বেশ দুইটি দিন। রাস্তাঘাটে বের হলে কেমন কেমন একটা ঈদ ঈদ ভাব চারদিকে। দোকান পাট বন্ধ, চারপাশে কোন লোক নেই। বাসভরতি অফিসগামী চিন্তিত মুখগুলোও উধাও। চায়ের দোকানগুলোতে বেশ একটা আনন্দমুখর ভাব। সবাই যে যার মত আনন্দিত মুখে খালেদা আপা- হাসিনা আপার মুন্ডুপাত করছে
১-হরতালের দিনে আগুনে পুড়ে মারা যাবার ভয়ে রাস্তায় নামছে না বিপুল পরিমান গাড়ি। এর ফলে ভয়াবহ পরিবেশ দূষনের হাত থেকে যেম্ন আমরা বেচে যাচ্ছি, ঠিক তেমনি এই ভয়াবহ জ্বালানী সংকটের সময়ে আমরা বিপুল জ্বালানী বাচাতে পারছি।
২-হরতালের দিনে পুরো সপ্তাহ জুড়ে গাধার ন্যায় খেটে যাওয়া চাকুরীজীবিরা বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের কমদক্ষতা।
বোনাস উপকার- অনেকেই আবার দীর্ঘ ছুটিটা ভালভাবে কাটানোর জন্য রাস্তার পাশের সিডির দোকান থেকে সিনেমা এনে টিভির দিকে তাকিয়ে থেকে পার করে দিচ্ছনে দিনটি। এর ফলে আমাদের দেশের সিনেমা শিল্পের ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা সাধ্ন হচ্ছে। (অবশ্য এতে কারোর কোন ধরনের লাভ হচ্ছে কিনা আমি সিওর না)
সর্বোপরি একটি ১৮+ উপকার। কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের মতে হরতালের ১০ মাস ১০ দিন পর আমাদের জনসংখ্যা বেড়ে যাবার একটা সম্ভাবনা দেখা দেয়। এর ফলে আমাদের দেশের জনসম্পদ বেড়ে যাচ্ছে।
এবার ভাই-ব্রাদাররা ভেবে দেখুন। হরতাল পালনের মাধ্যে দেশের এহেন বিপুল উন্নতি সাধন করবার পরও আমাদের খালেদা আপাকে ঠিক কী কারণে শান্তিতে নো-বেল পুরষ্কার দেয়া হচ্ছে না??
আপনারা কেউ না পেলেও আমি কিন্তু এতে বর্তমান অত্যাচারী...(এখানে একাধিক গালিগালজ বসবে, লিখতে লিখতে আমি ক্লান্ত হয়ে যাব বিধায় যে যার মত কল্পনা করে নিতে বলা হচ্ছে) সরকারের একটা সুক্ষ ষড়যন্তের আভাস পাচ্ছি...
কী ব্যাপার আপনারা পাচ্ছেন না??? ধুর মিয়া, বোঝা গেছে আপনারা সবাই নৌকার লোক...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

