কিছু দিন আগের ঘটনা, তবে মাঝে মধ্যেই এই ধরনের বিষয় খবরে আসে; আমার এক নিকট আত্মীয় দেশের বাইরে মারা যান, তার মৃতদেহ ঢাকায় বিমানে আসে। কিন্তু মৃত্যুর কারন রহস্যময়ই থেকে যায়। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের ডাক্তারি একটি সার্টিফিকেট সাথে ছিল, যাতে কারন লেখা ছিল “হার্ট অ্যাটাক”। সুঠামদেহী তরুনের জন্য এই কারন কোনমতেই মানা যায় না। বিমানবন্দরের উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে জানা যায় যে, প্রায় প্রতিদিনই নাকি এই ধরনের লাশ আসে। সব ক্ষেত্রেই একই কারন, মনে হয় ডাক্তারি সার্টিফিকেট ফটোকপি করা, শুধু নামটা আলাদা। মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের অন্যান্য দেশ থেকেও লাশ আসে, তবে সেগুলোর ব্যাপারে তেমন সন্দেহ থাকে না।
কর্মস্থল মধ্যপ্রাচ্যে যোগাযোগ করে কোন কিছু নিশ্চিত জানা যায় না, পরিচিত দুই এক জনের কাছ থেকে ঝাপসা ভাবে জানা যায় যে, তাদের উপর দৈহিক অত্যাচার করা হত। এর বেশী আর জানা সম্ভব হয় না।
কয়েক বছর আগে পত্রপত্রিকায় এই ধরনের বিষয় নিয়ে খুব বেশী আলোচনা হয়েছিল মনে পড়ে।
যদিও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি মোটা অংক ক্ষতিপূরণ বাবদ পায়, তবুও একেকটি মৃত্যু টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যাবে কি? আর দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশে একেকটি পরিবারকে কতটুকু ত্যাগ আর বিড়ম্বনা শিকার করতে হয় তা আমরা সবাই জানি। আর এর পরিনাম যদি হয় মৃত্যু, তবে সান্তনা কোথায়?
কেউ কি ব্লগে আছেন যিনি এই ধরনের বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানেন?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৩:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



