এক জন ব্লগারের কান্ড কারখানা দেইখা বহুল পরিচিত একটা গল্প মনে পড়ল।
গল্পটা হইল এক সুন্দরীর,তার উথাল পাথাল যৌবন।সবাই তারে নিয়া কথা কয়, তারে নিয়া কবিতা লেখে, হাত তালি দেয়।তাতে সে খুব আমোদ পায়, হই হই কইরা তার স্বপ্নের মত দিন কাটতে থাকে।তারে কে ভাল বল্ল বা খারাপ বল্ল এইটা তার কাছে কোন বিষয় থাকেনা, সে আলোচনায় আছে কিনা এইটা তার কাছে আসল ব্যাপার মনে হইতে থাকে!
এইভাবে অনেক গুলা দিন আর অনেক গুলা রাত পার হইলো, মেঘে মেঘে অনেক বেলা হইল।বয়সের নিয়মে তার চোখের চারপাশ কুচকাইল, গাল তুবড়াইল, শরীরের বিভিন্ন জায়গার চামড়া ঝুলতে লাগল।হায় তারে নিয়া এখন কোন আলোচনা নাই,ফিস ফাস নাই, হাত তালি নাই।
হঠাৎ তার মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো ।
সে তার পরদিন, সদর রাস্তায় গিয়া ন্যাংটো হইয়া দাড়াইল।সে ভাবলো এতে ভারি মজা হবে, লোকজন তার দিকে হা করে তাকায়া থাকবে,তাকে ঘিরে ভারি শোরগোল হবে, আলোচনা হবে কিন্তু ব্যাপার টা করতে গিয়া সে নতুন বিড়ম্বনায় পড়লো, লোকজন পাগল ভেবে একবার তাকিয়েই চোখ ফিরায়ে নিল আর কিছু শয়তান পোলাপান তারে ঢিল মেরে মোটামুটি ভালই শিক্ষা দিয়ে দিল,শুধু তাকে সঙ্গ দিল তার মতই কিছু নাঙা কুকুর।তারা তার পাশে দাড়ায়া তারা ঘেউ ঘেউ করল খানিকক্ষন!
সে ভাবল এভাবে না, এবার সে অন্যভাবে চেষ্টা করলো।খুব ভোরে ঠিক লোকজন চলাচলের মুহুর্তে রাস্তার মাঝখানে প্রাকৃতিক ক্রিয়া সেরে আসল।এর ফলে তার উদ্দেশ্য পূর্ন হইল।যারা ঐ বস্তুটি দেখল তারা প্রত্যকেই নাক মুখ কুচকাইয়া তাকে গালা গাল দিতে লাগল।
আর বিগত যৌবনা সুন্দরী তাতে দারুন উৎসাহ পাইল আর প্রতিদিন একই কান্ড ঘটাইয়া লোকজনের দৃষ্টি আকর্ষন করতে লাগলো।
গল্পের মোরাল: এই গল্পের মোরাল কিংবা নায়কের নাম নিতে গুরুর নিষেধ আছে, মুখে উচ্চারনও পাপ!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

