somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হারকিউলিসের ত্রয়োদশ অভিযান। ১৮+++

২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দেবরাজ জিউসের চরিত্র ধুতরা ফুলের মতনই ফবিত্র আছিল ! বাংলাদেশের কোন নির্বাচনেই তাহারে হারানো যাইতো না ! :D গ্রিকদের স্বর্গে উর্বশী, মেনকা , রম্ভাও আছিল না। আবার বহুবিবাহের চলও আছিল না বিধায় জিউস মর্তে আসিয়াই আকাম করিত ! দেভতা হওনের সুবিধা ছিল অনেক ! অমরত্বের সাথে সাথে নিজের আকার আকৃতিও বদলানো যাইতো ! ইহারই সুবিধা লইয়া জিউস থিবিসের অ্যাম্ফিত্রিয়নের স্ত্রী আল্কমিনির কাছে অ্যাম্ফিত্রিয়নের রূপ ধরিয়া জিং জিং খেলিলেন! :P (ওরে বাবা ! বানান না আর কিছু !) আর তাহাতেই হারকিউলিসের জন্ম !



জিউসের বউ হেরা তাহার জামাইয়ের লুচ্চামি সম্পর্কে সম্যক অবগত আছিল ! কাহাতক আর সহ্য করা যায় ! তখনও রাজা, প্যান্থার বা মায়া বড়ি দুনিয়াতে আসে নাই বিধায় হারকিউলিসের আগমন কেহ ঠেকাইতে পারে নাই ! :D অবশ্য হারকিউলিসের মতন বীররে এইসব পলিথিন আর হোমিও বড়ি দিয়া ঠেকানো যাইতনা বলিয়াই গবেষকরা প্রমান করিয়াছেন ! :P (কোথায় তাহা অবশ্য জানিনা !)

যাহা হউক , হারকিউলিস তো দুনিয়াতে আসিল। মাগার আল্কমিনি কেমনে জানি ডিএনএ টেস্ট ছাড়াই বুঝিয়া ফেলিলেন হারকিউলিসের পিতা তাহার জামাই নহে , দেবরাজ জিউস !! বেচারি এই আকাম সহ্য করিতে পারিলেন না ! হারকিউলিসরে জঙ্গলে ফেলিয়া গেলেন--- তোর বেটা তুই দেখ !! এদিকে বাংলা ছবির কাহিনীর মতন হেরা আর এথিনা জঙ্গলের পাশ দিয়া যাইতেই শিশুর কান্না শুনিল। হেরার মাতৃত্ব জাগিয়া উঠিলে হারকিউলিসরে কোলে তুলিয়া দুগ্ধ পান করাইলেন। হেরা জানিতেন না এই শিশু তাহার জামাইয়ের আকামের ফল ! হারকিউলিসের আখাউয়ার মতন দুগ্ধপান দেখিয়া হেরা বিরক্ত হইয়া তাহারই মা আল্কমিনির কাছে পাঠাইয়া দিলেন !!



হারকিউলিস তো এখন মায়ের কাছে মহা আরামে !! মাগার হেরা এখন জানিয়া গিয়াছে হারকিউলিস হইলো তাহার জামাইয়ের ছাওয়াল ! বাঙালি মাইয়ারাই শুধু সতীনের পোলারে হিংসা করে না, গ্রিক দেবীরাও করে ! হেরা তেলেপটলে জ্বলিয়া উঠিলেন। তাহার পোষা দুই সাপ পাঠাইলেন হারকিউলিসরে মারিতে ! শিশুকালেই হারকিউলিস সাপ দুইটারে মারিয়া বীরত্ব দেখাইলেন ! ইহাই শত্রুতার শুরু ! ইহার পরে হেরা তাহার সৎপুত্ররে মারিতে বহুবার চেষ্টা করিয়াছেন , কিন্তু সকলি বৃথা !


রাজা যত শক্তিশালী হয় তাহার হবি/খেয়াল তত উদ্ভট হইয়া থাকে ! চাচাত ভাই রাজা ইউরেস্থিউসের উদ্ভট খেয়াল মিটাইবার জন্যই হারকিউলিসের ১২ বার অভিযানে বাহির হইতে হয় ! সবগুলিতেই হারকিউলিস A+ পাইয়া কৃতিত্বের অনন্য স্বাক্ষর রাখিয়া গোল্ডেন A পাইয়া গিনেস বুক অফ রেকর্ডে স্থান লইয়াছে ! ইহাতেও হেরার মন গলিল না ! হারকিউলিস অবশ্য গোল্ডেন A পাইয়া নাচিতে নাচিতে অলিম্পাসে উঠিয়া স্বর্গে চলিয়া গেলেন ! মাগার এই স্বর্গ মুসলমানের বেহেস্তের মতন নহে ! ইহাতেও হিংসা-বিদ্বেষ , কুটনামি , ল্যাং মারা , বাটে ফেলিয়া ঝাড়ু পেটানো ইত্যাদি নানাবিধ সাংসারিক অত্যাচার আছে বিধায় হারকিউলিস শান্তি পাইতেছিলেন না ! (সম্ভবত উহারাও ইন্ডিয়ান সিরিয়াল দেখিয়া থাকে !) দেবরাজ জিউসের বউ বিধায় হারকিউলিস হেরারে কিছু কহিতে পারিতেছিলেন না , পাছে আবার নারী নির্যাতনের মামলা খাইতে হয় ! লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে শিক্ষা গ্রহণ করিলেও সহশিক্ষা ছিল না বিধায় হারকিউলিসের নারী জাতি সম্পর্কে জ্ঞানে ঘাটতি আছিল ! তাই হেরার প্যাচে জেরবার হইতে হইতেছিল ! তাছাড়া আমাজনের নারী যোদ্ধাদের হাতে ঝাড়ু পেটা খাইয়াও তিক্ত অভিজ্ঞতা হইয়াছিল !



তাই শান্তিতে থাকিতে হেরার সাথে কোন প্রকার চুক্তিতে আসা যায় কিনা হারকিউলিস উহা ভাবিতে বসিলেন !! শেষমেশ দোকান হইতে সুরেশের আধা কেজি সরিষার তৈল লইয়া হেরারে মর্দন করিতে চলিলেন ! ব্যাফক তৈল মর্দনের পরে হেরার কোষ্ঠকাঠিন্য নরম হইলো। মাগার এতো নরম নহে যে উদরাময় বলা যাইবে ! অবশেষে হেরা কহিলেন,
এক শর্তে চুক্তি করিতে রাজি !
বলুন তবে আজি !

হারকিউলিস আশায় কোমর বাঁধিলেন !

----------"সামু ব্লগে যাইয়া পাঁঠাদের বিচি ধ্বংস ধ্বংস করিতে হইবে !!"



হা হা হা ! হারকিউলিস অট্টহাসি হাসিলেন ! হাইড্রার মাথা কাটিয়া আনিলাম , এ আর এমন কি ! ছোহ !! হাইড্রার ৯ মাথা আছিল, যাহার একটা আছিল অমর ! একটা মাথা কাটিলে কাটা জায়গা হইতে দুইটা মাথা গজাইতো। তাই হাইড্রার মৃত্যু হইতো না ! হারকিউলিস হাইড্রার একেকটা মাথা কাটিতেন আর লোলাউস আগুন দিয়া কাটা মাথার জায়গায় পোড়াইয়া দিতেন। ইহাতে হাইড্রার মাথা আর গজাইতে পারিত না ! তাহাতে হারকিউলিস হাইড্রার অমর মাথা সহজেই চিহ্নিত করিতে পারিয়াছিলেন ! উহা কাটিতেই হাইড্রার মৃত্যু হয় !

লোলাউসরে সাথে লইলে সুবিধা হইবে ভাবিয়া হারকিউলিস বলিলেন, ভাতিজা লোলাউস আমার সাথে গেলে অসুবিধা নাইতো?

নাহ , দরকার হইলে আরো লোক লইতে পারো, হেরা কহিলেন !

লোলাউসই যথেষ্ট !!!

তথাস্তু!!

লোলাউসের রথে চড়িয়া হারকিউলিস তাহার তেরতম অভিযান শুরু করিলেন !

নাচিতে নাচিতে ব্লগে আসিয়াই হারকিউলিসের মনে কেমন সন্দেহ জাগিল ! ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যানের মতন ব্লগে সারি সারি বিচি ঝুলিতেছে। ঠিক যেন পাকা নাশপাতি ! :D



অগ্র-পশ্চাৎ না ভাবিয়া হারকিউলিস ঘ্যাচাং করিয়া তলোয়ার চালাইলেন ! পরমুহূর্তেই অবিশ্বাসে তাহার চোখ ছানাবড়া হইয়া গেল ! ঠিক হাইড্রার মাথার মতনই দুই বিচির জায়গায় চার বিচি গজাইল ! হেরা জানিয়া শুনিয়াই তাহারে ব্লগে পাঠাইয়াছে ! রাগিয়া হারকিউলিস দুই হাতে তলোয়ার চালাইলেন ! কোন লাভ হইলো না , বিচির পাহাড় জমিয়া গেল , মাগার বিচি জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাইয়া ঝাড়ে-বংশে রাবনের গুষ্টি হইয়া গেল !!

হায়, হায় !! এখন কি উফায় ?

উফায় আছে , লোলাউস বলিলেন !
আবার আগুন ধরাইতে হইবে ! আপনি বিচি কাটিবেন আর আমি কাটা জায়গা আগুনে পোড়াইয়া দিবো যেন নতুন বিচি গজাইতে না পারে ! B-) ( হি হি হি ! )

ইউরেকা !! লোলাউস , তুমি এক পিস্ মাল !!! ;)

প্ল্যান মোতাবেক হারকিউলিস বিচি কাটেন আর লোলাউস কাটা জায়গায় আগুন ধরাইয়া দেয়। প্রথম প্রথম এই পদ্ধতি বেশ কাজ করিল।নতুন করিয়া গজাইতে না পারিয়া বিচির সংখ্যা বেশ কমিয়া গেল !! যেইনা হারকিউলিস খুশি হইয়া বগল বাজাইতে যাইবেন ঠিক সেই মুহূর্তেই দেখিলেন আগুনে আর কাজ হইতেছে না !

ঘটনা কি ?

দেখিলেন , ব্লগের ওস্তাদ মডুরা শেষ রাইতের মাইর শুরু করিয়াছেন ! তাহারা ঘড়া ঘড়া পানি ঢালিয়া লোলাউসের আগুন নিভাইয়া ফেলিতেছে ! আর ইহাতেই বিচি গজানো আর থামিতেছে না :(( !!!! দেখিতে দেখিতে চতুর্দিকে বিচিময় হইয়া গেল ! কাটিতে কাটিতে হারকিউলিসও হয়রান হইয়া গেলেন !! বিচির পাহাড়ে চাপা পড়িতে পড়িতে ভাবিলেন , আর নহে , এইবার ভাগিতে হয় ! এই পাহাড়ে আটকা পড়িলে জাটকা মাছের মতন দুর্ভাগ্যের স্বীকার হইতে হইবে ! তাছাড়া, এই খবর যদি ছাম্বাদিক আর ঐতিহাসিকেরা জানিতে পারে তাহা হইলে মান-ইজ্জত তো যাইবেই, মান-ইজ্জত গেইলে দেবত্ব, অমরত্বও হাতছাড়া হইয়া যাইবে ! তাই বিচির পাহাড় ভাঙিয়া পড়িতে উপক্রম হইতেই আর দেরি করিলেন না ! এক্কেবারে উসাইন বোল্টের গতিতে পলায়ন করিলেন !!

পেছন হইতে লালাউস কাঁদিয়া পড়িলেন , চাচা, আপন প্রাণ বাচাইবেন ঠিক আছে , তাই বলিয়া কি ভাতিজারে ফেলিয়া যাইবেন ?

ওরে বাতিজা, তুইও ভাগিজা !! য পলায়তী স জীবতি ! বলিয়াই হারকিউলিস আর দেরি করিলেন না ! এক দৌড়ে অলিম্পাস পার হইয়া স্বর্গে গিয়া থামিলেন !

ত্রয়োদশ অভিযান ব্যর্থ হওয়ায় কেলেঙ্কারি হইয়া গেল ! এই ছিল হেরা তোর মনে--- হারকিউলিস হাহাকার করিয়া উঠিলেন ! ১২ টিতে গোল্ডেন A আর একটিতে F ! সিজিপিএ তো কমিয়া রেকর্ডের খাতা হইতে নাম কাটা যাইবে ! ইতিহাসের পাতাতেও এই ব্যর্থতা লিখা হইবে ! কি করা যায় ! ভাবিয়া কুল-কিনারা না পাইয়া শেষমেশ বাপের হোটেলেই যাওয়ার সিদ্ধান্ত লইলেন ! জিউসরে সব খুলিয়া বলিতেই জিউস বিরাট দীর্ঘশ্বাস ছাড়িয়া বলিলেন, আমি দেবরাজ হইয়াও নারীর মোহ এড়াইতে পারিলাম না , মাঝে মাঝেই নাকে দড়ি লাগাইয়া ঘুরিতে হয় :( , আর বেটা তুইতো হেরারই দুগ্ধপোষ্য শিশু ! ইহাতে হারকিউলিস মিনমিন করিয়া আপত্তি জানাইতে চাহিলেও কার্যউদ্ধারে মানিয়া লইলেন !

আচ্ছা, ছাম্বাদিক আর ঐতিহাসিকদের মেমোরি রিবুট করিয়া দিমুনে, জিউস আশ্বাস দিলেন ! উহারা তেরোতম অভিযানের কথা আর বলিবে না !

তবে বেটা , তোমার যেহেতু নারী সম্পর্কে জ্ঞানের ঘাটতি আছে তাই তোমারে রবি ঠাকুর আর হুমায়ুন আজাদের অধীনে "নারী" লইয়া পিএইসডি করিতে হইবে ! সাবধান, পিএইসডি চলাকালীন তসলিমার ধারে -কাছেও যাইও না ! পিএইসডি শেষে পোস্টডক তাহার অধীনে করিবে , এর আগে নহে ! :((

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হারকিউলিস রবি ঠাকুরের হুঁকা সাজাইতেছিলো !! :-P

(কৃতজ্ঞতা : রোর মিডিয়া। ছবি : অন্তর্জাল।)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪৬
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ২২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:২২



রবীন্দ্রনাথের গান গুলো আমাকে শান্তি দেয়, আনন্দ দেয়। দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখে। বারবার মুগ্ধ হই। গানের কথা আর সুর অসাধারন। আজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই এই গানটা শুনলাম-
... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অর্থাৎ দেশে ফিরছি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৫ শে জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩৮



ফ্লাইটের আগে বুকে এক ধরনের শুণ্যতা অনুভব করি, খাবার খাওয়া তো দুরে থাকুক পানিও খেতে পারি না, মনে হয় এটিই আমার জীবনের প্রথম ফ্লাইট! এই হয়তো ফ্লাইট মিস হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম সাধারণ মানুষকে নির্দয় ও বিভক্ত করছে ক্রমেই

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৫



গত সপ্তাহে, ভারতের ঝাড়খন্ডে এক মুসলিম তরুণকে পিটিয়ে ভয়ংকরভাবে আহত করেছিল কিছু সাধারণ মানুষ; আহত হওয়ার ৪ দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে; তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে মটর সাইকেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মনের মানুষ পাইলাম না-রে (গান)

লিখেছেন নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন, ২৬ শে জুন, ২০১৯ রাত ২:৫৫



আমার-
মনের মানুষ-পাইলাম না-রে ঘুরেও আজীবন।।
কতো ঘাটে বাঁধলাম তরী।।
জুটলো না তবু- একটি মন।
মনের মানুষ-পাইলাম না-রে ঘুরেও আজীবন।।

যৌবনের শুরুতেই আমি-করছিলাম যে ভুল,
সারাজীবন চোখের জলে-দিলাম সে মাশুল।।
ভুল মানুষের মিথ্যে প্রেমে।।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের কাশ্মীর ভ্রমণ- ৭; ক্ষণিকের দেখা, তবু মনে গাঁথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৬ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

সেদিন সোনামার্গে সারাটা দুপুর চমৎকার কাটলো। পুনরায় ঘোড়ায় চড়ে ফিরে আসার সময় সহিসদের সাথে গল্প করতে করতে ফিরেছি, তাই সময়টা দ্রুত ফুরিয়ে গেছে। ওদের কষ্টের কথা জেনে ব্যথিত হয়েছি। ঘোড়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×