তথ্যসুত্র : প্রথম আলো
রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে জামায়াতের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ সোমবার বিকেল চারটার কিছু আগে জামায়াত বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। এ সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন। পুলিশ মিছিলটিকে ছত্রভঙ্গ করতে শত শত টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ শান্তিনগর, পুরানা পল্টন, বিজয়নগর এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
কয়েক দিন আগে জামায়াত সংবাদ সম্মেলন করে ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রহসনের বিচার বন্ধ ও জামায়াতের শীর্ষ পাঁচ নেতার মুক্তির দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা লোকজন জানান, কাকরাইল মোড়ে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় জামায়াতে ইসলামী বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এর এক মিনিটের মধ্যেই পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। মিছিলকারীরা ইটপাটকেল, লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালান। এ সময় পুলিশ মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করার জন্য টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। আতঙ্কে সাধারণ লোকজন দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকাটি যানবাহনশূন্য হয়ে পড়ে। আর অলিগলিতে সৃষ্টি হয় যানজটের। জামায়াতের নেতা-কর্মীরা পুলিশের তিনটি ভ্যান ও মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় ১১টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। জামায়াতের নেতা-কর্মীরা কাকরাইলের পুলিশ বুথেও আগুন ধরিয়ে দেয়।
বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সংঘর্ষ থেমে যায়। পরে যান চলাচল শুরু হয়।
তথ্যসুত্র : কালের কন্ঠ
রাজধানীর কাকরাইল, বিজয় নগরে জামায়াতের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। কাকরাইলের আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সামনে বিকেল চারটার দিকে জামায়াতের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষে সাংবাদিক, পুলিশ, জামায়তকর্মী, সাধারণ পথচারীসহ প্রায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। জামায়াতকর্মীরা সাংবাদিকদের ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলেছে। বিভিন্ন চ্যানেলের গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে তারা । এ পর্যন্ত তারা ২০টিরও বেশি গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছেন তারা। এ সময় গুলির শব্দও পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দেড় শতাধিক টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে।
পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বেপরোয়া জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রধান বিচারপতির বাড়ির সামনে আইল্যান্ড ভাংচুর চালিয়েছে। সেখানে ডিবি পুলিশের প্রচুর সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।
এর আগে জামায়াতে ইসলামী একটি মিছিল বের করলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ লাঠি চার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। পুরো এলাকায় থেমে গুলির শব্দ শোনা গেছে।
জামায়তকর্মীরা রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে মিছিল করছে। এছাড়া তারা রাস্তার গাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুরও করেছে তারা। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন জামায়তকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



