এবার বগুড়ার শেরপুরে এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা দেবার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের এক শিশুকে নিয়ে গিয়ে তার লালশা চরিতার্থ করার অভিযোগ জানা গেছে। এঘটনায় স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার হামসাপুর এলাকার মুন্সিপাড়া দাখিল মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম একই প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী এবং এলাকার হতদরিদ্র আব্দুল মমিনের শিশু কন্যা মৌসুমী (১২)কে উপবৃত্তির টাকা পাইয়ে দেবার কথা বলে। এসময় তিনি মৌসুমীকে উপবৃত্তির টাকা পেতে হলে তার সাথে যেতে হবে এমন প্রস্তাব দিয়ে গত বৃহস্পতিবার সকালে ওই শিশুর মাতা হানুপা বেগম এর কাছে অনুমতি চায়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের সাথে যাবার বিষয়টি আপত্তির চোখে না দেখে ওই শিশুর মা এর্বং বাবা শিক্ষক আবুল কাশেমের সাথে মেয়ে পাঠিয়ে দেয়। এদিকে ঘটনার এক দিন পর শুক্রবার দুপুরে মৌসুমীতে তার বাড়িতে রেখে যায় শিক্ষক আবুল কালাম। এসময় মৌসুমী তার মায়ের কাছে লম্পট শিক্ষক আবুল কাশেমের লালশার শিকার হবার কথা বিস্তারিত জানায়।
সাংবাদিকদের কাছে ভুক্তভোগী পরিবারটি ঘটনার বিচার দাবি করে বিস্তারিত বনর্না করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। মৌসুমী জানায়, এসময় প্রথমে বাসে করে এবং পরে ট্রেনে করে তাকে দূরে কোথাও নিয়ে যায় শিক্ষকনামধারী নরপশু আবুল কাশেম। রাতে একটি ঘড়ে তাদের থাকতে দেয়া হয়। গভিড় রাতে শিক্ষক আবুল কাশেম তার লালশা চরিতার্থ করে বিষয়টি কাউকে না জানানোর কথা বলে এবং তাকে অর্থ পাইয়ে দেবার লোভ দেখায়। মৌসুমীর পরিবারের অভিযোগে আরো জানা গেছে শেরপুর পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের একজন মহিলা কাউন্সিলর তাদের বিভিন্ন ভয়ভীতি এবং অর্থ প্রদানের লোভ দেখিয়ে বিষয়টি চেপে যাবার কথা বলে।
এদিকে শুক্রবার বিকেলে আব্দুল মমিন শেরপুর থানায় বাদি হয়ে উল্লেখিত শিক্ষককে আসমী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যপারে শেরপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ আমিরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুজ্ঞ ব্যবসাথা গ্রহণ করা হবে। এদিকে শেষ খবর পর্যন্ত একটি প্রভাবশালী মহলের পক্ষে ঘটানকে অন্য খাতে প্রবাহিত করতে সচেষ্ট দেখা গেছে।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৯:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



