আকাশ বলে কিছু নাই
ঘুড়ি ওড়ে শুধু মিছামিছি আকাশের গায়ে
শুধু ঘুড়ি জানে আকাশের ধোঁকাবাজী
বালিকার জানা নাই হায়!
বালিকা আকাশ দেখে মানুষের বানানো কথায়
সিদ্ধান্তে আসা যাক তবে হৃদয়ে নিড়ানি দিয়া এক্ষণে আবেগের চাষবাস শুরু।
হতাশ হলেন জনাব আমার কথনে? হলেন কি ত্যাক্ত তবে বলি যদি
ঐ চাঁদ ঐ সূর্য কোন্কালে আসমানে উঠে? তবু জানি
আকাশ বলি ওই নীলাম্বর শূণ্যতাকে সনাক্তের খাতিরে শুধু,
বালিকা কি জানে ছাই তার সাজানো আকাশ কী মত শূণ্যতায় লীন-
শুধু ঘুড়ি জানে আকাশের ধোঁকাবাজী, বালিকার জানা নাই হায়।
ছয় ক্লাসে পড়ার সময় যদিও, মনে পড়ে,
বালিকা একদা ওড়াতে যেয়ে ঘুড়ি দেখে ফেলে বাবাকে তার
সহবাসে রত কাজের বালিকাটির সাথে সিড়িঘরে-
তখন সন্ধ্যা প্রায়
তখন ছিল না কোন উত্তুরে বাতাস
তখন দিগন্ত ছুঁয়ে ধেয়ে গেছে একগাদা রংবাজ কালো মেঘ
তখন চিকন বালিকা মৃদু কাঁপা হাতে অঙ্কের খাতায় জীবনে প্রথম
লিখে দিল তার ডাইরি
উঠোনে কা কা করে কাক, আমি ভাবি কাকাতুয়া
বালিকাও বুঝি ভাবে তাই? বুঝি তার ঘুড়ি গোঁত খেয়ে
এফোঁড় ওফোঁড় করে অই আকাশ? বুঝি
লাটাই উজাড় করা সুতো ছেড়ে ভাবে সে ছুঁয়েছে আকাশ বড় কেরামতি ঢঙে!
এ পৃথিবী খিল খিল হাসি হাসে তাই দেখে, তারপর
বড় মমতায় বুকে সেঁটে রাখে বোকা বালিকার দেহ;
মহাশয়, আপনারা দয়া করে হালট করবেন না তার দেহখানি, তারচে'
লিখে দিন অপ্রিয় কথন, বলুন সে আকাশের কথা-
থোকা থোকা মেঘ ঘিরে ঢাকা আছে যা।
হতে দিন তাকে কুশলী যোদ্ধা এক নিজ অভিধানে
যার ঘুড়ি ভেদ করে শূণ্য চরাচর ফাঁস করে দেয় যেন
আকাশের সব জাড়িজুড়ি
যে দেখে, সে দেখুক আকাশ আজ বানানো কথার।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



