somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময়ের স্পন্দন (পর্ব ৯-১০ )

২৮ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সময়ের স্পন্দন (পর্ব ৮)

বড় বড় দালান, ভেতরে বাইরে দুটো বড় মাঠ, সিঁড়িবাঁধানো বিশাল পুকুর— রূপপুর মেমোরিয়াল হাইস্কুলে কোনো পরিবর্তন নেই। আগের মতোই আছে। শুধু বদলে গিয়েছে স্কুলটার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়া পাঁচটি জীবন। এই বদলের শুরুটা হয়েছে সেই বর্ষায় রিমঝিম সকাল থেকে। এই বদলটা অস্তিত্ত্ব পেয়েছে একটি মানুষকে কেন্দ্র করে। এই বদলটা অনুভূত হয়েছে ওই পাঁচটি জীবনের অন্তরেই।

মুনা, শৈলী, লিরা, সমাপ্তি আর রজত- পাঁচটা জীবন আগের চেয়ে ভিন্ন গতিতে বয়ে যাচ্ছে এখন। এই ভিন্ন গতিটা বোধ হয় সেই মেঘে ঢাকা সকালেই শুরু হয়েছে, যদিও ওরা অনুভব করতে পেরেছে খানিক পরে, যখন পাঁচজনই একটি অদৃশ্য সুতোর টানে পড়েছে। বুঝতে পেরেছে, আটকে পড়েছে ওরা, একে অপরের মায়াজালে।

হাসিখুশি, মিশুক মুনা একই ক্লাসে তিন বছর ধরে একসাথে বিচ্ছিন্নভাবে পথচলা চারজনকে এক করে নিয়েছে, নিজের সাথে। ওরা এখন কেবল মুনারই কাছের বন্ধু নয়, ওরা চারজনও চারজনের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। প্রত্যেকে প্রত্যেকের হাত ধরে পাশাপাশি হেঁটে চলেছে একটি প্রশস্ত রাস্তা বরাবার। পাঁচ জোড়া হাত এমন শক্তভাবে ধরা যেন পৃথিবীর কোনো শক্তির সাধ্য নেই এই বন্ধন ভাঙে। ওই তো, দেখা যাচ্ছে, ওরা একটু একটু করে সামনে এগিয়ে চলেছে, একসাথে। সেখানে ওরা শুধু পাঁচজন পাঁচজনের। সেখানে আর কারো অস্তিত্ব নেই, আর কারো অবস্থান নেই।

কিন্তু জীবনের চলার পথ তো মসৃণ নয়। পিচঢালা পথেও হাঁটতে গেলে মাঝে মাঝে পায়ের কাছে পিচের দলা ছুটে আসে। ব্যথা লাগে। বাধা পায় পথ চলায়। এই পাঁচজনের জীবনও যদি পিচঢালা প্রশস্ত পথে চলে, তবে সামনে এগুতেই মাঝেমাঝে পিচের দলা তো পায়ের কাছে গড়াগড়ি খাবেই!

রজতের সাথে মুনা, শৈলী আর লিরার সরাসরি আলাপ ওই দেবদূত স্যারের ড্রয়ইং ক্লাসেই। ওখান থেকেই বন্ধুত্ব।

রজত ব্রাহ্মণ ঘরের ছেলে। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। দেখলেই বুঝতে পারা যায়, ছেলেটা ঠিক কতটা অমায়িক, ভদ্র, শান্ত। শৈলী আর লিরার সাথে এতদিন যাবত পড়েছে, কিন্তু কখনো কথা হয়নি। ওর কেমন যেন বাধো বাধো লাগে মেয়েদের সাথে মিশতে। ক্লাসের ছেলেগুলো যা ফাজিল! হয়তো দেখবে তিল, বলবে তাল! তাই ও বিপরীত জাতিটাকে বরাবর এড়িয়েই চলেছে। কিন্তু মুনা এমন মেয়ে যে বোবার মুখেও কথা ফুটিয়ে ছাড়ে।

মুনাই খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রজতের সাথে কথা বলত। একদিন, দুইদিন, তৃতীয় দিন মুনার ধমকে রজত সোজা হয়ে যায়। ওর অস্বস্তি কাটে। মুনার সাথে কথা বলতে শুরু করে। ড্রয়ইং ক্লাসে লিরা আর শৈলীর সাথেও। কিন্তু স্কুলে গেলে ভাব নেয় কাউকে চেনেই না। একসময় মুনা আর সাথে শৈলীর ধমকে স্কুলেও স্বাভাবিক হয়। কিন্তু তখনই বাধে বিপত্তি।

চয়ন রজতের ছোটবেলার বন্ধু। একসাথে বড় হয়েছে, প্রাইমারির গন্ডি পেরিয়ে হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছে, পুজোর দিনে একসাথে ঠাকুর দেখেছে, ভোগ খেয়েছে- এমন বন্ধু হঠাৎ করে আরো চারটা বন্ধু জুটিয়ে নিল, তাও আবার মেয়ে, এই কি সহ্য হয় চয়নের? না, হয় না। তাই ও নিজের মনকে শান্ত রাখার জন্য রজতের সাথে বোঝাপড়া করে। রজতকে বলে, ও যদি মেয়েদের সাথে কথা বলে তাহলে ওর সাথে মিশবে না। রজত অবাক হয়েছিল ওর কথা শুনে। তুই কথা বলিস না কোনো মেয়ের সাথে? তোর কোনো বান্ধবী নেই ক্লাসে? এই ছিল রজতের জবাব। আসলে ও বন্ধুর এমন আচরণে অনেকটা দুঃখও পেয়েছিল। কাছের বন্ধু যদি ভুল বুঝে, এর চেয়ে কষ্ট বোধ হয় পৃথিবীতে আর হয় না!

মুনা বড়লোকের মেয়ে! যেদিন কোনো ঝামেলা করবে সেদিন বুঝবি আমার কথা!

ও! চয়নের সমস্যা তাহলে মুনা? শৈলী, লিরা, সমাপ্তি- ওরা নয়? মুনা যে ঠিক কোন ধরনের মেয়ে আর চয়নের ধারণা যে ভুল এই কথা রজত বারবার বুঝাতে চেষ্টা করে। কিন্তু চয়ন তার কথায় অটল। ও কোনোভাবেই মুনাকে সহ্য করতে পারে না। রজতকে মুনার সাথে কথা বলতে দেখলে ও উল্টাপাল্টা বলে। নিজের বন্ধুকে ছোট করে নিজেই। তাই এতবছরের স্মৃতির দোহাইয়ে কথা হয়তো ওদের হয় ঠিকই কিন্তু সুরটা যেন কোথায় কেটে যায়। মনে হয় এ যেন এক ছন্দ ছাড়া বেসুরো গান!



১০

এবছর নিজের জন্মদিনটা বোর্ড এক্সামের সময় পড়বে বলে সমাপ্তি খুব আপসেট হয়েছিল। বছরের এই একটা দিন ও একদম নিজের মতো করে কাটায়। কোথাও বের হয় না। স্কুলেও যায় না। সকালবেলা মা উঠে ওর জন্য পায়েস রাঁধে প্রতিবছর। দুপুরে ওর যত প্রিয় খাবার। সারাদিন মেজোবোনের সাথে টুকটুক করে গল্প করে। বিকেলবেলা ঘুরে আসে বাড়ির পেছোনের মেঠো পথ দিয়ে। এই পথটা ওর ভীষণ প্রিয়। ছোট থেকেই ও ভীষণ পছন্দ করে এই পথটা। এপথে এলে একপাশে যেমন দেখতে পায় সবুজ ফসলের মাঠ, দু’পাশের ফসলের সারির মধ্য দিয়ে আলপথ, তেমনই অন্যপাশে দেখতে পায় নীল দিগন্তের সাথে মিলিয়ে যাওয়া কাকইড় নদীটাকে। কখনো কখনো নদীর বুকে ছোট ছোট বিন্দুর মতো পালতোলা নৌকাও চোখে পড়ে।

গত সাত-আট বছর যাবত ওর এই রুটিনে কোনো ব্যাঘাত হয়নি। কেউ ওর ইচ্ছেয় জল ঢালতে পারেনি। কি জানি, কেউ হয়তো চায়ওনি ওর নিজের মতো করে জন্মদিনের আনন্দ নেওয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে! হাজার হোক, বাড়ির ছোট মেয়ে! সবার আদরে বড় হওয়া যাকে বলে, ঠিক সেভাবেই বড় হয়েছে সমাপ্তি। তাই নিজের মর্জিগুলোও পূরণ করতে পেরেছে ইচ্ছেমতো।

কিন্তু এত বছরের রুটিনটা এবছর এলোমেলো হয়ে যাবে, এই ভেবেই সমাপ্তি পুরোটা বছর একপ্রকার কষ্ট লালন করেছে বুকে। কিন্তু কে জানতো এই অন্যরকম জন্মদিনে ও অন্যরকম কিছুই পেতে যাচ্ছে?

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা। পরীক্ষা দিয়ে বের হতেই দেখে মুনা, শৈলী, লিরা আর রজত একসাথে দাঁড়িয়ে আছে।

- কি করছিস তোরা এখানে? বাড়ি যাবি না?
- তোর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। আর কথা বলিস না এখন। তাড়াতাড়ি চল। নয়তো সবার বাসায় ফিরতে দেরী হয়ে যাবে।
- কই যাবো??
- আরে চল না আগে!

সমাপ্তির হাত ধরে টেনে নিয়ে যায় মুনা। ওরা পাঁচজন মুনাদের গাড়িতে উঠে বসে। আজ মুনার মা আসেনি মুনার সাথে। ওরা পাঁচজন, ড্রাইভার আর মুনাদের কেয়ারটেকার আন্টি।

- মুনা, আন্টি এল না কেন আজ?
- মা, ঢাকা গিয়েছেন হঠাৎ। তাই আসতে পারেনি।
- ও.. কবে আসবেন? তোর পরীক্ষা চলছে..
- আরে আজ গিয়েছে.. আবার আজই চলে আসবেন। ব্যাপার না। তুই এখন চুপ করে বস.. আমার মাথা এলোমেলো হয়ে আছে.. আমাকে ভাবতে দে.. অনেক প্ল্যান…
- মানে? কি ভাবছিস? কি প্ল্যান?

মুনা কোনো জবাব দেয় না। বাকি তিনজন হেসে নেয়, সাথে ড্রাইভার আঙ্কেল আর মুনার ভাষ্যে কে.টে. আন্টিও। সমাপ্তি বুঝতে পারে আর একটা কথা বললে মুনা এখন দেবে এক ঝাড়ি। তাই ও চুপ মেরে যায় প্রথমে। কিন্তু একটু পরে থাকতে না পেরে পাশে বসা শৈলীকে নিচু গলায় জিজ্ঞেস করে, ‘ব্যাপার কিরে?’ শৈলী ওর দিকে একবার তাকিয়ে মুখে হাসি নিয়ে জানালার দিকে চোখ ফেরায়। ওরা গন্তব্যে এসে পড়েছে।


মুনার মা ঢাকায় গিয়েছে শুনে সমাপ্তি প্রথমে ভেবেছিল পাগলিটা বুঝি ওদের বাসায় নিয়ে যাচ্ছে, কিছুক্ষণ জমিয়ে আড্ডা দেওয়ার জন্য। সামনের পরীক্ষার আগে যেহেতু তিনদিন ছুটি আছে, তাই এমন কাজ করা মুনার মতো পাগলের পক্ষে অসম্ভব কিছু না। কিন্তু রূপপুরের সেরা রেস্টুরেন্টের সামনে আঙ্কেলকে গাড়ি দাঁড় করাতে দেখে সমাপ্তি একটু অবাকই হয়। গাড়ি থেকে সবাই নামলে জিজ্ঞেস করে,

- আমরা এখানে এলাম কেন হঠাৎ?
- আরে ভেতরে তো চল!

………………………..

- তোরা কিভাবে জানলি যে আজ আমার বার্থডে?
- হে! হে! আমরা তোর বন্ধু বস!

মুনা জড়িয়ে ধরে আরেকবার ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ বলে ওকে। লিরা বলে,

- তুই কি ভেবেছিস? তুই না বললে আমরা জানতে পারব না তোর বার্খ ডে কবে?

সমাপ্তি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে হঠাৎ। আর কিছু বলতে পারে না। মনে মনে ভাবে, কত ভাগ্য থাকলে এমন চারটা বন্ধু জুটে কপালে! এত ভালোবাসা জুটে!

সমাপ্তির জন্য এই পুরো সারপ্রাইজ প্ল্যানটা মুনাই করেছিল। পরীক্ষার মধ্যে সময় দেওয়ার জন্য বাকি তিনজনকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইলও করেছিল। বুদ্ধি দিয়েছিল কিভাবে নভেম্বরের ১৬তারিখ পরীক্ষায় গার্ডিয়ান আনা বন্ধ করা যায় চারজনের। কখন সমাপ্তিকে উইশ করা হবে, কোন মুহুর্তে কেক আসবে আর কোন মুহুর্তে ওর চুলে পার্টি স্প্রে করা হবে- এ সবই ওই একটা মাথা থেকেই বেরিয়েছে। তাই প্ল্যান সাকসেসফুল হওয়ার পরে মুনা তৃপ্তি পায়। নতুন কিছু জয় করার আনন্দ অনুভব করে। জীবনের প্রতিটা পর্বেই এভাবে সফল হতে ওর খুব ভালো লাগে।

রেস্টুরেন্ট থেকে হইহই করে বেড়িয়ে সবাই বিদায় নেবে যখন, তখন সমাপ্তি ওদের ডাকে,
- শোন!
- কি?

চারজন একসাথে জবাব নেয়।

কিছুক্ষণ চুপ থেকে সমাপ্তি বলে,

- Thank you for gifting me the best birthday in my life!

সময়ের স্পন্দন (পর্ব ১১-১২)
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০২০ রাত ৮:০৯
২টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কাঁচপোকা লাল টিপ অথবা ইচ্ছেপদ্ম...

লিখেছেন নান্দনিক নন্দিনী, ১২ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১২:২৯



‘হৃদয়ে ক্ষত- তা তোমার কারণেই
তাই, তুমিই সেলাই করে দেবে-
বিনা মজুরিতে।
কিছু নেই এমন যা দিতে পারি তোমাকে;
ঠান্ডা মাথায় দেখেছি অনেক ভেবে!
যদি নাও দাও তবে থাকুক এ ক্ষত
এ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামে নিকাহে মুত'আ বা সাময়িক বিবাহের বিধান ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১০:৪৬

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ অন্তর্জাল।

ইসলামে নিকাহে মুত'আ বা সাময়িক বিবাহের বিধান ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

নিকাহে মুত'আ কাকে বলে?

আরবি: نكاح المتعة‎‎, English: 'wedlease'। নিকাহ মানে, বিয়ে, বিবাহ। আর মুত'আ অর্থ, উপকার ভোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বন্ধু, কি খবর বল...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:০১


সময়ের হাওয়া গায়ে মেখে ভাসতে ভাসতে যখন এই অব্দি এসে পড়েছি, তখন কখনও কখনও পেছনে ফিরতে ইচ্ছে হয় বৈকি। কদাচিৎ ফিরে তাকালে স্মৃতির পাতাগুলো বেশ উঞ্চ এক ওম ছড়িয়ে দেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ যা পারেনি নেপাল তা করিয়ে দেখালো!

লিখেছেন দেশ প্রেমিক বাঙালী, ১২ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৭



ভারতীয় যত টিভি চ্যানেল আছে তা প্রায় সবগুলোই বাধাহীন ভাবে বাংলাদেশে সম্প্রাচারিত হচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে একটি টিভি চ্যানেলও ভারতে সম্প্রচার করতে দেওয়া হয়না। ভারতের কিছু কিছু চ্যানেলের মান অত্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্যবধান

লিখেছেন মুক্তা নীল, ১২ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৭




পারুল আপা আমাদের সকলের একজন প্রিয় আপা। তিনি সকল ছোটদের খুবই স্নেহ আদর ও আবদার পূরণে একধাপ এগিয়ে থাকতেন। অতি নম্র ও ভদ্র তার কারণে বাড়ির গুরুজনদের কাছে এই আপার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×