somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চলে গেলেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব সরকার ফিরোজ

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সরকার ফিরোজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর শ্যামলীর একটি হাসপাতালে মারা যান। উনার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

কিছু শৈশব স্মৃতির কথা মনে পড়ে গেল খবরটা পড়ে। আমাদের স্কুলবেলায় বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ছিল বিটিভি। সেই সময়ে বিটিভির নাটক, ম্যগাজিন অনুষ্ঠান এবং ইংলিশ টিভি সিরিয়ালগুলো ছিল দারুন জনপ্রিয়। হুমায়ুন আহমেদের ধারাবাহিক নাটকগুলো ছিল সবচাইতে জনপ্রিয়। ঢাকার রাস্তা ফাকা হয়ে যেত তার নাটক চলাকালীন সময়ে।পুরো পরিবার একসাথে ড্রয়িং রুমে বসে টিভিতে নাটক দেখত। আজকের হাজারো চ্যানেল বা ইন্টারনেট এর যুগে কি এরকম কোন দৃষ্য কল্পনাও করা যায়?

সেই সময়ে ইংলিশ টিভি সিরিয়ালগুলোও ছিল তুমুল জনপ্রিয়। ম্যক গাইভার , ডালাস, নাইট রাইডার, বিল কসবি শো , ফ্যমিলি, টাই্‌স, মিয়ামি ভাইস, রুটস ইত্যাদি সিরিয়ালগুলো ছিল তরুন তরুনীদের আড্ডার অন্যতম টপিক। তবে সবচাইতে বোরিং ছিল মনে হয় সংবাদ । সাহেব, বিবি গোলামের সংবাদ বলা হত তখন। কিন্ত বাসায় বাবার কড়া নির্দেশ ছিল যে রাত দশটার ইংরেজী সংবাদ দেখতেই হবে। পড়াশোনা করেছি বাংলা মিডিয়াম স্কুলে।তাই বাবার এক কথা ছিল যে, ভাল উচ্চারনের ইংরেজী শিখতে চাইলে ইংরেজী সংবাদের বিকল্প নাই। শুধু ইংলিশ টিভি সিরিয়াল দেখে নাকি সেটা কোনভাবেই রপ্ত করা সম্ভব নয়।প্রথম প্রথম খুবই বিরক্তি নিয়ে বসতাম ইংরেজী সংবাদ দেখতে। তবে বাংলাদেশের খবর পাঠের পর শুরু হত আন্তজাতিক খবর ও সব শেষে খেলাধুলার খবর। আমরা আন্তর্জাতিক খবর পাঠ শুরু হতেই টিভির সামনে বসে যেতাম এবং পুরো খবর শেষ করতাম।

আজ এত বছর পর সব পাঠক পাঠিকার নাম মনে নেই। তবে বিশেষ করে মনে পড়ে সরকার ফিরোজ ও শামীম আহমেদের নাম। এই দুইজনের খবর পাঠ ছিল অসম্ভব আকর্ষনীয়। একটা সময় মনে আছে যে বড় হয়ে এরকম সংবাদ পাঠক হতে চাইতাম।

শ্রদ্ধার মানুষগুলো চলে যাচ্ছে বহুদুর যেখান থেকে আর ফিরে আসার অবকাশ নেই। যেখানেই থাকুক ভাল থাকুক ঐ দূর আকাশের নক্ষত্র হয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২০
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন মায়াবতী

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২০




আষাঢ় মাসের অতি মনোমুগ্ধকর এক সন্ধ্যা।
রাত প্রায় নয়টা। আমি বলাকা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটা হোটেলে ভাত খেতে ঢুকেছি। হোটেলের নাম- তাজমহল রেস্টুরেন্ট। তাজমহল হোটেলের পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জয় চেরনোবগ"

লিখেছেন উদাসী স্বপ্ন, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৫৯


ইউরোপের অনেক রেস্টুরেন্টের বারে ফানবোর্ডে লেখা থাকে "ড্রিংক বিয়ার সেভ ওয়াটার"। এই লেখাটা প্রথমবার দেখে বেশ হাসি আসলেও বারটেন্ডার যখন বললো আফ্রিকার অনেক দেশে বিশুদ্ধ পানির দাম বীয়ারের চেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভৌতিক কাহিনী - জ্বীন সাধনা [প্রথম পর্ব]

লিখেছেন নীল আকাশ, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:১৩



ভর দুপুরবেলা। রিক্সা থেকে নেমেই তাড়াহুড়া করে কুরিয়ার সাভির্সের একটা দোকানে ঢুকল রুমি। ছোট কাগজে লেখা একটা গোপন নাম্বার দেখাতেই দোকানদার ওর হাতে একটা মাঝারি সাইজের প্যাকেট তুলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা)-২

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

বিভিন্ন সময়ে তোলা ক্যানন ক্যামেরার ছবি। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের ।



হীম পড়েছে তো হয়েছেটা কী-টক খেতে কী মানা
পকেট থেকে বের করো তো পয়সা দু'আনা,
কিপটে মানুষ ফাঁকি বাজি-কত কিছু জানো
যেমন করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিরল কাঁটার বাতাস

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪০


আমার গাড়িতে একটা লাশ। আমি গাড়িটা চালিয়ে যাচ্ছি। হ্যাঁ, আমিই বহন করে নিয়ে যাচ্ছি লাশটাকে। লাশটা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে না। একজন মানুষ যখন মারা যায়, তার রক্ত, বীর্য, ঘাম,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×