প্রধানমন্ত্রীর সাথে সুরন্জিত বাবুর সাক্ষাৎ হয়েছে,কথা হয়েছে ,শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে কি? কি কথা হলো দুজনাতে জানা যাবে কি? রহস্যাবৃত এই গোপন কথোপকথনে নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী পরামর্শকের ভূমিকায় ছিলেন ।সুরন্জিত বাবু বলেছেন তার দোষ নেই তিনি এই টাকার বিষয়ে কিছুই জানতেন না । যা হয়েছে তাতে তার করার কিছুই ছিল না সুরন্জিতের এই কথায় প্রধানমন্ত্রী সন্তুষ্ট হতে পারলেন না ।প্রধানমন্ত্রী রাগত় স্বরে বললেন ,তাহলে দোষটা কার ! বাবু কিছুটা নত মস্তকে উত্তর দিলেন, ছাগল চুরির দায়ে একবার আমাকে আ্ভিযুক্ত করেছিল এক রাজাকার,আদালত আমাকে বেকসুর খালাস দিয়েছিল যদিও মনের অজান্তে চুরিটা আমিই করেছিলাম,আমি নির্দোষ ছিলাম অপরাধী হয়েও ।থামুন মৃদু ধমক দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারপর বলা শুরু করলেন ,এই কথাটি মন্ত্রীত্ত পাওয়ার পরেওতো জানাননি,আমি তুরষ্ক সফরে গিয়ে ঘুমুতে পারিনি, শুধুই ভেবেছি দেশে ফিরে এসে আমি কি করব,যা হোক বলুন ছাগল চুরিটা কি্ভাবে করেছিলেন? সুরন্জিতের গলাটা শুকিয়ে ছিল তাই সামনে থাকা এক গ্লাস পানি ঢক় ঢক্ করে পান করে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিলেন তারপর বলতে লাগলেন,গ্রামে সবাই জানত আমি সুরন্জিত একজন সৎ লোক কিন্তু রাতের অন্ধকারে আমি ছিলাম গরু চোরদের রিং লিডার ! গ্রামে চুরি হতে হতে একটা সময়ে গ্রাম গরু শুন্য হয়ে গেল তখন বাধ্য হয়েই ছাগল চুরির দিকে আমাদের ঝুঁকতে হলো । যে ছাগলটা চুরি করার দায়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল সেই ছাগলটা ছিল এক রাজাকারের ,নাদুষ নুদুশ এই ছাগলের মাংস খাওয়ার জন্যে আমার সহকারীকে চুরির কাজে নিযুক্ত করি,কিন্তু শালা অসভ্য সহকারী ধরা পড়ে যায় গ্রাম্য চৌকিদারের হাতে, মামলা হয় আমাকে এক নাম্বার আসামী করা হয় ,আমাকে আসামী করার পরপরই জেদ করে আমি নিজেই ছাগলটা চুরি করি এরপর সবাই আমাকে কালো বিড়াল নামে ডাকতে শুরু করে ,কি মুশকিল! প্রধানমন্ত্রী কৌতুহলী হয়ে প্রশ্ন করলেন , চুরিতে ধরা পড়েও কিভাবে নির্দোষ হয়ে খালাস পেলেন? চুরিটা আমি মনের অজান্তে করেছি কোর্টকে এটা বুঝাতে পেরেছি বুঝিয়েছি আমি জানতামই না আমি চুরি করেছি । কিভাবে? মাননীয় আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে শপথ করে বললাম ছাগলটা আমি চুরি করিনি ।আদালত প্রশ্ন করল তবে যে ছাগলটা তোমার বাড়ীতে পাওয়া গেলো ,এই কথা তুমি অস্বীকার করো ? উত্তরে বললাম অস্বীকার করিনা কিন্তু আমি নির্দোষ ,সেদিন আমি বাড়ী ফিরছিলাম পথের মাঝখানে একটা রশি পেলাম,ভাবলাম রশিটা আমার কাজে লাগবে তাই রশিটাকে নিযে হাঁটতে থাকি কিন্তু বাড়ী ফিরে তাকিয়ে দেখি রশিটার অপর প্রান্তে ছাগলটা দাঁড়িয়ে!
যদিও মনের অজান্তে চুরিটা আমিই করেছিলাম,আমি নির্দোষ ছিলাম অপরাধী হয়েও
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।