গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর আরো একটি বিধ্বংসী অভিযান এখন প্রায় চূড়ান্ত। ইতিমধ্যে গাজায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে। স্থল অভিযানের জন্য গাজা সীমান্তে জড়ো হয়েছে ৭৫ হাজার সেনা।
ইসরাইল রক্তক্ষয়ী এই সংঘাতের সূচনা করেছে হামাসের সামরিক প্রধান আহমেদ আল-জাবারিকে হত্যার মধ্য দিয়ে। বিমান হামলা থেকে রক্ষা পায়নি ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়ার কার্যালয়ও।
ইতিমধ্যে ইসরাইলি বিমান হামলায় গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে হামাস ও গাজার পুলিশ সদর দপ্তরও। ইসরাইলের হামলায় এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ শহীদ হয়েছেন অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি। বন্দুকযুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে গাজা সীমান্তে।
ইসরাইল সর্বশেষ গাজা আগ্রাসন চালিয়েছে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে। ২১ দিনের রক্তক্ষয়ী ওই যুদ্ধ শেষ হয় ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে। এতে ১৪শ’ ফিলিস্তিনি শহীদ। শহীদ ৯৩০ বেসামরিক ফিলিস্তিনির অধিকাংশই ছিল নারী ও শিশু।
সম্প্রতি জনপ্রিয়তা কমে আসায় তা পুনরুদ্ধারে ইসরাইলের নেতানিয়াহু সরকার গাজায় আগ্রাসন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। দেশটির একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জনপ্রিয়তায় ধস ঠেকাতেই ট্রিগারে হাত’।
কায়রোর আমেরিকান ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল-আশাল বলেন, ২০০৮ সালে গাজায় আগ্রসনের সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন নেতানিয়াহু। ভোটররা মনে করেছে, তাদের নিরাপত্তায় অনেক কিছু করা হচ্ছে। আর সামনের নির্বাচনকে সামনে রেখেও একই কৌশল নেয়া হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


