somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুই পিচ্ মাল, দুইখানা দাবি : দুইখানা ইয়ের কণ্ঠের ছঙবাদ !!! ধর্ষণের মহামারীর কারণ উদঘাটন এবং কফি আবিষ্কারের কাহিনী !!!

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কি তামসা ?

আসেন , আসেন ! বইস্যা যান !! বইস্যা যান !!

মাগার কেউ কিন্তুক না ঢালিয়া যাইবেন না !
-----------কি ঢালিবেন !!
না , যাহা ভাবিতেছেন................................সেই চা নহে, মন্তব্যওওওওওও !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আইচ্ছা ! আগে কৌতুক পড়েন, পরে ছঙবাদ পড়েন !

কৌতুক : ভায়াগ্রা বহনকারী একটি উড়োজাহাজ একবার দুর্ঘটনা কবলিত হইয়া এক বনে ক্রাশ খাইয়া হজম করিতে পারিল না । অতঃপর সেই ভায়াগ্রা সেবন করিয়া সকল পুরুষ প্রানীর জিং জিং খেলার বাসনা তুঙ্গে উঠিয়া যায়। তাহারা সারাদিন তাহাদের নারী সঙ্গিনীদের সাথে জিং জিং খেলায় মত্ত হইয়া যায় বিধায় জঙ্গলের কাজকর্ম অচল হইয়া পরে !
এক পর্যায়ে সঙ্গিনীরা বিরক্ত হইয়া বনের রাজা সিংহের কাছে বিচার দিয়া দেয় । সিংহ আবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের মতন একতরফা পুরুষের পক্ষাবলম্বন করিতে পারিল না ! (সম্ভবত নারীবাদী সিংহীর ভয়ে !!) সিংহ আবার হেগের বিচারকদের মতন নিধিরাম সর্দারও নহে !

সিংহ মশাই গবেষনা করিয়া দেখিলেন, ভায়াগ্রার প্রভাব কমিতে আরো এক বছর লাগিবে। তাই তিনি সকল প্রানীকে তাহাদের জিং জিং স্টিক কাটিয়া জমা দিতে বলিলেন ! বিনিময়ে একটা করিয়া টোকেন দিলেন। কথা দিলেন এক বছর পর টোকেন মিলাইয়া সবার ইয়ে সবাইকে ফেরত দিবেন !

অন্য সব প্রানীর মত বান্দরও মন খারাপ করিয়া তাহার স্টিক জমা দিয়া আসিয়াছিল !

বাসায় আসিয়া বান্দর দেখিল তাহার স্ত্রী খুশিতে বাগবাকুম। বান্দরনী হাসিতে হাসিতে বলিল ,

– এখন কি করবা? আগেই কৈছিলাম সারাক্ষন …

– বেশী হাইসো না। এক বছর পর টের পাইবা।

– কেন!! এক বছর পর কি হইবেক !!!

– জমা তো দিছি নিজেরটা, টোকেন আনছি ঘোড়ারটা!!


ছঙবাদ নম্বর ১ : ভায়াগ্রা মিশ্রিত পানি খেয়ে ভেড়ার পালের কাণ্ড...!!! ৮০ হাজার ভেড়াকে থামানো যাচ্ছে না। চুটিয়ে চলছে সঙ্গম। যেখানে সেখানে, যখন তখন। তাদের নিরস্ত করা নিছক অসাধ্য হয়ে উঠেছে। তাও একদিন-আধদিন নয়, টানা ১ সপ্তাহ ধরে সঙ্গমে লিপ্ত ভেড়ারা।

এমন কাণ্ডের কারণও রয়েছে। জলে গোলা ভায়াগ্রার প্রভাব। যদিও বুঝে শুনে সঙ্গমের ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে ভেড়ার পাল যে ওই ওষুধ খায়নি তা অনুমেয়। তাহলে এতগুলো ভেড়া ওষুধ পেল কোথা থেকে? সে কাহিনিও রীতিমত চমকপ্রদ।

আয়ারল্যান্ডের রিঙ্গাস্কিডি বন্দরের কাছে ভিড়েছিল একটি জাহাজ। সেই জাহাজে ফাইজার নামে বিখ্যাত ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ভায়াগ্রার বিশাল মজুত তুলছিল। দুর্ঘটনাবশত ৭৫৫ টন অশোধিত ওষুধ জলে পড়ে যায়। মিশে যায় বন্দরের জলে। সেই জল ভেড়ার পাল পান করে। জলে গোলা ওষুধ চলে যায় তাদের শরীরে। আর যায় কোথায়! তারপর থেকে মিলন কার্যত তাদের বাতিকে পরিণত হয়েছে।

ভেড়াদের শান্ত করার কম চেষ্টা করেননি মেষপালকরা। কিন্তু অনেক লড়াই করেও কিছু করতে না পেরে আপাতত তাঁরা হাল ছেড়ে দিয়েছেন। একরকম যা পারে করুক মানসিকতা নিয়ে থম মেরে গেছেন তাঁরা!

মেষপালকরা বলছেন তাঁদের ভেড়ারা কেমন যেন সেক্সম্যানিয়াক হয়ে উঠেছে! এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। এখনও ভেড়াদের সঙ্গম ইচ্ছা প্রশমিত হচ্ছেনা।

তবে বিশেষজ্ঞদের ধারণা ওষুধের প্রভাব কাটতে আরও ১ সপ্তাহ নেবে। তারপরই ভেড়ারা স্বাভাবিক আচরণ শুরু করবে। কিন্তু তার আগে! এখন এক সপ্তাহ এসব দেখতে হবে ভেবেই মাথায় হাত পড়েছে মেষপালকদের।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

উপসং হাররররররররর :

১. রাখালগুলার বুদ্ধি বুদ্ধুজীবীদের মতন নহে ! নচেৎ ভেড়াদের ইয়ে খুলিয়া জমা রাখিলেই কাম হইয়া যাইত !

২. ধর্ষণের দেশে যেইরাম ধর্ষণ চলিতেছে তাহাতে ছন্দেহ হইতাছে শত্রূতা করিয়া কেহ আবার যমুনায়, গঙ্গায় ভায়াগ্রা ঢালিয়াছে কিনা !! (পাশ্চাত্যে বুঝি একারণেই এতো ধর্ষণ হইয়া থাকে !) অবিলম্বে তদন্ত করা হউক ! আমাদের পদ্মা, যমুনা , তিস্তার পানি অতিদ্রুত পরীক্ষা করিয়া ছরকারের প্রতি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাইতেছি !



ছঙবাদ নম্বর ২ :

ছাগলের দেখাদেখি কফি খেতে শেখে মানুষ!

বিশ্বে সর্বপ্রথম কে কফির স্বাদ নিয়েছিলো? ধারণা করা হয়, কফির স্বাদ সবার আগে পেয়েছিলো কয়েকটি ছাগল!

কফির জন্মস্থান আফ্রিকা মহাদেশের ইথিওপিয়া। বলা হয়, ৯ম শতকে কালদি নামে ইথিওপিয়ার এক বাসিন্দা একদিন লক্ষ্য করেন, তার ছাগলগুলো কেমন অদ্ভুত আচরণ করছে। তিনি বেশ বিচক্ষণ লোক ছিলেন। লক্ষ্য করে দেখলেন, প্রতিবার সেই ছাগলগুলো একটি বিশেষ গাছের লাল লাল চেরি জাতীয় ফল খাওয়ার পরই এমন আচরণ করছে। এরপর তিনি নিজেও ফলগুলোর একটি খেলেন এবং ধারণা করা হয় তিনিই প্রথম মানুষ যিনি ক্যাফেইন নামক বস্তু মানুষের শরীরে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা অনুভব করেন।

ফলটি খেয়ে তিনি নিজেকে তাজা ও উদ্যমী অনুভব করেন এবং কয়েকটি ফল তার গ্রামের ধর্মীয় নেতাদের কাছে এনে দেন। কিন্তু তারা সেগুলো আগুনে ফেলে দিলেন। এর ফল কিন্তু আরও উল্টো হলো। আগুনে পুড়ে এর সুগন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লো। এরপর স্থানীয়রা পানিতে মিশিয়ে তৈরি করে ফেললো পৃথিবীর প্রথম কফির তৈরি পানীয়।

এটি একটি লোককথা, তবু ইথিওপিয়া এখনও কফির জন্য বিখ্যাত। তবে কফির যে জনপ্রিয়তা তারজন্য সবচেয়ে বেশি অবদান আরবদের বিশেষ করে মুসলিমদের। ১৩০০ সালের দিকে আরবরা তৈরি করেন রোস্টেড কফি। আর পৃথিবীর প্রথম কফির দোকান তুরস্ক, মিশর, সিরিয়া, পার্সিয়াতে দেখা যায়। ইউরোপে ১৭০০ সালের আগে কফির দেখাই পাওয়া যায়নি!

আরবরা বিশ্বে কফির পরিচয় ঘটিয়েছে আর ইথিওপিয়াতে কফির সূত্রপাত হয়েছে। এখনও ইথিওপিয়ার ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ কফির চাষ করেন !

মাজেজা : আমি এই ছঙবাদের তেব্র পোরতিবাদ জানাই !! তাহাদের এই ম্যাও-প্যাও কাহিনীর সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করিতেছি ! ছাগু সম্প্রদায় কখনোই এতো প্রগতিশিল ছেলো না !! তাহারা কপি খাইতে পারে, কফি খাওয়ার মতন মগজ ইহাদের থাকিতেই পারে না ! তাহাদের লিলিপুটিয়ান মগজ কফি চেনার মতন নহে ! ইহা একমাত্র পাঁঠাদের পক্ষেই সম্ভব ! অবিলম্বে এই কৃতিত্ব পাঁঠাদের দেওয়া হউক !!!


সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন কাওসার চৌধুরী ও তার গল্পগুচ্ছ 'পুতুলনাচ' (বই রিভিউ)

লিখেছেন আকতার আর হোসাইন, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:১৫



লেখকের প্রথম বই--- বায়স্কোপ: যে বইয়ে কাওসার চৌধুরী এঁকেছেন জীবনের বায়স্কোপ

আর সবার মতন একজন লেখকেরও রয়েছে স্বাধীনতা। যার যে বিষয়ে ইচ্ছে সে সেই বিষয়েই লিখবে। জোড় করে কোন লেখকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

যীশুর রহস্যময় বাল্যকালঃ মিশর অবস্থান কাল বার বছর পর্যন্ত

লিখেছেন শের শায়রী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৩০



যীশুর জীবনের অন্যতম রহস্যময় ঘটনা হিসাবে যা আমার কাছে মনে হয় তা হল যীশুর বাল্যকাল। ইতিহাস প্রসিদ্ধ ধর্মপ্রচারকদের মাঝে যীশুর জীবনির একটা অংশ নিয়ে আজো কোন কুল কিনারা পাওয়া যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাড়ী ভাড়া বিষয়ক সাহায্য পোস্ট - সাময়িক, হেল্প/অ্যাডভাইজ নিয়েই ফুটে যাবো মতান্তরে ডিলিটাবো

লিখেছেন বিষন্ন পথিক, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৭

ফেসবুক নাই, তাই এখানে পোস্টাইতে হৈল, দয়া করে দাত শক্ত করে 'এটা ফেসবুক না' বৈলেন্না, খুব জরুরী সহায়তা প্রয়োজন।

মোদ্দা কথা...
আমার মায়ের নামে ঢাকায় একটা ফ্লাট আছে (রিং রোডের দিকে), ১৬০০... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৪৫


জীবনানন্দ দাস লিখেছেন- সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন সন্ধ্যা আসে...। বনলতা সেন কবিতার অসাধারণ এই লাইনসহ শেষ প্যারাটা খুবই রোমান্টিক। বাংলা শিল্প-সাহিত্যের রোমান্টিসিজমে সন্ধ্যার আলাদা একটা যায়গাই রয়ে গেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৪৪



"বাবার ঘরেও খেতে পাইনি, স্বামীর ঘরেও কিছু নেই!", এই কথাটি আমাকে বলেছিলেন আমাদের গ্রামের একজন নতুন বধু; ইহা আমার মনে অনেক কষ্ট দিয়েছিলো।

আমি তখন অষ্টম শ্রেণীত, গ্রাম্য এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×