somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান ২ --তথ্যটি শেয়ার করে হয়তো আপনিও কারো জীবন বাঁচাতে পারবেন :)

১১ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিজের ও প্রিয় মানুষদের স্বার্থে, কিছুটা সময় নিয়ে পড়ুন ও কাছের মানুষের সাথে শেয়ার করুন!

আসুন সবাই মিলে মিশে সুস্থ্য থাকি! :)

খালি পেটে পানিসেবনঃ

জাপানে প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে পানি পান করাটা একটি চল। বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকেও এর উপকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অনেকদিন ধরে পুষে রাখা পুরোনো এবং আশংকাজনক রোগের পাশাপাশি, আধুনিক যুগের আবিষ্কৃত রোগের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতিকে সফল হিসেবে প্রমাণ করেছে জাপানিজ মেডিক্যাল সোসাইটি। তাদের দাবী অনুযায়ী, উক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে নিম্নবর্ণিত রোগসমূহ হতে সম্পূর্ণভাবে নিস্তার পাওয়া সম্ভবঃ

মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, হৃদযন্ত্র সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, দ্রুত হৃদস্পন্দন, মৃগীরোগ, স্থূলতা, যক্ষ্মা, টিউবারকোলসিস (টিবি), মেনিনজাইটিস, কিডনী ও মূত্রথলী সংক্রান্ত সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক, ডায়রিয়া, বহুমূত্র (ডায়বেটিকস), কষা পায়খানা, চক্ষু সমস্যা, ক্যান্সার, নারীদের ঋতুজনিত সমস্যা, নাক-কান-গলার সমস্যা ইত্যাদি।

চিকিৎসা পদ্ধতিঃ

১/ প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে বাসিমুখে ৪X১৬০= ৬৪০ এমএল অথবা স্ট্যান্ডার্ড মাপের তিন গ্লাস পানি পান করবেন। (পানির ছোট বোতলগুলো সাধারণত ৫০০ এমএল তরল ধারণ করে)

২/ দাঁত মেজে মুখ পরিষ্কার করুন, কিন্তু পরবর্তী অন্তত ৪৫ মিনিট কিছু পান/খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৩/ ৪৫ মিনিট পরে স্বাভাবিক ভাবে খেতে/পান করতে পারেন।

৪/ দিনের মূল খাবার (সকালের নাস্তা/দুপুরের খাবার/রাতের খাবার) শেষ হবার ১৫ মিনিট পর থেকে অন্তত পরের দুই ঘন্টা কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৫/ অসুস্থ এবং অপারগ ব্যক্তিরা হয়ত তিনগ্লাস পানি একসাথে খেতে নাও পারতে পারেন। তারা অল্প পানি দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে পরিমাণ বাড়াতে পারেন।

৬/ এই পদ্ধতিতে জীবনযাপন করলে অসুস্থরা খুব দ্রুত আরোগ্য পাবেন এবং সুস্থ্য মানুষেরা স্বাস্থ্যকর জীবন উপভোগ করতে পারবেন।

নিচে একটি ছোট্ট তালিকা দেয়া হলো যে, উক্ত চিকিৎসার ফলে কোন কোন রোগ কতদিনে সেরে/ নিয়ন্ত্রণে/কমে যায়ঃ

১/ উচ্চরক্তচাপ (৩০ দিন)
২/ গ্যাস্ট্রিক (১০ দিন)
৩/ বহুমূত্র/ডায়বেটিকস (৩০ দিন)
৪/ কষা পায়খানা (১০ দিন)
৫/ ক্যান্সার (১৮০ দিন)
৬/ যক্ষ্মা (৯০ দিন)
৭/ আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য উক্ত চিকিৎসাপদ্ধতি, ১ম সপ্তাহে তিন দিন, ২য় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন।

এই চিকিৎসার পদ্ধতির কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, যেহেতু মানবদেহের প্রায় ৫৫%-৭৮%-ই হচ্ছে পানি। এই পদ্ধতি অবলম্বনের শুরুর দিকে হয়তো আপনার বেশ কয়েকবার প্রস্রাবের বেগ পাবে, যা খুবই স্বাভাবিক। এতে ভয়ের কিছুই নেই। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল এটা কমবেশি আমরা সবাই-ই জানি।

আসুন, আমরা এই সকালে পানিপানের পদ্ধতিটিকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে বরণ করে নিই, এবং সুস্থ্য থাকি।

চাইনিজ ও জাপানিরা সাধারণত তাদের খাবারের সাথে গরম চা অথবা উষ্ণ পানীয় পান করে। তারা কিন্তু, খাবারের সাথে ঠাণ্ডা পানীয় পান করে না, যদিও তা অনেকাংশে বেশি আনন্দদায়ক। কিন্তু কেন??? কখনো কি প্রশ্ন জেগেছে মনে???

আপনি যখন দিনের একটি প্রধান খাবারের মাঝে/শেষে ঠাণ্ডা পানি/পানীয় পান করেন, তখন তা আপনার পাকস্থলির ভেতর গিয়ে সদ্য গ্রহণ করা স্নেহজাতীয় পদার্থ (যেমনঃ তেল, ঘি, মাখন, বাদাম ইত্যাদি) গুলোকে জমিয়ে শক্ত করে ফেলে, যা কিনা আপনার পরিপাকক্রিয়ার গতি ধীর করে ফেলে।

এই জমে যাওয়া স্নেহপদার্থগুলো যখন আপনার পাকস্থলি ও অন্যান্য পরিপাকযন্ত্র হতে নিঃসরিত এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে, তখন এগুলো খুব দ্রুত ভেঙ্গে গিয়ে পাকস্থলি ও অন্ত্রের বিভিন্ন স্থান দ্বারা শোষিত হয়ে শরীরে জমে যায়। অল্পসময়ের মধ্যেই তারা চর্বিতে পরিণত হয় এবং ধীরে ধীরে ক্যান্সারে পরিণত হবার দিকে এগিয়ে যায়।

এজন্যে খাবারের পরে গরম স্যুপ অথবা উষ্ণ পানি পান করাই উত্তম।

হার্ট এটাক বিষয়ে জরুরি কিছু কথাঃ

- হার্ট এটাকের উপসর্গ যে শুধু বামবাহু’র ব্যথা করা, তা নয়,

- চোয়ালের প্রচণ্ড ব্যথাও একটি উপসর্গ।
- হার্ট এটাক হবার সময় প্রাথমিক পর্যায়ে বুকে ব্যথা না-ও হতে পারে।
- বমি করা এবং প্রচণ্ড ঘাম হওয়া খুবই সাধারণ একটি উপসর্গ।
- ৬০ শতাংশ মানুষ যারা ঘুমের মধ্যে হার্ট এটাক করেন, তারা জেগে উঠতে পারেন না। যদিও চোয়ালের ব্যথার কারণে ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে।

সাবধান থাকুন। সুস্থ্য জীবন যাপন করুন। শত ব্যস্ততার মাঝেও দিনে ১০-১৫ মিনিট সময় খুঁজে নিয়ে ফ্রিহ্যাণ্ড ব্যায়াম করুন।

আজ আপনি অনেক কিছু জানলেন। আপনার প্রিয়জনদের মাঝেও ছড়িয়ে দিন এই অতিপ্রয়োজনীয় জ্ঞানের আলো। সবাই-ই যদি আমরা জানতে পারি, অন্তত যদি একজন মানুষের জীবনও বেঁচে যায়, সেই সাফল্য আমাদের সবার।
(ফেসবুক হতে সংগৃহীত )
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×