প্রথমে একটা ডিসক্লেইমার দিয়ে রাখি, আমি ভাস্কর্য ভালো বুঝিনা।আধুনিক ভাস্কর্য,চিত্রকলা এদের ব্যাপারে আমারে মুর্খ বলতে পারেন।কোনটা কিউবিজম কোনটা এক্সপ্রেসনিজম এইটা আমি বুঝিনা,কিছু কিছু অ্যবস্ট্রাকট আর্ট দেখলে আমার গা গুলায়।আমার কাছে ভালো সেইটা, যেইটা আমার চোখের জন্য ভালো।যেইটা আমি দেইখা বুঝতে পারি ওইখানে কি আঁকা।অবশ্য আমার ভালো লাগা না লাগায় কিছু যায় আসেনা।
এইবার আসল কথায় আসি,বাঙলাদেশ সরকার মেহেরপুর মুজিব নগর কমপ্লেক্সের ভাস্কর্য গুলো ভেঙ্গে নতুন করে তৈরী করতে নির্দেশ দিয়েছে।কি কারন? কারন সেগুলো যাদের প্রতিকৃতি সেগুলো দেখতে তাদের মত নয়।এই সব ভাস্কর্য শিল্পি কারা?
ওই দিন সার্ক ফোয়ারার সামনে দিয়ে আসছি, দেখি একটা ভাস্কর্য,বাঘের।আমি আপনাদের কে নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমি নিজে এর চেয়ে ভালো বাঘ বানাতে পারবো,আপনি নিজেও পারবেন।মনে হচ্ছিল চার পায়া একটা সিমেন্টের বেন্চ,তাতে ডোরাকাটা হলুদ কালো রঙ মেখে দাড় করানো হয়েছে।এটা কাদের কান্ড জানিনা তবে ওই জায়গাটা নষ্ট করার অধিকার তাদের কে দিল!আসলে বাঙলাদেশের চারুকলা থেকে আসলে ভাস্কর্যের নামে কি শেখানো হচ্ছে।
বাঙলাদেশের অধিকাংশ ভাস্কর্য এমন,বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে,দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জঘন্য শিল্পকর্ম গুলো বছরের পর বছর ধরে দাড়িয়ে আছে।
আমার দাবি মুজিব নগর কমপ্লেক্সের মত এগুলাও পুন:নির্মান হউক ।চারুকলার কাউকে দিয়ে নির্মানের পরিবর্তে যারা পুজা মন্ডপে মুর্তি নির্মান করে তাদের দিয়ে প্রতিকৃতি ভাস্কর্যগুলা তৈরী হউক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

