LHC’র main ring এর চারটি crossing point এই সফলভাবে collision ঘটানো সম্ভব হয়। Control center এ পর্যবেক্ষণরত ৮০ জন বৈজ্ঞানিক পরস্পরকে আনন্দের সাথে অভিন্দন জানান। এর সঞ্চারপথে অবস্থিত ছয়টি ভিন্ন পরীক্ষণ যন্ত্রে প্রাপ্ত তথ্যাদি আগামি কয়েক বৎসর পদার্থবিদগণ analyze করবেন। এর মাঝে ATLAS এবং CMS এর analysis খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করা যায় আগামী ২০১৩ সাল নাগাদ সেই বহুল কথিত Higgs Boson কণা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।
গত ১৯ মার্চ LHC’তে ৩.৪৮ TeV শক্তির বীম প্রদক্ষিণ সম্ভব হয়। এরপর নিয়মিতই ৩.৫ TeV শক্তির বীম সফলতার সাথে এবং নিরাপদে মূল টানেল দিয়ে প্রদক্ষিণ করানো হয়। অবশেষে গত ২৩ মার্চ collision test করার সিন্ধান্ত নেয়া হয়। তারিখ স্থির হয় ৩০ মার্চ। ঐদিন সকাল থেকেই পরীক্ষা শুরু হয়। Collision ঘটার জন্য বৈজ্ঞানিকেরা পরবর্তী কয়েক ঘন্টা এমনকি কয়েকদিন অপেক্ষার প্রস্তুতি নেন। কিন্তু দুপুরেই 7 TeV শক্তির collision ঘটে যায়। এর আগে ১৯৮৯ সালে LEP’তে (Large Electron Positron Collider) পরীক্ষা শুরুর তিন দিন পর collision রেকর্ড করা সম্ভব হয়েছিলো।
শেষবার গত ২০ নভেম্বর ২০০৯ এ LHC চালু করা হয়। যার বীমের শক্তি ছিলো ০.৪৬ TeV। ২৩ নভেম্বরই twin beam circulation সম্ভব হয় এবং ৩০ নভেম্বর ১.১৮ TeV শক্তি অর্জন সম্ভব হয়। ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ এ LHC বন্ধ করার আগেই ২.৩৬ TeV শক্তি অর্জন সম্ভব হয়। ইতোমধ্যেই এর প্রধান চারটি পরীক্ষণ যন্ত্র ATLAS, ALICE, CMS এবং LHCb’তে মিলিয়নেরও অধিকবার কণা-সংঘর্ষ রেকর্ড করা হয়। এর প্রাপ্ত উপাত্ত CERN এর গ্রীডে বহু বিজ্ঞানীর কাছে পৌছে দেয়া হয়। অবশেষে ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১০ এটা পুনরায় চালু করা হয়। ১৯ মার্চ ৩.৫ TeV অর্জনের পর কর্তৃপক্ষ এটাকে ১৮ থেকে ২৪ মাস পর্যন্ত চালু রাখতে চাচ্ছেন। মাঝে হয়তো সামান্য technical stop নেয়া হবে। এর মাঝে এর প্রাপ্ত তথ্যাদি পৃথিবী ব্যাপী পদার্থবিদদের কাছে পৌছে যাবে। বৈজ্ঞানিকেরা আশা করছেন ২০১২ সালের ভেতর dark matter এর ব্যাপারে তারা আলোকপাত করতে পারবেন। পদার্থবিদ্যার standard model এর অনেক কিছুই তখন আরো fine tune করা হবে।
আমরা আশায় রইলাম সেইদিনের যেদিন এটা তার পূর্ণ শক্তি অর্থাৎ 14 TeV collision energy'তে সংঘর্ষ ঘটাতে সক্ষম হবে। বর্তমান standard model এ gravitational force কে বাদ রাখা হয়েছে। পদার্থবিদ্যার যে domain এ gravitational force খুব শক্তিশালী হয়, তা নিয়ে এখনও তেমন কিছু জানা যায়নি। সেই domain এ গবেষণা করাও খুব শক্ত। কেননা তখন মৌলকণা সমূহের kinetic energy প্রায় Plank Value’তে পৌছাবে (প্রায় ১০১৯ GeV)। এ পরিমাণ শক্তি বর্তমান বিজ্ঞানের কাছেও প্রায় কাল্পনিক। এর জন্য হয়তো অপেক্ষা করা লাগবে আরো বহু বছর।
এর আগের পোস্টের লিংক
Click This Link
উদাসী স্বপ্নের পোস্টের লিংক:
একটুস খানি ফিজিক্স: নয়া বোতলে পুরান জিনিস: লার্জ হেড্রন কোলাইডারের একটা খবর!
লার্জ হেড্রন কোলাইডার নিয়ে কিছু জানতে চাই! আসুন ফিজিক্স নিয়ে নাড়াচাড়া করি-১!
অজানা আমির পোস্টের লিংক:
আবারো চালু হল লার্জ হেডরন কলাইডার
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



