শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি যে ---- মৃত্যু টি নিউ ইয়র্কে হওাতে বেঁচে গেছে বাংলাদেশের ৫০,০০০ ডাক্তার ও অনেক নামী দামি হাসপাতাল ----- যেগুলোর ইট তো দুরের কথা --- বালিও খুঁজে পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ। নিউ ইয়র্কের বেল ভিউ হাসপাতাল এখনও কোন আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবুও ইনফেকশন ই মৃত্যুর কারণ সন্দেহ নাই। আমাদের মিডিয়ার অব্যাহত আক্রমনাত্তক সংবাদ ও আমাদের নেতাদের (চিকিৎসক) অব্যাহত নীরবতা ও নিজেদের গায়ে থুথু ছিটানোর প্রবনতা কিভাবে দেশের কৃতি সন্তানদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়? প্রফেসর ফযলুল হোক, যাহিদুল হোক , শাহাদাত হোসেন , প্রফেসর আযাদ স্যার এরা প্রতিদিন কত কলন ক্যান্সার অপারেশন করেন আমাদের সাধারন মানুষের কি ধারনা আছে? নাই । এই দায়িত্ব কে নেবেন----- হুমায়ুন আহমেদের পোস্ট অপারেটীভ ইনফেক্সনে মৃত্যু বাংলাদেশের সব সারজনের মাঝে আফসোস তৈরি করে--------- কারণ আমরা তো মানুষ কেটে অপারেশন শিখি হাতে কলমে, এমেরিকান রা যে ডামই কেটে অপারেশন শিখে তা ---- আর তার খেসরত ও দি আমরা। কারণ আমাদের কাছে স্বদেশী ঠাকুর অপেক্ষা বিদেশী কুকু------------ অধিক প্রিয়।
দুঃখিত এখানে হুমায়ুন স্যার এর প্রসঙ্গ আসাতে। আমরা বিশ্বাস করি উনি যথাযথ চিকিৎসা পেয়েছেন। তবে উনি যদি আজ বাংলাদেশের হাসপাতালে মারা যেতেন তাহলে মনে হয় কোন ডাক্তার গালির হাত থেকে রেহাই পেত না।
ফেসবুক থেকে নেয়া।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


