somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অর্ধ-দশকের পথচলা: ছিলা-নাঙ্গা ও বোঙ্গা-বোঙ্গা কিছু কথা!!!

২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ঘুর্ণিঝড়। জলোচ্ছ্বাস। লন্ডভন্ড। ক্ষয়ক্ষতি। আহাজারি। পলায়ন। ভাগবাটোয়ারা। শান্তি। সাধারণত আমাদের দেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পরাক্রমশালী সামুদ্রিক ঝড়গুলোর পরের জীবনচক্র কিছুটা এরকমই। বিশেষ করে, দেশের আপামর জনতা যাদের ঝড় সম্পর্কিত বাস্তবিক অভিজ্ঞতা নেই এভাবেই দেখে এসেছেন। যখন প্রথম ব্লগের সাথে পরিচিত হই তখন ঠিক ব্লগটাকে সেই ট্রপিক্যাল ঘুর্ণিঝড়ের মতোই মনে হত। ঝড়ের মতোই এখানের ক্যাচালগুলো ব্লগে তান্ডব চালিয়ে লন্ডভন্ড অবস্থা। বায়ুর বেগ অতিরিক্ত হলে পলায়ন একটি নিত্য ঘটনা। ঝড় মানে ক্যাচাল শেষে বিজেতারা আনন্দের ভাগবাটোয়ারায় অংশ নিত; ঠিক ত্রাণের চালের মতো। পরাজিতরা বাস্তুচ্যুত হয়ে হয়ত কেউ নবউদ্যোমে ঘর গোছাতো, কেউবা অন্য জায়গায় বসতি স্থাপন করত।
এরপর শান্তি কিছুসময়ের জন্য। আর আমি শুধুই দর্শক ও পাঠক হিসেবে দূর থেকেই এই সব তান্ডব লীলা দেখতাম। বিজিত কিংবা পরাজিতদের আনন্দে বা দুঃখে অংশ নেওয়ার সময় কিংবা ইচ্ছা তখন কোনটাই ছিল না।

কারণ সবেমাত্র দেশে আন্ডারগ্রাড শেষ করে বাইরের এক ইউনিতে গাধা খাটুনি দিচ্ছি। আর সামুর সাথে পরিচয়ও সেই ভার্সিটিতে পড়তে আসা দেশের এক পাবলিক ভার্সিটির শিক্ষকের মাধ্যমেই। সামুতে হিসাব খুলতে গিয়ে ঝক্কি-ঝামেলায় পাঠক হিসেবেই থেকে গেলুম।
এরপর বহুদিন কেটে গেছে। পদ্মা-মেঘনায় বহু কিউসেক জল গড়িয়েছে। শেষে সামুতে একটি হিসাব খুলে লিখতে গিয়ে দেখি-- ওমা--সেকি...লেখা তো প্রথম পাতায় আসে না। পোস্টাই। চেক করি। না। হতাশ। বিদায়। কি আর করা! অনিয়মিত পাঠক হিসেবেই থেকে গেলুম।

এরপর ২০১৫ সালের দিকে আবার হিসাব খুললুম। বর্তমান নামটি নেওয়ার পেছনে তেমন কোনো চিন্তা ছিল না। বলতে গেলে হুট করেই নিয়েছিলুম। হতে পারে এই মিশরীয় ভদ্রলোক আমাকে অজান্তেই প্রভাবিত করেছিল। সেই স্কুল জীবন থেকেই হেনরী রাইডার হেগার্ডের বিরাট ভক্ত ছিলুম। তখন থেকে মিশরীয় সভ্যতার প্রতি অন্যরকম টান অনুভব করতুম। সেই ফ্যারাওদের মধ্যে এই ব্যাটা আখেনাতেনের ব্যতিক্রমী চিন্তা আমাকেও চিন্তিত করেছে। বলে রাখা ভাল, ইনিই বিশ্ব ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তি যিনি বহুঈশ্বর (Polytheism) ধারনা থেকে একেঈশ্বর (Monotheism) ধারনার সুত্রপাত করেন মানব ইতিহাসে। আটেনের এই উপাসকের প্রতি... সাথে নেফেরতিতির কাহিনি কচি হৃদয়ে ঝড় তুলেছিল। নেফেরতিতির প্রেমে পড়ে গেলুম দিলখোলাভাবে। উথাল-পাতাল প্রেম।

আখেনাটেন নামে এবার লিখি। পোস্টাই। সেই একই কাহিনি। লেখা প্রথম পাতায় আসে না। হ-য-ব-র-ল টেস্টিং লেখাগুলো মুছে দেই। তখনও সামুর শানে নুযুল আমি জানতুম না। সেই আগ্রহও ছিল না মনে হয়। পড়াতেই মজা। আমি পাঠে তেলাপোকা মানে সর্বভুক পাঠক। প্রাইমারীকাল মানে পিচ্চিকাল থেকেই নানারকম পাঠে--জন রিডের ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’ থেকে শুরু করে ‘সহি উপায়ে সহবাসের নিয়ম-কানুন’---গবগব করে গিলতে আমার কোনো প্রকার ক্লান্তি ছিল না। অবশ্য পরেরটা পাঠে কিঞ্চিত হিসেবে গন্ডগোল করে ফেলায় শুদ্ধিপরীক্ষার মধ্যে যেতে হয়েছে। শুদ্ধি পরীক্ষা নিয়ে জানতে হলেপাঠক এই লেখাটা পড়তে পারেন। মানে ঐ হাফপ্যান্ট পরা বয়সে কিবোর্ডের রং বাটনে চাপ দিয়েছিলুম যা পরে বুঝেছি জে। যাহোক, এভাবে কেটে গেল আরো কয়েক মাস। ইতোমধ্যে ফ্যারাওয়ের মন্তব্যের জেরে নীলনদের চাষবাস জমে উঠেছে।

এরপর এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হুট করে একদিন দেখি আবুলীয় একটি ছোট্ট লেখা প্রথম পাতায় জ্বলজ্বল করছে। বিরাট উত্তেজনা। প্রথম মন্তব্য উম্মু আব্দুল্লাহ নাম্নী একজন ব্লগারের থেকে। আপ্লুত। তাকডুম-ডুমতাক। এরপর প্রতিউত্তরের পালা। এবং প্রথম পোস্টেই শুরু হয়ে গেল সেই মৃদু ঘুর্ণিঝড়। ঝড়ের তান্ডবে উড়ে যাওয়ার দশা শুরুতেই। কিন্তু পণ। নাহি ছাড়িব সুচাগ্র মেদিনী। এরপর আঁতেলীয় কিছু লেখা লিখলাম। রাস্তার পাশের আবর্জনা মনে করে কেউ নাকে রুমাল দিয়ে পার হয়ে গেল। দুয়েকজন বুনোফুল মনে করে দু-বালতি পানি ঢেলে চারাগাছকে বাড়তে সাহায্য করল। বুনোগাছে দু-একটি গোলাপ ফুটল। রাস্তার পাশের বুনো গোলাপ। মডুরা পাত্তা দিল না। এ নিয়ে সামান্য আক্ষেপ। সমাধান। নবোদ্দোমে লেখালেখি। হাসি-আনন্দ-বেদনায় দীর্ঘ অর্ধ-দশকের পথচলা।

আখেনাটেন। বিদঘুটে। দাঁতভাঙা। কেউ পারে। কেউ পারে না। কেউ খায়, কেউ খায় না। কেউ রাগে, কেউ হাসে, কেউবা ভালোবাসে। তা লেখায় ও নামেও। পাটেনাটেন। আটেনআটেন। আটেপাটেন। হতশ্রী। মনখারাপ। ভুল করলুম নাকি। ট্রাম্পের দেশের এক মহান দেশপ্রেমিক তো ডেকে দিলেন *কেনাটেন। কোন অক্ষর বুঝে নিন। হাসি। দুনিয়া রে দুনিয়া!! ভেরি ব্যাড! ভেরি গুড!!

নীতিবান ধার্মিক লোকদের প্রতি অসীম শ্রদ্ধা থাকলেও এবং নিজে বিশ্বাসী হলেও ধর্মান্ধতা, গোঁড়ামী, ভণ্ডামী ভীষণ চক্ষুশূল। পরিবার। পরিবারের মাথা আপাদমস্তক ধার্মিক হলেও চারপাশের মানুষগুলো নানা ধর্ম-জাত ও মতের ছিলেন। বেড়ে উঠা ঐ শ্রেণিদের কোলে-পিঠেই। আমার ব্লগের অনেক লেখা-মন্তব্যে তাঁদের কথা উঠে এসেছে।
ঘৃণা করি দলান্ধতা, ঐতিহ্য ও চেতনার নামে স্বৈরাচারী মনোভাব, জাতীয়বাদিতার নামে সেচ্ছাচারিতা, ধর্মীয় লেবাসে রাজনৈতিক অভিলাষ।

বিশ্বাস করি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতকরণ, উচ্চশিক্ষা-গবেষণা-উদ্ভাবনে প্রচুর বিনিয়োগ (দক্ষিণ কোরিয়া ও ঈসরাইল জিডিপি’র ৪% এর বেশি; বাংলাদেশ জিডিপি’র ০.১%...পার্থক্যটা ক্ষোভের সৃষ্টি করে) এবং একটি সুশিক্ষিত জাতিই পারে উপরিল্লিখিত দুষ্টক্ষতগুলো বিদূরিত করতে। এজন্য দরকার একজন সুশিক্ষিত প্রকৃত দেশপ্রেমিক নেতা--শিয়ালের চামড়ায় আবৃত জীঘাংসাপূর্ণ কিংবা সবার্থবাদী দেশপ্রেমিক নয়--যারা দেশের স্বার্থে কঠোর কোনো সিদ্ধান্ত নিতে একচুল পিছপা হবে না। উদাহরণস্বরূপ, কিক মেরে দলীয় ছাত্র-শিক্ষকনেতাদের সাথে ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বিতাড়ন। এই একটি জিনিস দেশের সমস্ত সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে বলে মনে করি। নীতি-নৈতিকতার ভিত্তিটাকে ভঙ্গুর করে গড়ে তুলছে। ভবিষ্যতের ডাকাত তৈরির কারখানায় পরিণত হচ্ছে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো…। গণতন্ত্রের মানসকন্যা কি পারেন না জাতির ভালোর জন্য...কবি নিরব!!!

যাহোক এই পথচলায় অনেক জ্ঞানী মানুষের ব্লগীয় সাহচর্যে এসেছি। আপ্লুত হয়েছি। সরাসরি দেখা না হয়েও যে কারো সাথে আত্নীক সম্পর্ক হতে পারে এই ব্লগ তার সর্বোত্তম উদাহরণ। বিশেষ করে, যাদের নাম না বললেই নয়। সেজন্য ঐতিহাসিক এই পোস্ট ও মন্তব্যগুলো পড়তে পারেন। ঠকবেন না। হাসিটা চওড়া হবে গ্যারেন্টি দিতে পারি। :D

ব্লগার খায়রুল আহসান- খুঁজে খুঁজে পুরাতন লেখাগুলো পড়ে অতি মূল্যবান মন্তব্য রেখে আসার জন্য উনাকে ব্লগ স্মরণ রাখবে। অনুপ্রেরণাদায়ী। নিপাট ভদ্রলোক। ব্লগে আমার তেলাপোকার মতো টিকে থাকার জন্য উনার চমৎকার মন্তব্য কাজ করেছে নিঃসন্দেহে।

ব্লগার ড. এম এ আলী- জীবনের এই পর্যায়ে এসেও উনার এত এত শক্তির উৎস নিজের মধ্যে একটি পজিটিভ ভাইব সৃষ্টি হয়। এত বিশ্লেষনাত্মক মন্তব্য ব্লগে আর কেউ করে কিনা জানি না। উনার পোস্ট ও মন্তব্য মানেই জ্ঞানের নয়া দরজা উন্মোচন।

ব্লগার আহমেদ জী এস - সুক্ষ্ণ সমালোচনা ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের মাধ্যমেও যে লেখা ও মন্তব্যে একটি স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করা যায় তা উনার লেখায় দেখি আর মুগ্ধ হই। আমার মুগ্ধতা দিগন্ত ছুঁইয়ে ফেলে।

ব্লগার চাঁদ্গাজী - কিংবদন্তি বলে, ‘’আপনি তাঁকে ভালোবাসতে পারেন, আপনি তাঁকে ঘৃণাও করতে পারেন। তবে আপনি যা পারেন না তা হচ্ছে ‘এড়িয়ে যাওয়া’’। মানে হচ্ছে ব্লগে যে পজিটিভ কিংবা নেগেটিভ ভাইব উনি সৃষ্টি করে চলেছেন তা সত্যিই এড়িয়ে যাওয়া ব্লগারদের পক্ষে মুশকিল। আপনি না চাইলেও আপনার পোস্টে যেকোনো অমাবস্যাতেও চাঁদ উঠে বসে থাকবে। হয়ত চাঁদের আলো আপনার অসহ্য মনে হবে। কিন্তু...জোছনা খাওয়াতে আপনি দক্ষ হলে...সবকুছ ফকফকা হো যায়েগা। আর কিছু কিছু ব্যাপারে উনার ‘সেন্স অব হিউমার’র আমিও সমঝদার। তবে এর মাত্রা বেশি হলে সকলের জন্যই হজমে কিঞ্চিত নাকি বিরাট প্রভাব ফেলে তা ভুক্তভোগীরাই জানে...। এছাড়া অ্যানেকডৌট টাইপ লেখাগুলো যে কারো ভালো লাগার কথা। ব্লগার ঠাকুর মাহমুদের ভাষায়, ‘একশ পদাতিক সৈন্যের স্যালুট’ সামুর দুর্দিনেও (স্টিভ জব্বর কাকুর মিসাইল এটাকের সময়) কচ্ছপের মতো সামুকে কামড়ে থাকার জন্য এই মুক্তিযোদ্ধা ব্লগারকে।

ব্লগার সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই - গান পাগল এই মানুষটির জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা। সমমনা মানুষদের আমি সবসময় ভালো পাই। যুগ যুগ জিও।

ব্লগার জুন - যেখানেই ভ্রমণে যাই জুনপার কথা মনে পড়বেই পড়বে। এখন বুঝে নিন কতটা প্রভাব বিস্তার করেছেন আমাদের প্রিয় দেশী ‘বতুতা’। আমি চাই কোনো একদিন বিশ্বের বিখ্যাত কোনো এক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনায় ঘুরতে ফিরতে উনার সাথে আমার দেখা হোক আচম্বিতে। বিরাট ঘটনা হবে সেটা আমার জন্য। হয়ত আপা কানটা ধরে টান মেরে বললে, ‘ওরে বদের ছাও তাইলে তুইইইই আখে…’’।

ব্লগার করুণাধারা - ‘বদের বদ আবার দুষ্টুমি’। করুণাধারা’পাকে ব্লগে দেখলেই মনে হয় এই বুঝি কাঁচা কঞ্চি নিয়ে হেডমিস্ট্রেস দাবড়ানি দেওয়ার জন্য রেডি। পেছনে এরকম গুরুজন থাকলে জীবনে ভুল করার সম্ভাবনা কমে যায়। অসীম ভালোবাসা করুণাধারা’পার জন্য।

ব্লগার শায়মা - আমাদের একটি অন্যতম স্বভাব হচ্ছে ‘সুখী মানুষ দেখলে হিংসায় জ্বলে-পুড়ে খাক হওয়া’। তবে কোহেকাফের এই কংকাবতী রাজকন্যার সবকিছুতে পজিটিভ দিক দেখতে পাওয়া ও সুখী ও উচ্ছল পথচলা দেখলে যে কারো আরো দুদিন এই অসম্ভব জটিল ও কুটিল দুনিয়াতে বাঁচতে ইচ্ছে করবে। চারপাশে এত এত অরাজকতা-নৈরাজ্যের মাঝেও নিজেকে সুখী হিসেবে ভাবতে পারার সংখ্যা ডাইনোসরের মতোই বিলুপ্তির পথে। বেঁচে থাকুক ইতিবাচক মানুষেরা অন্যের ভাবনায় নাড়া দিয়ে।

ব্লগার ভুয়া মফিজ - আমাদের প্রিয় ভুয়া মফিজ ভাই। আমার নিজের কিছু বৈশিষ্ট্য উনার মাঝে দেখতে পাই। সিরিয়াস জিনিসেও কীভাবে ‘মজা’ লুটপাট করা যায় উনার লেখাতে আমরা অনেক সময়ই তা দেখতে পাই।

ব্লগার কাল্পনিক_ভালোবাসা - এখন খুবই কম লিখেন। তথাপিও উনার গল্প, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের সমালোচনামূলক লেখাগুলো কিংবা মোহিতো তৈরি গল্প পাঠককে অবশ্যই চমৎকৃত করবে।

ব্লগার বিদ্রোহী ভৃগু - ভৃগু দা। ইদানিং কম লিখলেও উনার লেখার মধ্যে একধরনের আধ্যত্মিক ভাব বেশ লাগে।

ব্লগার সোহানী - আপার ‘থোড়াই পরোয়া করি’ লেখার ভাবটা আমার বিরাট পছন্দ। যা ভালো লাগে না তা মুখের উপর ঠাস করে বলার জন্য যে ইচ্ছাশক্তি, সাহস, মনোবল থাকা দরকার তা আমাদের কয়জনের আছে। সেক্ষেত্রে সোহানীপা ব্যতিক্রম। এই ভালোমানুষটার জন্য একশ পদ্মফুলের শুভেচ্ছা। যুগ যুগ জিও।

ব্লগার কলাবাগান০১ - শ্রদ্ধেয় একজন ব্লগার। ভালো লাগে উনার বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাভাবনাগুলোকে সাথে দেশের প্রতি মমত্বকে। কিন্তু ভালো লাগে না অতি দলান্ধতা। কালোকে কালো বলতে পারার জন্য যতটা মানসিক শক্তি থাকার দরকার তার অভাব আমাকে পোড়ায়। তা যে কারো ক্ষেত্রে। ধর্ম গেল, ধর্ম গেল বলে যেভাবে উপমহাদেশে উন্মাদনা শুরু হয়েছে, সেখানে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন ইত্যাদি নিয়ে আমাদের ভাবনার সময় কই। সেখানে কলাবাগানের বিজ্ঞানমনস্ক মনকে আমার অসীম শ্রদ্ধা।

ব্লগার নীল আকাশ - ধর্মীয় ও মতাদর্শিক কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও উনার কোনো বিষয়ের প্রতি একাগ্রতাটা বেশ লাগে। ভালোমানুষ। যদি আর একটু সহনশীল...।

ব্লগার নতুন নকিব- দু-বছর আগের নকিব ভাইয়ের লেখা, মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া আর এখনকার নকিব ভাইয়ের মাঝে বিরাট পরিবর্তন লক্ষ্য করছি। আগেও বলেছি, ধার্মিক মানুষদের আমি পছন্দ করি, ধর্মান্ধদের নয়। উনার সহনশীলতার উন্নতিটা ভালো লাগছে, যদিও যথেষ্ট মনে করি না। উনার জন্য শ্রদ্ধা।

ব্লগার পদ্মপুকুর - জেন্টেলম্যান ব্লগার। লেখা ভালো লাগলে শতভাগ প্রশংসা করতে দ্বিধা করেন না। যদিও আমাদের বাঙলীদের মাঝে ‘ধন্যবাদ’ ও ‘প্রশংসা’ করার চল খুব একটা নেই বলেই মনে করি। সে দিক থেকে উনার এ ব্যাপারে প্রশংসা করাই যায়।
ব্লগার এক নিরুদ্দেশ পথিক-- আমার একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্লগার। উনার তথ্য-উপাত্তসহ লেখার বিন্যাস ও সুক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ যে কেউ প্রশংসা না করে পারবে না।

ব্লগার মনিরা সুলতানা - এত এত শব্দের ভাণ্ডার নিয়ে কি চমৎকার করেই না কবিতা-গল্প লেখেন। খালি মন কয়, ইস, আমিও যদি ওরকম লিখতে পারতুম।

ব্লগার মিথি মারজান - কবি মানুষ। চমৎকার ভাবের প্রকাশ করেন লেখায়। মিথিপার পিচ্চিটার কথা মনে পড়ছে। ব্লগে ইদানিং দেখি না।

ব্লগার মিরোরডডল - হাসিখুশি। প্রাণবন্ত। গানপাগল। নিশ্চয় এ ধরণের মানুষের মনটা বিরাট উদার হয়।

ব্লগার রাজীব নুর - ভালো মানুষ। তবে প্যাথোলজিক্যাল লায়ার। যেটা উনি নিজেই বলেছেন ‘টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা’। অর্থাৎ যে মিথ্যায় কারো কোনো ক্ষতি নেই। আগে অন্যের লেখা কপি-পেস্ট করাকে খারাপ মনে করতেন না। অনেকের নজরদারীতে এখন অনেকটাই বুজদার হয়েছেন। যদিও তা যথেষ্ট নয় বলে আমি মনে করি। তবে ব্লগের প্রতি উনার ডেডিকেশন ও চমৎকার একটি পরিবারের কর্তা হিসেবে উনার প্রতি শ্রদ্ধা রইল।

ব্লগার ঠাকুর মাহমুদ- জ্ঞানী মানুষ। অভিজ্ঞতায় ভরপুর।

ব্লগার নুর মোহাম্মদ নুরু - সামু ব্লগ যদি গুটিকয়েক ব্লগারকে তাদের লেখার জন্য মনে রাখে তবে উনি প্রথম দিকেই থাকবেন। উনার ব্লগ সামুর সামুপিডিয়া বললে অতুক্তি হবে না।


ব্লগার পদাতিক চৌধুরী - দাদা আমাকে কলকাতা গেলে ‘ঢপের চপ’ খাওয়ানোর দাওয়াত দিয়ে রেখেছেন। অপেক্ষায় আছি। গ্রামের মাটির সোদা গন্ধকে অনুভব করার মতো ব্লগার ব্লগে খুবই কম। উনি উনার এধরনের লেখাগুলো দ্বারা সেই গন্ধকে পাঠককেও দেওয়ার চেষ্টা করছেন। লাল সালাম কমরেড।

ব্লগার ঢাবিয়ান - চমৎকার মানুষ বলেই মনে করি। যদিও ব্লগার কলাবাগান আমার সাথে হয়ত একমত হবেন না। কারণ তেলাপোকার এক্সরে...।

ব্লগার অপু তানভীর - উনার কিছু গল্প পড়েছি। বেশ মজার।
ব্লগার গিয়াস উদ্দিন লিটন - রম্যের গুরু।
ব্লগার মা. হাসান - ভালো লিখেন। লেখা ও মন্তব্যে স্বাতন্ত্র রয়েছে। বিশেষ করে সারকাজম জাতীয় লেখাগুলো বেশ।

ব্লগার ওমেরা - বরফের দেশে বাস করে, বাংলা ভাষায় ততটা দক্ষতা না থেকেও শুধু যে মাতৃভাষার টানে ব্লগিং করা যায় তা বরফকন্যা দেখাচ্ছেন। ব্লগার ঠাকুর মাহমুদের ভাষায় ,’একশ পদাতিক সৈন্যের স্যালুট’।

ব্লগার রোকসানা লেইস - জীবনঘনিষ্ট লেখার জন্য লেইসপাকে অভিবাদন।
ব্লগার জাহিদ অনিক - ‘কত দিন, কত দিন দেখি না তোমাই’-----চাঁদগাজীর তথা আমাদের সকলের প্রিয় কবি।

ব্লগার শিখা রহমান- আমার ভীষণ পছন্দের ‘আমড়া আমড়াই তো’ ব্লগারকে ব্লগে কদাচিৎ দেখতে পাই। আমার রম্য লেখাগুলো পড়ে উনার গভীর রাতে উচ্চৈঃস্বরে হাসতে না পারার ঘটনা মনে পড়লে আমার মুখেও এক চিলতে হাসি ফুটে ওঠে।

ব্লগার মলাসইলমুইনা - ইতিহাসের অজানা বিষয়গুলোকে সমসাময়িক ঘটনার সাথে কানেক্ট করে তাৎপর্যপূর্ণ লেখার জন্য উনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ইদানিং ব্লগে দেখছি না।

এছাড়া ফিচারগুরু ব্লগার শের শায়রী, ছবিগুরু ব্লগার কাজী ফাতেমা ছবি, ব্লগার ক্লে ডল, ব্লগার উম্মে সায়মা, ব্লগার তারেক ফাহিম, ব্লগার কাতিআশা, ব্লগার সাহসী সন্তান, ভ্রমণগুরু ব্লগার সাদা মনের মানুষ, ব্লগার সম্রাট ইজ বেস্ট, ব্লগার অজ্ঞবালক, ব্লগার গেম চেঞ্জার, ব্লগার মেঘনা পাড়ের ছেলে, বিশ্লেষনাত্মক লেখা ও মন্তব্যের জন্য পরিচিত ব্লগার জেন রসি, ব্লগার সামিউল ইসলাম বাবু, ব্লগার শাহাদাত হোসেন (সত্যের ছায়া), ব্লগার বিজন রয়, ব্লগার মোস্তফা কামাল, ব্লগার অগ্নি সারথী, ব্লগার স্নিগ্ধ শোভন, ব্লগার আহা রুবন, ব্লগার রানার ব্লগ, ব্লগার অপর্ণা মম্ময়, ব্লগার অন্তরন্তর, ব্লগার রাকু হাসান, ব্লগার নজসু, ব্লগার শুভ্রনীল শুভ্রা, ব্লগার মৌরি হক দোলা, ব্লগার সামিয়া, ব্লগার রিম সাবরিনা, ব্লগার ইসিয়াক, ব্লগার হাসু মামা, ব্লগার নুর আলম হিরণ, ব্লগার নাহিদ০৯, ব্লগার নেওয়াজ আলী, ব্লগার মাইদুল সরকার, ব্লগার বিএম বরকতউল্লাহ, ব্লগার মেটালক্সাইড, ব্লগার_প্রান্ত, ব্লগার স্বপ্নবাজ সৌরভ, ব্লগার প্রেক্ষা, ব্লগার সচেতনহ্যাপী, ব্লগার নিভৃতা, অসাধারণ শেফ ব্লগার সাহাদাত উদরাজী, প্রাচীনপক্ষী ব্লগার আর্কিওপটেরিক্স, ব্লগার রিনকু১৯৭৭, ব্লগার রাবেয়া রাহীম, ব্লগার অনল চৌধুরী, সলিড ভদ্রলোক ব্লগার পুলক ঢালী, ব্লগার নতুন, ব্লগার মো: কামরুজ্জামান, ব্লগার আনমোনা, ব্লগার সোনালী ঈগল২৭৪ সহ আরও অনেকে এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না। ।

এখনকার নিয়মিত বেশ কিছু ব্লগার ভালো লিখছেন। তেমন একটি ব্লগীয় ইন্টারেকশন না হলে নানাভাবেই তাদের কিছু লেখা, মন্তব্য পড়েছি, ভালো লেগেছে । তাদের মধ্যেঃ আমি সাজিদ, সাড়ে চুয়াত্তর, রামিসা রোজা, ব্লগার কল্পদ্রুম, ব্লগার ঢুকিচেপা, শাহ আজিজ, ব্লগার অজানা তীর্থ, ব্লগার স্থিতধী, ব্লগার ডাব্বা, ব্লগার মুজিব রহমান, ব্লগার মরুভূমির জলদস্যু, ব্লগার শেরজা তপন, ব্লগার মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল।

এছাড়া কিছু হারিয়ে যাওয়া ব্লগারকে ভীষণ মিস করছিঃ

ব্লগার কালিদাস - ভদ্রলোকের আমার শিক্ষা-গবেষণা-উদ্ভাবন জাতীয় বস্তাপচা লেখাগুলোতে উৎসাহ প্রদান ভোলা মুশকিল।
ব্লগার মানবী - প্রতিবাদী। সোহানীপার পাশের বাড়ির ব্লগারকে বহুদিন দেখি না। যতদূর মনে পড়ে শেষ পোস্টটা করে ব্লগে দাবানল ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। উনার লেখাগুলও ওরকমই।
ব্লগার বাবুরাম সাপুড়ে০১- ভদ্রলোকের সাথে একটি লেখায় বিরাট বিতর্ক হয়েছিল। আবার আমার গ্রাম সম্পর্কিত লেখায় চমৎকার মন্তব্য করেছেন। তবে উনার সাথে ব্লগার টারজান০০০৭ এর চাপান-উতোর ব্লগে অন্য মাত্রা দিয়েছিল। কলকাতার অর্থনীতিবিদ এই ব্লগারকে মনে পড়ছে।
ব্লগার অর্ক - ইনাকে মিস করার কারণ আমার জানামতে ব্লগার অর্কই একমাত্র ব্লগার যিনি আমাকে ব্লক করেছেন। ব্লগার মানবীর ‘উনাকে নার্সিসিস্ট ডাকা’ জাতীয় একটি মন্তব্যকে সাপোর্ট করায় আমাদের দুজনকেই উনি ব্লক করেন। তবে ভদ্রলোক সুন্দর ছবি তুলতে পারতেন।
ব্লগার ভ্রমরের ডানা - সরকারী দলের স্টোন্স সাপোর্টার এই ব্লগারকে মিস করছি উনার চমৎকার কবিতাগুলোর জন্য। তবে স্কুল শিক্ষার্থীদের ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলন’-এর সময় উনার লেখালেখি বিবমিষার উদ্রেক করেছিল। সেই ক্ষতি উনি আর পরে কাটিয়ে উঠতে পারেন নাই। ব্লগে অনেকের শ্রদ্ধা হারিয়েছিলেন।
ব্লগার বিলিয়ার রহমান - সুন্দর কবিতা লিখতেন। ব্লগে নিয়মিত সময় দিতেন। ঐ যে ক্যাচাল নামক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাসের তোড়ে ভিটে মাটি...।

ব্লগার অর্থনীতিবিদ, ব্লগার গড়লকে মনে পড়ছে। বিশেষ ভাবে মনে পড়ার ব্লগার আরইউ কারণ কবিতার প্রতি উনার রাগ নাকি অভিমান।

কোনোদিন ভাবি নি বাংলাভাষায় খিচুড়িসদৃশ আঁতেলীয় দীর্ঘ লেখা লিখব। জয়তু সামু। জানাপা। কাভা ভাই। হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে।

এই অল্পসময়ের পথচলায় অনেকের সাথে লেখা ও মন্তব্যের জেরে মনোমালিন্য হয়েছে। কারো মন্তব্যে খারাপ লেগেছে। হয়ত আমার মন্তব্যে অনেকেই আঘাত পেয়েছেন। পোড়ায়। দুঃখিত। এই লেখাও যদি কাউকে আঘাত দিয়ে থাকে সেজন্যও অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আর ইট যেহেতু ছুঁড়েছি, পাটকেল খাওয়ার জন্যও রেডি।

বি:দ্র: নেটফ্লিক্সে ‘দ্যা কুইন’স গ্যাম্বিট’টা দেখে ভীষণ মজা পাচ্ছি। বহুদিন বাদে একটি মনের মতো সিরিজ দেখছি। আর আনিয়া টেইলরের অভিনয়, জাস্ট ওয়াও, ওয়াও। অনেকগুলো পুরস্কার পকেটে পুরবে নিশ্চিত। ‘দাবা’ খেলাটাকেও আকাশে তুলে দিয়েছে মনে হচ্ছে।

*******************************************************************************************
@আখেনাটেন-নভেম্বর/২০২০
ছবি: লেখক। কায়রো মিউজিয়ামে তোলা প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে তৈরি করা ফ্যারাও আখেনাটেন-এর ভাস্কর্ষ।


সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৭
৪১টি মন্তব্য ৪১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

খ্যাপাটে ট্রাম্প প্রস্থান করতে গিয়েও জো বাইডেনকে খোঁচা মারলেন।

লিখেছেন দেশ প্রেমিক বাঙালী, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৭



খ্যাপাটে ট্রাম্প আগেই জানিয়েছিলেন জো বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন না। বুধবার (২০/০১/২০২১) সকাল সকালই হোয়াইট হাউজ ছেড়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের পর থেকেই নিজের পরাজয় অস্বীকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বনলতা সেন কে ছিলেন?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:২৫



জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কবিতাটি পড়েননি এমন পাঠক খুব কমই পাওয়া যাবে। অদ্ভুত একটা কবিতা। বুদ্ধদেব বসু জীবনানন্দকে বলেছিলেন- ‘প্রকৃত কবি এবং প্রকৃতির কবি’। কবিতাটি প্রথম প্রকাশ করেছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট শপথ গ্রহন ছবি ব্লগ

লিখেছেন শাহ আজিজ, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:০৭





ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকার ৪৬ তম
প্রেসিডেন্ট হিসাবে জোসেফ রবিনেট "জো" বাইডেন
শপথ নিলেন ঢাকা সময় কাল রাতে । খুব উৎকণ্ঠা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রকৃতি যখন মাতাপিতা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৪



আমাদের গ্রামের দরিদ্র মামা-মামীর সংসারে বড় হওয়া এক কিশোরীর জীবনের কষ্টকর একটি রজনীর কথা।

আমাদের গ্রামের পশ্চিমপাড়া এলাকায় আমাদের একটা ছাড়া-বাড়ী ছিল; বাড়ীটি বেশ বড়; ওখানে কোন ঘর ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দুত্ববাদ ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের কন্ডম পরানো

লিখেছেন মুজিব রহমান, ২১ শে জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৮


উন্মুক্ত লিঙ্গ দেখে কারো অনুভূতিতে আঘিত লাগে না অথচ সেই লিঙ্গে কন্ডম পরানোতেই ধর্মানুভূতিতে প্রচণ্ড আঘাত লাগলো৷ বিষয়টি নিয়ে ক্ষেপে উঠেছে উগ্রপন্থী হিন্দুরা৷ কলকাতায় হইচই শুরু হয়েছে অভিনেত্রী সায়নী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×