আমাদের মাঝে অসংখ্য পল্লীবন্দ্ধু'র ভক্ত রয়েছে যারা পল্লীবন্দ্ধু'র কবিতার পাগল তাদের জন্য পল্লীবন্দ্ধু'র স্বরচিত একটি কবিতা দিলাম।
তাঁর কাছে করুণা ভিক্ষা
-হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
তাঁর আদেশ উপদেশ বড় স্পষ্ট
এতো বেশি স্পষ্ট ভুল হবার সম্ভাবনা নেই।
তিনি সর্বব্যাপৃত, সর্বজ্ঞানী, সুপথ প্রদর্শক;
তিনি সদাজাগ্রত, সুখ-দুঃখ আনন্দ বেদনার উৎস।
এই মৃত্তিকা তিনি সৃষ্টি করেছেন
তিনি মাথার উপরে সূর্যকে ধরে রেখেছেন
সমুদ্রকে নীল ঢেউ দিয়ে ভরে রেখেছেন
তিনি জীবনের অর্থ দান করে থাকেন।
তিনি বার বার ঘোষণা করেন;
তোমরা আমাকে স্মরণ করো
আমিও তোমাদের স্মরণ করবো।
আমরা তাঁকে ভুলে যাই
তাই এতো বিভ্রাট আমাদের উৎসবের শুরুতে
শেষে ষড়যন্ত্রের শিকার সামাজিক স্বীকৃতি,
এদেশের অসংখ্য মানুষ আজ হতাশার প্রতিচ্ছবি
চরম দারিদ্র্য, অসহায়, অবহেলিত ভূমিহীন;
এদের ক্ষেত খামার ফসল; ইজ্জত আজ বন্ধক
চতুর বণিকের কাছে, তুমিই এদের শেষ ভরসা
প্রতিদিন প্রাতে দরজায় আঘাত শুনি
কখনো বেকার যুবকের কন্ঠস্বর
কখনো নারকীয় বস্ত্র হরণকারীর গুলির আওয়াজ
কখনো দরিদ্র কৃষকের আকুতি
কখনো শ্রমিকের প্রতিবাদ -
কখনো যন্ত্রণায় কাতর কোনো মুসাফির।
হে শ্রবণকারী। তুমি কি আমাকে শুনতে পাও
এই মুহূর্তে আমাকে একটু করুণা ভিক্ষা দাও;
আমাকে এমন একটি হাতিয়ার দাও
যার স্পর্শে সব কলহগুলো শান্তিতে বদলে যায় -
যার স্পর্শে সব অনুর্বর জমি ফসলে রূপান্তরিত হয়ে যায়।
কুয়াশাচ্ছনড়ব এদেশ হয় বসবাসের উপযোগী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

