জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম রাজনীতির এক গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস আছে। এখানে অন্যায়ের প্রতিবাদে বাম সংগঠন গুলোর অনেক ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময় গুলোতে বাম সংগঠনের শিক্ষকগুলো তাদের আদর্শের বিষয়ে কিছুটা সঠিক থাকলেও নেই সংগঠন গুলোর ছাত্রারা।
ছাত্রফ্রন্ট
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে বাম ছাত্র সংগঠন ছাত্র ফ্রন্ট এর নেতৃত্ব দেন সভাপতি নাসির উদ্দিন প্রিন্স ও সাংগাঠনিক সম্পাদক মৈত্রী বর্মন। এদের ভূমিকা ক্যাম্পাসে এখন খুবই বির্তকিত। বিশেষ করে মৈত্রির সে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার হবে এ আশায় বামের শিক্ষকদের সাথে কোন রুপ সম্পর্ক না রেখে সাবেক বির্তকিত উপাচার্যের মদদপুষ্ট শিক্ষক আমির হোসেনর কথায় উঠা-বসা করেন। শুধু তাই নয়। সাবেক উপাচার্য শরীফ এনামুল কবিরের নিকট হতে টাকা নেবার অভিযোগও আছে তার উপর।
ছাত্র ইউনিয়ন
ছাত্র ইউনিয়ন ও একই ভাবে রাজনীতি পরিচালনা করছে ক্যাম্পাসে তারা ক্যাম্পাসে অন্যায়-অপকর্মের প্রতিবাদ না করে যারা অন্যায় করছে তাদের সাথে হাত মেলাতেই এখন ব্যাস্ত। কিছুদিন আগে তেমনই দেখা গেছে ছাত্র সংগঠনটির সভাপতির ভূমিকায়। সে শরীফ এনামুল কবির বিরোধী আন্দোলনে নামেননী তার অসুস্থতার কথা বলে। অথচ তিনি ছিলেন সুস্থ। মূল কথা হচ্ছে তার দুলাভাই ছিলেন সে সময়ে ক্যাম্পাসের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর যাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন শরীফ এনামুল কবির। দুলাভাই তাকে প্রলোভন দেখিয়েছিল যে তাকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেবে। সে জন্য সে শরীফ এনামুল কবির বিরোধী আন্দোলনে মাঠে নামেননি। পরে অবশ্য ছাত্র সংগঠটির সেক্রেটারির নেতৃত্বে ছাত্র ইউনিয়ন মাঠে নেমে ছিল।
আমার কথা গুলো যদি আপনাদের বিশ্বাস না হয় তবে একটা ঘটনা আমি আপনাদের কাছে তুলে ধরে তাহলে আপনাদের অবশ্যই বিশ্বাস হবে যে কথা গুলো কতটা যোক্তিক।
গত ১২-০৭-২০১২ তারিখে মানস চৌধুরী ও আনু মুহাম্মদ স্যার ক্যাম্পাস থেকে কিছু ব্যানার ছিড়ে ফেলেন যে ব্যানার গুলো ছিল মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমারা নামের একটি শিক্ষক সংগঠনের যে সমস্ত শরীফ এনামুলের সময়ে অবৈধ ভাবে নিয়োগ হাতিয়ে নিয়েছেন। এবং তাদের কেউ বাম রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। এটা শরীফ এনামুল কবির ইচ্ছা করে করেছেন কারন তিনি যানেন ক্যাম্পাসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন বাম রাই সে জন্য তিনি তাদের নিয়োগ না দিয়ে এদের কে নিয়োগ দিয়েছেন যাতে তিনি অন্যায় করলেও কোন প্রতিবাদ না হয়। নাসিম আখতার হোসাইন হচ্ছেন ক্যাম্পাসে নির্যাতন নিপিড়ন বিরোধী শিক্ষক সমাজের আহবায়ক। যারা নাকি নাসিম আখতারের বিচার চেয়ে আন্দোলন করছিল তাদের দাবি তিনি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছিল মিডিয়াতে কিন্তু সে গুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট কারন নাসিম আখতার মিডিয়ার সামনে কথা বলার আগেও তাদের নিয়োগের বিষয়ে প্রশ্নবোধক চিহৃ দিয়ে পত্রিকায় রিপোর্ট হয়েছে। এসমস্ত মিথ্যাবাদীরা যখন নাসিম আখতারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে তখন বাম ছাত্রসংগঠনের নেতারা নিশ্চুপ। ক্যাম্পাসে আনু মুহাম্মদ ও মানস চৌধুরীর মত শিক্ষকরা ব্যানার ছিড়তে পারে কিন্তু ছাত্রনেতার মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আমরা নামক ভুয়া সংগঠনের বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ মিছিল করতে পারেনা। করবেও বা কিভাবে তারা কেউ শিক্ষক হওয়ার আশায় কেউ বা টাকা পেয়ে মহাখুশি। সে জন্য ব্লগে যে সমস্ত বাম বন্ধুরা এসব ছাত্র সংগঠন গুলোকে উপর থেকে নিয়ন্ত্রন করেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ জাহাঙ্গীরনগর সমাজতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী একটা ক্যাম্পাস এ ক্যাম্পাসে যাহাতে সমাজতান্ত্রিক টিকে থাকে সে ব্যাবস্থা করুন এবং যারা আপনাদের প্রতিনিধি হয়েও অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে টাকার বিনিময়ে অথবা শিক্ষক হওয়ার আশায় তাদের কে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর হিসাবে ফিরিয়ে আনুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



