"ক্ষুধার্ত এক ভিক্ষেরী মা" "একটি অতৃপ্ত আত্নার মৃত্যু"
৩১ শে মে, ২০১১ দুপুর ১২:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
চৈত্রের একদিন, সারাদিনের সর্বদিবসের প্রচন্ড খরো তাপ রৌদুরের পর এক অবসন্ন বিকেল। ক্লান্ত পরিশ্রান্ত মানুষেরা সবে নীড়ে ফেরার আয়োজন করছে। এক দুখিনি ভিক্ষেরী মা সেও ফিরছে। কিন্তু তার কোন নীড় নেই। সে সারাদিন ভিক্ষে করে পরিশ্রান্ত শরীর নিয়ে কিঞ্চৎ কে জন মানব শুন্য স্থান এর খোজে ঘুরছে। তার শীর্ণদেহ মলিন তার মখোচ্ছবি, জীর্ণ তার পরনের বেশ। শত কষ্ট সহ্য করে সে খুজছে এমন একটি স্থান যেখানে সে একমুঠো চাল একটি ভাঙ্গা হাঁড়িতে বসিয়ে অন্ন তৈরী করে খাবে। কারণ তার খুবই ক্ষুধা পেয়েছে। সারাদিন তার কোন অন্ন জোটেনি কোথাও। অনেক খোজা খুজির পর সে সামান্য জনশূন্য এবং একটি ফাকা জায়গায় তিন টুকরো ইটের উপর ত্রিভুজ আকৃতিতে তার সেই হাঁড়িটি বসিয়ে মনের আনন্দে কিছু জ্বালানী ঠেলছে ঐ ত্রিভুজ আকৃতির চুলোয়। তার আন্দন আর ধরেনা যেন কারণ সে একটু পরেই অন্ন খাবে পেট পুরে। হাঁড়ির ভেতরের সেই পানি ও চালের টগবগানী দেখে তার জ্বিহবা যেন বেরিয়ে আসছে তার হাঁড়ির সেই অন্ন প্রায়ই হয়েছে গেছে হটাৎ প্রবল বেগে বাতাস বইতে শুরু করল। ভিক্ষেরী মা তার জীর্ণ শাড়ির আচঁল দিয়ে তার চুলোটিকে ঘিরে নেবার চেষ্টা করছে। টপটপ দু এক ফোটা বৃষ্টি ও শুরু হল। দু একটি মানব যা ছিল আশে পাশে তারা গা বাঁচিয়ে নিরাপদে চলে গেছে। বাতাসটা যেন আরও জোর দিল বৃষ্টিটাও যেন বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দি্চেছ। ভিক্ষেরী মায়ের গা একটু একটু ভিজতে শুরু করল। তবুও সে থামেনি কাঁপতে কাঁপতে সে আর জোরে এবং বাতাসের সঙ্গে লড়াই করে তার চুলোটিকে সে ঢাকবার চেষ্টা করছে। বৃষ্টিটা খুব বেশি নয় তাই ভিক্ষেরী মায়ের গা খুব একটা ভেজেনি। হটাৎ ভিক্ষেরী বুড়ি মার জীর্ণ শাড়ির আচঁলে আগুন ধরলো বুড়ি মা চিৎকার করছে। কিন্তু কোন সাড়া নেই সর্বনাশা বাতাসের শব্দে তার আত্নচিৎকার মিশে গেল। হাঁড়ির অন্ন তখনও টগবগ করছে। ভিক্ষেরী মা চিৎকার করছে আর তার শরীর পুড়ে যাচ্ছে। চিৎকার করতে করতে এক সময় ভিক্ষেরী মা মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। ভিক্ষেরী মা গোংগাচ্ছে তার শরীরটা ঝলসে যাচ্ছে। ছটফট করতে করতে শেষ মুহুর্তে সে একবার হাঁড়ির অন্নগুলোর দিকে চেয়ে দেখলো এবং আস্তে আস্তে সে তার চোখ দুটো বুজলো। মৃত্যুই তাকে গ্রাস করল কিন্তু তার আর অন্ন গ্রাস করা হলো না। পড়ে রইল তার সেই ভাঙ্গা হাঁড়ির অন্নটুকু। হয়তো গ্রাস করবে সেই অন্ন পথের কোন লেউটে কুকুর। হায়রে নিয়তি.............................০১৭২২ ৭০ ৯০ ৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে। খুলনা...
...বাকিটুকু পড়ুনআমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,...
...বাকিটুকু পড়ুনমন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন