চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হয়েছিলো ছাত্রলীগকে নিরক্ষরমুক্ত করার অভিযান। ঐতিহ্যবাহী এ ছাত্র সংগঠনকে টেন্ডরবাজি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী এবং ছ্যাঁছড়ামি থেকে দূরে রাখতে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। পরের বছর ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এরই মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। বরাদ্ধকৃত অর্থ যাতে গচ্ছা না যায়, সে জন্য ২ মাস ব্যাপী শর্ট কোর্সের আয়োজন করা হয়। যার মাধ্যমে ছাত্রলীগ নেতাদের মেধা যাছাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
শর্টকোর্স শেষে অংশগ্রহণকারীদের মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়। এ যাত্রায় ভালো ফলাফল করলেও প্রকল্প কর্মকর্তারা ভরসা করতে পারেননি। পরবর্তীতে তাদের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা নেয়া হয়। ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মালবাহী ট্রাকের গায়ে লেখনী কার্যক্রমের দ্বায়িত্ব দেয়া হয় ছাত্রলীগকে। বেশ সফলতার সাথে এখানেও কৃতিত্বের ছাপ রাখে মেধাবী নেতারা।
শর্টকোর্সের সনদ বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রকল্প প্রধান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, “ছাত্রলীগ নেতাদের সফলতা দেখে আমি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। আমার বিশ্বাস এদেরকে দিয়ে দেশের যানবাহনের গায়ে লেখনী শিল্পের বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। রাষ্ট্রপতি কখনোই এ বিপ্লবকে ক্ষমা করতে পারবেন না।”
তিনি আরো বলেন, “ভবিষ্যতে আমরা ছাত্রলীগ নেতাদের বিদেশেও রপ্তানী করতে পারবো। আফ্রিকা অঞ্চলে এ ধরনের কাজের বিশাল সম্ভাবনা সৃষ্টি হলেও স্থানীয়ভাবে ওই অঞ্চলে এক্সপার্টের অভাব আছে।”
পরে ছাত্রলীগ নেতাদের অংকন করা একটি ট্রাকের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

সূত্র : Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


