আগাচৌ তার এই কলামে তিনি উল্লেখ করেছেন,"বাংলাদেশে একটা ব্যাপার এখন স্পষ্ট। একাত্তরের ঘাতক-দালাল, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে দেশের জনমত ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার। বিশেষ করে তরুণ সম্প্রদায় পর্যন্ত উচ্চকণ্ঠে এই বিচার চাইছে।"
বাংলাদেশে কি শুধু তরুণ সম্প্রদায়ই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে উচ্চকণ্ঠে সক্রিয়। কেন আর কেউ কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ভালভাবে চায় না। আসল কথা হয় যারা নিজের দলের হাজার হাজার মামলা অবৈধভাবে তুলে নেয়, ফাঁসীর আসামীদের বেকসুর খালাস করে দেয়, ফাঁসীর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীদের রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা প্রয়োগ করে মাফ করে দেয়, নিজে প্রধানমন্ত্রী থেকে নিজের মামলাগুলো তুলে নেয় সেই আওয়ামী লীগের কাছে আর যাই হোক ন্যায়বিচার আসা করা যায় না। আর যারা বিরোধী দলের উপর নির্যাতনে এ যাবত কালের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের প্রায় লক্ষাধিক নেতাকর্মীকে আসামী করে ২০০০০ এর বেশি মামলা দায়ের করেছে তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন নাগরিকদের কেউই অনবহিত নয়।
আর আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে এটা একটা হাস্যকর উক্তি। তার নিজের দলে চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের ব্যপারে খোদ প্রধানমন্ত্রী সাফাই গেয়েছেন। বলেছেন বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। কিন্তু বিরোধী দলকে দমনের জন্য যুদ্ধাপরাধের বিচারকে ইস্যু হিসেবে ব্যবহার করছে। আজকে আওয়ামী লীগের একটাই বক্তব্য দেশে যত অন্যায়-অবিচার, ঘটনা-দুর্ঘটনা ঘটছে তা সবই বিরোধী দলের কাজ। আর এসব তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের জন্যই করছে।
তাদের এ বক্তব্য বাংলাদেশের কোন সচেতন মানুষ বিশ্বাস করে না।
আর তরুণ সম্প্রদায় যারা অতীতকে চাক্ষুষ দেখেনি তাদেরকে প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে সহজে বোকা বানানো সম্ভব। তরুণ সম্পদায় একটু দেরীতে হলেও ঠিকই বুঝতে পারবে যে আওয়ামী লীগ আর ন্যায়বিচার এক সাথে চলে না।
জনাব আগাচৌ যে স্বীকার করেছেন জামায়াতের জনসমর্থন একেবারে কম নয়। কিন্তু তিনি কি জানেন কারা জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন করেন?
জনাবের কলামটি সম্পূর্ণ সরকারের পা চাটা চামচার বক্তব্যের মত হয়েছে। ১৭ ডিসেম্বর বিএনপি'র সমাবেশের উপর সরকারী পুলিশ বাহিনী ও সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনীর হামলার কথা বেমালুম চেপে গেছেন। তার এ কলামটি চরমভাবে পক্ষপাতদুষ্ট রোগে আক্রান্ত।
তার কলাম টি এখানে
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

