প্রায় দুইশত বছরের ব্রিটিশ শাসন ও পরবর্তীতে পাকিস্তান শাসনের কবল থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ গঠন হয়েছে একথা ঠিক কিন্তু এদেশের মানুষ স্বাধীন হয়েছে কি? পরাধীনতার জাল ছিন্ন করে বার বার সাধারণ মানুষ সংগ্রাম করে তাদের শাসক বদলেছে আর আশায় বুক বেধেছে। কিন্তু বার বারই দেখেছে শাসকের শোষক রূপ। এ অবস্থা শুধু বাংলাদেশে নয় সারা পৃথিবীতেই। সারা পৃথিবীতেই সাম্রাজ্যবাদী, ক্ষমতা-লিপ্সু, অত্যাচারী শোষক-গোষ্ঠী তাদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নানা অপকৌশল হাতে নিয়েছে। গণতন্ত্রের কথা মুখে বললেও তাদের মগজে প্রবেশ করেনি। গণতান্ত্রিক সরকারের স্বৈরাচারী রূপ নানা আকৃতিতে বার বার সামনে এসেছে। তাদের এই স্বৈরাচারী কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা যেন কেউ না করে তার জন্য জুলুম নিপীড়ন প্রতি বারই যেন তার আগের রেকর্ড ভঙ্গ করে। এধরনের রাজনীতির একটি অনুষঙ্গ বিরাজনীতিকরণ। তারা সাধারণ মানুষকে অন্ধকারে রেখে তাদের অগণতান্ত্রিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়। জনসাধারণের কাছে যাতে জবাবদিহি না করতে হয়। নিজের দেশে যাতে কোন রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী বেড়ে উঠতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হয়।
যেমন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ছাত্ররাজনীতিকে কলুষিত করার পেছনে এই রাজনীতিবিদরাই দায়ী। তারা শুধু ছাত্রদেরকে ব্যবহারই করেছে তাদের ভবিষ্যৎ কিম্বা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে কখনই ভাবেনি। অথচ নতুন নেতৃত্ব তৈরির ভাল উৎস আর কি হতে পারত। অথচ অন্য কেউ এসে তার দায়িত্ব গ্রহণ করুক বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা তা চায়না। এমনকি নিজ দলের ভেতরে এক মৎস্যন্যায় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এখানে অপেক্ষাকৃত বড় নেতৃত্ব অপেক্ষাকৃত ছোট নেতৃত্বকে হজম করে ফেলছে। রাজনীতিবিদরা জনগণের কথা বলবেন প্রতিনিধিত্ব করবে সেটাই স্বাভাবিক ছিল কিন্তু জনগণের দাবী গুলোকে ইস্যু বনিয়ে তারা শুধু নিজেদেরই আখের গুছিয়েছেন। জনগণের আশাআকাঙ্খার প্রতিফলন দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই দলের মধ্যেই আটকে গেছে। এই দুই দল যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। যার একপাশে লীগ তো অন্য পাশে দল। এখন সময় এসেছে বিকল্প খোজার। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এ নিয়ে বেশ আলোচনা চলেছে। কিন্তু সেই তৃতীয় শক্তিকে আমরা দেখতে পাইনি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় পক্ষের আবির্ভাব ঘটুক। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আসুক। রাজনৈতিক দল গুলোর মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা হোক। সেই কামনায় আজ এ পর্যন্তই , , , , , ,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

