somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লাভ অবসেশনঃযে প্রেম জীবন তছনছ করে দিতে পারে

১৬ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রেমে পড়ে জীবন নষ্ট হওয়া,আত্মহত্যা করা,ব্যর্থ প্রেমের প্রতিহিংসায় ধর্ষণ,এসিড নিক্ষেপ,সংসার ভেঙ্গে যাওয়া বা খুন হওয়ার মত ঘটনা এখন আর আমাদের সমাজে বিরল নয়।যে প্রেম তার ভালোবাসার মানুষটিকে আদরে-সোহাগে ভাল রাখার প্রতিশ্রুতি দেয় সেই প্রেম কেন ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠে?পৃথিবী বিখ্যাত অনেক বেদনাবিধূর প্রেমের ঘটনা ও প্রেমঘটিত প্রায় সব লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের পিছনে রয়েছে এক জীবন বিনাশী মানসিক রোগ যার নাম “লাভ অবসেশন”।প্রেমের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এটা এমন একটা মানসিক রোগ যা জীবন তছনছ করে দিতে পারে।আসুন এ রোগটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেষ্টা করি।

লাভ অবসেশন কী?:-যখন কোন ব্যক্তি বিপরীত লিঙ্গের কারো প্রতি এত তীব্র আকর্ষণ বোধ করে যে সারাক্ষণ শুধু তাকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে এবং তার উপেক্ষা,অবহেলা বা ত্যাগ করে চলে যাওয়ার প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়াশীলতা হয় যদিও সে উপলদ্ধি করতে পারে যে ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু সে বিষয়ের উপর তার কোন নিয়ন্ত্রণ থাকেনা,তখন তাকে লাভ অবসেশন বা প্রেম রোগ বলে।যদিও এটাকে প্রেম রোগ বলা হচ্ছে কিন্তু আসলে এখানে প্রেমের কোন অস্তিত্ব থাকে না;এটা মূলতঃ একটা আকর্ষণজনিত সমস্যা।




কাদের এ রোগ বেশি হতে পারে?:-

১।পরিবার,সমাজ ও কর্মক্ষেত্রে যেসব আবেগপ্রবণ মানুষ অতিরিক্ত বঞ্চনা ও মানসিক চাপের শিকার হয় তারা।

২।জন্মের প্রথম ৫ বছরের মধ্যে যেসব শিশু মা-বাবা ও পরিবারের স্নেহ-ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হয় তারা।

৩।অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত বাবা-মায়ের সন্তানেরা।

৪।বয়ঃসন্ধিকাল থেকে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত অর্থাৎ টিন এজারদের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।


লাভ অবসেশন চক্রঃ-এটা হলো John D.Moore এর হাইপোথিসিস যা তিনি তার বিখ্যাত বই “Confusing Love with Obsession” এ বর্ণনা করেছেন।ডঃ মূরের মতে লাভ অবসেশনের পর্যায়ক্রমিক ৪টি ধাপ রয়েছে।এগুলো হলোঃ-

১।আকর্ষণ পর্যায়

২।অস্থিরতা পর্যায়

৩।অবসেসিভ পর্যায়

৪।ধ্বংসাত্মক পর্যায়




১।আকর্ষণ পর্যায়ঃ-এ ধাপের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

*সাক্ষাতের কয়েক মিনিটের মধ্যেই কারো প্রতি রোমান্টিক আকর্ষণ অনুভব করা।

*সময় নিয়ে ভাবনা-চিন্তা না করে তাড়াহুড়ো করে প্রেমে জড়ানোর উন্মাদনা।

*পছন্দের মানুষটি তার ব্যক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক ও ধর্মীয় বিবেচনায় উপযুক্ত কিনা তা বিবেচনা না করা।

*বিয়ের ক্ষেত্রে যেসব জিনিস বিবেচনায় আনা হয় যেমন শিক্ষা,সামাজিক মর্যাদা,অর্থ-বিত্ত,ধর্মিকতা,মন-মানসিকতা,পারিবারিক পরিমন্ডল ইত্যাদি বিবেচনা না করেই শুধু আচরণ/অভিব্যক্তির কোন বৈশিষ্ট্য দেখেই প্রেমে পড়া(যেমন-“ছেলেটার হাসিটা যা সুইট”,“মেয়েটার চোখদুটো কী মায়াভরা!”,“ওর কথা বলার স্টাইল আমাকে পাগল করে দেয়”....এগুলোই হলো প্রেমে পড়ার ক্ষেত্রে প্রধান বিবেচ্য)।

*তাকে আকৃষ্ট করার জন্য অতিরিক্ত গিফট দেওয়া,ব্যক্তিগত বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া,তার পছন্দমত সাজগোজ করা,এক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকা...ইত্যাদি।


২।অস্থিরতা পর্যায়ঃ-এ পর্যায়ে প্রেম পাগল ব্যক্তি তার পছন্দের মানুষের সাথে প্রেমের পর্যায়ে ঢুকে পড়ে এবং তার কাছ থেকে এবিষয়ে নিশ্চয়তা আদায়ের চেষ্টা করে।অনেক সময় প্রেম পাগল মানুষটি তার সঙ্গীর সামান্য আস্কারা,দুষ্টুমি বা কিছুটা ঘনিষ্টতাকেই সম্মতির লক্ষণ হিসাবে ধরে নেয়।এ পর্যায়ের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

*বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে ভালবাসার মানুষটির মেলামেশা সহ্য করতে পারেনা।

*সারাদিন সে কী করে ,কার সাথে কথা বলে,কোথায় যায় সে ব্যাপারে খোঁজখবর ও খবরদারি আরম্ভ করে।

*সবসময় চোখে চোখে রাখতে চেষ্টা করে।সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করে।

*প্রিয় মানুষটিকে হারানোর ভয় সবসময় তাকে তাড়া করে ও অস্থির করে রাখে।

*ভুল বোঝাবুঝি,অতিরিক্ত খবরদারি,সন্দেহ করা,বিষন্নতা ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রাথমিক পর্যায়টা এ ধাপ থেকেই শুরু হয়।

*ভালবাসার মানুষটিকে সবার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাখতে মরিয়া হয়ে উঠে।

*তার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনও শুরু করতে পারে(যেমন চড় মারা,গালিগালাজ করা,নোংরা কথা বলা,খোঁচা দিয়ে কথা বলা....)।

*নিজের উপরও সে নির্যাতন শুরু করে,যেমন-ব্লেড দিয়ে কেটে ভালবাসার মানুষটির নাম নিজ হাতে লেখা।

*লেখাপড়ায় রেজাল্ট খারাপ করতে শুরু করে।কর্মক্ষেত্রে অমনোযোগী হয়।


৩।অবসেসিভ পর্যায়ঃ-এটা খুবই মারাত্মক ধাপ।এ ধাপের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

*এক মুহর্তের জন্যও সে তার ভালবাসার মানুষটির কথা ভুলে থাকতে পারে না।তার সমস্ত চিন্তা-ভাবনা শুধু তাকে নিয়েই ঘুরপাক খেতে থাকে।

*এ পর্যায়ে সে বুঝতে পারে যে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থ চেষ্টাও করে।

*পরিবার-পরিজন,বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের আদেশ-নিষেধ বা পরামর্শ কোন কিছুই তাকে এ পথ থেকে ফেরাতে পারে না।

*পড়াশোনা বা চাকুরী-ব্যবসা লাটে উঠে।

*ভালবাসার মানুষটি তাকে পাত্তা দিচ্ছেনা,অন্য কারো সাথে প্রেম করছে কিংবা তার সাথে প্রতারণা করেছে এরুপ ভাবনা থেকে ভালবাসার পরিবর্তে তার প্রতি ঘৃণা জন্মাতে শুরু করে।

*গোয়েন্দাগিরির মাত্রাও তীব্র আকার ধারণ করে।

*এক পর্যায়ে সে এই তীব্র মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সম্পর্ক ভাঙ্গার চেষ্টা করে কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগ তাকে মুক্ত হতে দেয় না।

*যতই সে তাকে ভুলে থাকার চেষ্টা করে ততবেশি করে তার কথা মনে পড়ে যায়।


৪।ধ্বংসাত্মক পর্যায়ঃ-এসময় আক্রান্ত ব্যক্তি ধ্বংসাত্মক ও অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ে।এ পর্যায়ের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-

*এ পর্যায়েই অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালোবাসার মানুষটি মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে এবং নিজ জীবন ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে এই দূর্বিসহ সম্পর্ক ভেঙ্গে বের হয়ে যায়।

*আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাত্রার বিষন্নতায় ভুগতে শুরু করে।

*আত্মমর্যাদা কমে যায়।সম্পর্কের পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে।ভালোবাসার মানুষটিকে অনুরোধ করা,হাতে-পায়ে ধরা,“আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না” এ জাতীয় কথা বলা।“আমি তোমাকে আর কোনদিন কষ্ট দেবনা”,“আমি আর আগের মত নেই,অনেক পাল্টে গেছি”,“তুমি যেমন চাও আমি সেভাবেই চলব” ইত্যাদি কথা বলে তাকে সম্পর্কে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা।

*নিজেকে তুচ্ছ মনে করা,বার বার ভাগ্য বা নিজেকে দায়ী করা।

*ঘৃণা ও প্রতিশোধপরায়ণতা তীব্র আকার ধারণ করে।“আমি তোমাকে না পেলে অন্য কারোর হতেও দেবনা”-এ প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

*ভালোবাসার মানুষটিকে অপহরন,এসিড নিক্ষেপ বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া,তার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো,বিয়ে ভেঙ্গে দেওয়া,তার চরিত্র নিয়ে খারাপ কথা রটানো,অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কথা,চিঠি বা ছবি প্রকাশ করা বা তা দিয়ে ব্ল্যাকমেলিংয়ের চেষ্টা করা ইত্যাদি।

*ঘুমের ঔষধ খাওয়া,নেশা করা,অপরাধমূলক কাজ করতে গিয়ে জেলে যাওয়ার মত ঘটনাও ঘটতে পারে।

*এ পর্যায়ের সবচেয়ে খারাপ বৈশিষ্ট্যটি হলো “মারো,না হয় মরো” টাইপের চিন্তা।ভালোবাসাজনিত খুন বা আত্মহত্যা বা এগুলোর চেষ্টা করা এ পর্যায়েই ঘটে থাকে।


বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ-প্রেমে পড়লে আমাদের ব্রেনের কতকগুলো জৈব রসায়নের(নিউরোট্রান্সমিটার) মাত্রার পরিবর্তন ঘটে:-পিইএ,ডোপামিন ও নরএপিনেফ্রিনের মাত্রা বেড়ে যায় আর সেরোটোনিনের মাত্রা কমে যায়।ব্রেনের অর্বিটাল কর্টেক্স ও কডেট নিওক্লিয়াই এ সেরোটোনিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়াই এ ধরণের অবসেশনের প্রধান কারণ বলে গবেষণায় দেখা গেছে।সকল প্রেমেই সেরোটনিনের মাত্রা কমলেও লাভ অবসেশন বা প্রেমরোগ কেবলমাত্র কিছু ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের মাঝেই দেখা যায়।বাস্তবিকই যেসব ঔষধ ব্রেনে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে পারে তারাই কেবল এ রোগের চিকিৎসায় কার্যকরী হতে দেখা গেছে।


চিকিৎসাঃ-যেসব ঔষধ ব্রেনে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়াতে পারে তারা এ রোগের চিকিৎসায় বেশ কার্যকরী।এ ঔষধগুলোকে একসাথে এস.এস.আর.আই(SSRI-selective serotonin reuptake inhibitor) বলে।এই গ্রুপের মধ্যে আছে-fluoxetine, fluvoxamine & sertraline।এর মধ্যে সারট্রালিন(sertraline) আমাদের দেশে বিষন্নতাবিরোধী ও অবসেশননাশক ঔষধ হিসাবে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।যেসব রোগী কনজারভেটিভ ট্রিটমেন্টে ভাল হয়না বা মারাত্মক পর্যয়ের রোগীদের ক্ষেত্রে steriotactic limbic leukotomy & anterior capsulotomy সার্জারী বা অপারেশন বেশ কার্যকরী হতে পারে।লাভ অবসেশনের ক্ষেত্রে কাউন্সেলিং বেশ ভাল কাজ করে বিধায় ঔষধের পাশাপাশি কাউন্সেলিং এর প্রয়োজনীয়তাও অনস্বীকার্য।


কোথায় চিকিৎসা পাবেন?:-জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট,শ্যামলী,ঢাকা;বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউ. হাসপাতাল(পিজি হাসপাতাল)-এর মানসিক রোগ বিভাগে;সকল মেডিকেল কলেজের মানসিক রোগ বিভাগে।এছাড়াও মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের ব্যক্তিগত চেম্বারে আপনি এ চিকিৎসা পাবেন।



সাধারণ টিপসঃ-চিকিৎসার পাশাপাশি নিম্নোক্ত কথাগুলো মেনে চললে খুব ভালো ফল পেতে পারেন-

১।বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন।

২।নিজস্ব শখের জগৎ গড়ে তুলুন।

৩।“ও ছাড়া এ পৃথিবীতে আমাকে আর কেউ এত ভালবাসা দিতে পারবেনা”-এ ভ্রান্ত ধারণা ত্যাগ করুন।

৪।তার সাথে যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ভেঙ্গে ফেলুন।

৫।“আমার ভালবাসা সত্যি হলে ও একদিন ঠিকই ফিরে আসবে”-এরকম আত্মসংহারী আবেগময় ভাবনা পুরোপুরি ত্যাগ করুন।

৬।সম্পর্কের সুখস্মৃতিগুলো বার বার মনে করার চেষ্টা করবেন না।

৭।নিজের অস্থিরতা বা কষ্ট কমাতে আরেকজনের সাথে দ্রুত প্রেমের সম্পর্কে জড়াবেন না।

৮।নতুন নতুন মানুষের সাথে বন্ধুত্বে জড়ান;পুরোনোদের অনেকেই আপনার ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্ক নিয়ে খুঁচাখুঁচি করতে পারে।

৯।বন্ধুত্ব অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রেমের চেয়ে বড় ও স্থায়ী হয়।

১০।প্রতিশোধপরায়ণ হবেন না।অন্ধকার যেমন অন্ধকার দূর করতে পারেনা,আলোর দরকার হয়;ঠিক তেমনই ঘৃণা কখনোই ঘৃণা দূর করতে পারেনা,ঘৃণা দূর করার মোক্ষম উপায় ভালোবাসা।ভালোবাসার মানুষের ক্ষতি করা কখনোই প্রেমিকের বৈশিষ্ট্য হতে পারেনা।

১১।মানুষ শারীরিক মৃত্যুর পূর্বে মানসিকভাবে বার বার মারা যেতে পারে।কিন্তু সে যদি হার না মেনে যুদ্ধ করে আবার প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী মানুষ হয়ে ফিরে আসে।এরূপ পুণর্জীবিত মানুষের ভালবাসার অভাব হয়না।

১২।নিয়মিত ব্যায়াম করুন।ব্যায়াম করার সময় আমাদের ব্রেনে “এনডরফিন” নামক নিউরোহরমোন নিঃসৃত হয় যা মনের কষ্ট কমাতে ও মন প্রফুল্ল রাখতে দারুন সাহায্য করে।




পরিশেষঃ-উপরোক্ত আলোচনা থেকে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন লাভ অবসেশন একটা রোগ।এরূপ প্রেমকে মহিমান্বিত না করে কিংবা কঠোরহস্তে দমনের চেষ্টা না করে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং আপনার প্রিয় মানুষটিকে এই আত্মসংহারী রোগ থেকে বাঁচান।যে প্রেম/ভালোবাসা জীবনে ধ্বংস ডেকে আনে কিংবা আত্মহননের পথে ঠেলে দেয় তা কোন বিচারেই প্রকৃত প্রেম/ভালোবাসা হতে পারে না।যে নিজের জীবনের মূল্য বোঝেনা সে আরেকজনের জীবনের দায়িত্ব নেবে কীভাবে?

ধন্যবাদ যারা কষ্ট করে আর্টিকেলটি পড়লেন।

সূত্রঃ“Confusing Love with Obsession” by John D.Moore

ছবিঃসকল ছবি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে।এ আর্টিকেলটি কেবলই তথ্যমূলক;এর কোন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নেই।তারপরেও কপিরাইট ভায়োলেশনের কারণে কারো আপত্তি থাকলে তা জানা মাত্র সে ছবি বা ছবিসমূহ এই আর্টিকেল থেকে অপসারণ করা হবে।(All the images in this article are collected from different web sites & have been used for non-commercial purposes.If anyone has any objection of using these images,I’m assuring their removal upon getting valid complaint)।

সহব্লগার আহমেদ জী এস ভাইয়ের এই লেখাটিতে প্রেম-ভালোবাসা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য আছে।সম্মানিত পাঠকদের লেখাটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো- “লভ এ্যান্ড রোমান্স” । সখি ভালোবাসা কারে কয়......

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২০
২৩টি মন্তব্য ২৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নায়লা নাইমের বিড়ালগুলো

লিখেছেন শাহ আজিজ, ২১ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:৫৯



একজন মডেল নায়লা নাইম সাড়ে তিনশ’ বিড়াল পালেন একটি স্বতন্ত্র ফ্লাটে ঢাকার আফতাবনগরে । পাশেই তার আবাসিক ফ্লাট । গেল চার বছরে অসংখ্য বার দর কষাকষি করেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ তালব্য শ এ এশা

লিখেছেন অপু তানভীর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০৬

মাঝে মাঝে নিজের নির্বুদ্ধিতার নিজেকে একটা কষে চড় মারতে ইচ্ছে হয় । নিজের চড়ে খুব একটা ব্যাথা অবশ্য লাগে না । আর চাইলেও খুব জোরে নিজেকে চড় মারা যায়ও না... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটা বৃহৎ জীবনের নেশা

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২১ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:০৪

এমন সময়ে তুমি আসবে, যখন বিভোর বসন্ত
অঘোরে লাল-নীল-হলুদ ছড়াবে; তখন নবীন কিশলয়ের
মতো গজিয়ে উঠবে প্রেম। পৃথিবীর চোখ
তৃষ্ণায় ছানাবড়া হবে, মানুষে মানুষে অদ্ভুত সম্মিলন।

কখনো কখনো এত বেশি ভালো লাগে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ কেন গালি দেয়?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ২:৩৫



'হারামজাদী ছিনাল
বজ্জাত মাগী
খানকী বেইশ্যা

মিয়া বাড়ির কাচারির সুমুখে লম্বালম্বি মাঠ। মাঠের পর মসজিদ। সে মসজিদের সুমুখে বসেছে বাদ-জুমা মজলিস। খানিক দূরে দাঁড়ান ঘোমটা ছাড়া একটি মেয়ে। গালি গুলো ওরই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ কাঁচের মেয়ে

লিখেছেন সামিয়া, ২২ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:৩০




আমার বিয়ে হয়েছিলো মাঘ মাসের উনিশ তারিখে আমি প্রতিদিনের মতনই স্কুলে গিয়েছিলাম ক্লাস নিতে। পড়াশোনা ইন্টারের পর আর হয়নি অভাব অনটনে আর বখাটেদের উৎপাতে সেটা ছেড়ে দিয়েছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×