসবাদী বলে একটা মিথ্যা অপবাদ দিলেন।যখন ধর্মকে কেউ গালমন্দ করে তখন এই ভদ্রলোকের ভালো লাগে,তিনি তাতে সমর্থন দেন।কিন্তু অধর্মের বিরুদ্ধে কেউ যখন সোচ্চার হয় তখন তিনি কুকুরের মত ঘেউ ঘেউ করে ওঠেন।তাকে আমি স্মরন করিয়ে দিতে চাই, কুকুর ছানা যতই চেচামেচি করুক নেকড়ের কাছে সেটি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪৮
৩৬টি মন্তব্য ৩৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বন্যায় প্লাবিত কুড়িগ্রাম; জনজীবনে দুর্ভোগ

লিখেছেন আরাফাত আবীর, ১৮ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০২

কুড়িগ্রাম; যে জেলাকে দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা বলা হয়। দেশের আর কোথাও এখন 'মঙ্গা' কার্যক্রম দেখা না গেলেও, এখানে 'মঙ্গা' কার্যক্রম প্রতিবছর চালু থাকে। এখানকার মানুষদের এখনো শুনতে হয়, 'আরে!... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে-১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ৯:৫১



১। বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে এমন একজন লেখক হচ্ছেন- হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ুন আহমেদ এর মৃত্যুর কথা মনে পড়লেই কোত্থেকে যেন এতগুলো কষ্ট এসে জমে বুকে। আমার সবচেয়ে প্রিয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বর্ণবাদকে উসকে দিচ্ছেন আমেরিকায়

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৮ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৪৫



বহুবর্ণের মানুষের দেশ হিসেবে, বর্তমান বিশ্বে, আমেরিকা সবচেয়ে কম বর্ণবাদী সমাজ; ১৯৬০ সালের পর, এই দেশে বর্ণবাদ দ্রুত সহনশীলতার মাঝে আসে, এবং গত ৪০ বছর বর্ণবাদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্রেমবন্দির গল্প-২

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:১০

©কাজী ফাতেমা ছবি
=ফ্রেমবন্দির গল্প=
গত এপ্রিল মাসে আম্মাকে নিয়ে গিয়েছিলাম ইসলামিয়া ইস্পাহানী চক্ষু হাসপাতাল চোখ দেখাতে। সেখানে চোখ দেখাতে অনেক ঘুরাঘুরি করতে হয়। ফাইল কাগজপত্র এখান থেকে সেখানে, সেখান থেকে ওখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সাহিত্যকর্ম

লিখেছেন এমজেডএফ, ১৯ শে জুলাই, ২০১৯ ভোর ৫:৩৮


দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (১৯ জুলাই, ১৮৬৩ - ১৭ মে, ১৯১৩) ছিলেন একজন বিশিষ্ট বাঙালি কবি, নাট্যকার ও সংগীতস্রষ্টা। তিনি ডি. এল. রায় নামেও পরিচিত ছিলেন। আজ দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×