তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। সে সময়ের বন্ধুরা ছিল জয়নাল, হোসেন, নাছের, ইয়াছিন, সেলিম। তো এদের মধ্যে বান্দরের সর্দার ছিল হোসেন। অনেক সময় তার দুষ্টু কর্মের কল্পনার কথা বাস্তবে করে দেখাতো।
একদিন সে মারাত্বক এক কাজ করে ফেললো। পাশের গ্রামের নাসিমা মেয়েটা খারাপ, এ কথা সবাই বলা বলি করে। আমি তাকে খারাপ চোখে দেখতাম। স্কুলে যাওয়ার সময় কখনো আমার সাথে কথা বলতে চাইলে আমি ছেরে ছেরে কথা বলতাম। মানে একটা প্রশ্নের অর্ধেক উত্বর দিতাম।
হোসেন যা বান্দরামি করতো, পরদিন আমাকে তা বলতো। একদিন সে নাসিমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল রাত ৮টার দিকে। নাসিমা তখন পুকুর ঘাটে ছিল। হোসেন নাসিমাকে একা পেয়ে চুমো দিতে চাইলো। নাসিমা অনেক বাধা দিয়েও নিজেকে চুমো থেকে মুক্ত রাখতে পারলো না।
নাসিমা ছিল অন্য রকম মেয়ে। যে কোন মেয়েলী সমস্যা বলতে কুণ্ঠা করতো না। হোসেনের ব্যাপারটা না চাপিয়ে তার মাকে বলে দিল। ওর মা গেল হোসেনের বাবার কাছে নালিশ নিয়ে। ঘটনা যা হবার তাই হয়েছে। এটাই হোসেনের প্রথম না, সে এর আগে এরকম আরো কয়েকবার নালিশ এসেছে হোসেনের বাবার কাছে।
সে ঘটনার পর থেকে আমি নাসিমাকে আর খারাপ ভাবিনা। সে যদি আসলেই খারাপ হতো তাহলে এই ঘটনাটা কে কিছু মনে করতো না। ভুলে যেত সহজেই।
এর পর থেকে আমি কারো শুনা কথায় বিশ্বাস করি না। লোকেরা তো মানুষের পিছনে কত কিছুই বলে। তা কি সব গুলোই সত্যি হয়? নিজের চোখে দেখে বিশ্বাস করি।
(চলিতে পারে)
তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। সে সময়ের বন্ধুরা ছিল জয়নাল, হোসেন, নাছের, ইয়াছিন, সেলিম। তো এদের মধ্যে বান্দরের সর্দার ছিল হোসেন। অনেক সময় তার দুষ্টু কর্মের কল্পনার কথা বাস্তবে করে দেখাতো।
একদিন সে মারাত্বক এক কাজ করে ফেললো। পাশের গ্রামের নাসিমা মেয়েটা খারাপ, এ কথা সবাই বলা বলি করে। আমি তাকে খারাপ চোখে দেখতাম। স্কুলে যাওয়ার সময় কখনো আমার সাথে কথা বলতে চাইলে আমি ছেরে ছেরে কথা বলতাম। মানে একটা প্রশ্নের অর্ধেক উত্বর দিতাম।
হোসেন যা বান্দরামি করতো, পরদিন আমাকে তা বলতো। একদিন সে নাসিমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল রাত ৮টার দিকে। নাসিমা তখন পুকুর ঘাটে ছিল। হোসেন নাসিমাকে একা পেয়ে চুমো দিতে চাইলো। নাসিমা অনেক বাধা দিয়েও নিজেকে চুমো থেকে মুক্ত রাখতে পারলো না।
নাসিমা ছিল অন্য রকম মেয়ে। যে কোন মেয়েলী সমস্যা বলতে কুণ্ঠা করতো না। হোসেনের ব্যাপারটা না চাপিয়ে তার মাকে বলে দিল। ওর মা গেল হোসেনের বাবার কাছে নালিশ নিয়ে। ঘটনা যা হবার তাই হয়েছে। এটাই হোসেনের প্রথম না, সে এর আগে এরকম আরো কয়েকবার নালিশ এসেছে হোসেনের বাবার কাছে।
সে ঘটনার পর থেকে আমি নাসিমাকে আর খারাপ ভাবিনা। সে যদি আসলেই খারাপ হতো তাহলে এই ঘটনাটা কে কিছু মনে করতো না। ভুলে যেত সহজেই।
এর পর থেকে আমি কারো শুনা কথায় বিশ্বাস করি না। লোকেরা তো মানুষের পিছনে কত কিছুই বলে। তা কি সব গুলোই সত্যি হয়? নিজের চোখে দেখে বিশ্বাস করি।
(চলিতে পারে)
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


