আমি যদি শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধী হতাম
আমি যদি শীর্ষস্থানীয় যুদ্ধাপরাধী হতাম,
---- বলতে হতো- ‘দেশে কোনো যুদ্ধাপরাধী নাই’ ।
---- বিচার করার নামে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে পারতো।
---- বিএনপির ননীর পুতুল হতে পারতাম।
---- আমার বিচারের ইস্যু নিয়ে কোনো কোনো বামদলের নেতারা গুটি কয়েক মানুষের সামনে চেহারা দেখাতে পারতো।
---- জামায়েত ইসলামী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হতো।
---- জিন্নাহকে জাতির জনক বলতে দ্বিধাবোধ করতাম না। শেখ মুজিবকে কেউ জাতির জনক বললেই ইব্রাহিমকে টেনে এনে পেজগি লাগাতে হতো।
---- ধর্মব্যবসায়ী না হয়ে উপায় থাকতো না।
---- নিজের অপরাধ ঢাকার জন্যে বা আত্মরক্ষার জন্যে ‘ইসলাম, ইসলাম’ করে নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে হাজির করার চেষ্টা করতাম।
---- আমার পক্ষে কথা বলার কয়েকটি প্রিন্টিং/ইলেকট্রনিক মিডিয়া থাকতো।
---- অনেককিছু অর্জনের পর বন্ধুরা (নিজামী , সাঈদী , মুজাহিদ ) যেভাবে পেয়েছে আমিও ইংরেজি ও বাংলা উইকিপিডিয়ায় বায়োগ্রাফি প্রকাশের সুযোগ পেতাম।
---- আমার পক্ষে কয়েকটা দেশ কাজ করতো।
বিএনপিই এদেশের সবচেয়ে বেশি আদর্শরক্ষাকারী দল
এদেশের দেশপ্রেমিক মানুষের মনে যে দল সবচেয়ে বেশি দাগা দেয়, সেটা শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ। কারণ এ আওয়ামীলীগ মোটাদাগে প্রতিশ্রুতিবাজ।
এদেশের সবচেয়ে বেশি আদর্শরক্ষাকারী দল বিএনপি। কারণ এদল বরাবরই এদেশকে অন্ধ (মূর্খ) মানুষের দেশে পরিণত করার কাজের মধ্য দিয়ে আদর্শ ঠিক রেখে চলেছে।
এদেশের যে দল ইসলামের ক্ষমতাকে সবচেয়ে বেশি হেয় করেছে, সেটা জামায়াত ইসলাম। এ দল কুরআনকে রাজনীতিতে টেনে এনে বারবার মানব-সৃষ্ট আওয়ামীলীগ ও বিএনপির রাজনীতির কাছে পরাজিত করে ছেড়েছে।
এদেশের যে দল সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্ত পরিবর্তনকারী, সেটা জাতীয় পার্টি। সকালে এক কথা বললে বিকালে আরেক কথা। কোর্ট-কাছারীর ভয়ে এরশাদ একবার খালেদার আঁচল ধরছে, আরেকবার হাসিনার। আগামীবার খালেদার আঁচল ধরবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


