somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভীন দেশে সম্মানিত কিন্ত নিজ দেশে নিগৃহীত এক ব্যক্তি- ডঃ ইউনুস

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উন্নত বিশ্বে আত্মহত্যার হার দরিদ্র দেশের তুলনায় বেশী। এর পেছনে নানাবিধ কারন কারন থাকলেও একটি কারন হচ্ছে ঋনখেলাপী হয়ে বিষয় সম্পত্তি সব হারিয়ে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া। উন্নত দেশে ব্যংকগুলো ক্রডিট দেয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে। বিড়াট অংকের লোন মুলত ব্যবসায়ীরা নিয়ে থাকে ব্যবসায় খাটানোর উদ্দেশ্যে। তবে এ ছাড়াও অনেকে ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমান লোন নিয়ে বিলাশবহুল গাড়ী, কন্ডোমিনিয়াম ইত্যাদি কিনে সমাজের ধনীর তালিকায় নাম লেখায়। চাকুরি যতদিন থাকে ততদিন মাস শেষে লোনের কিস্তি দেয়াতেও তেমন সমস্যা হয় না। সমস্যা হয় তখনি যখন অনাকাংখিত বিড়াট কোন বিপদ এসে হাজির হয়। হয়ত বিশাল বেতনের চাকুরি করেন আপনি, কিন্ত কোন কারনে সেই চাকুরি চলে গেলে যে সহজেই সেই একই মানের আরেকটা চাকুরি পাবেন তার কোন নিশ্চয়তা নেই। অথবা ব্যবসায় খেলেন বিড়াট লস। আপনি যেই বিপদেই পড়েন না কেন সেটা আপনার একান্তই নিজস্ব বিপদ। লোন ডিফল্টার হলে ব্যাংক আপনাকে নির্দিষ্ট একটি সময় দেবে কিন্ত সেই সময়সীমা পার হয়ে গেলে তারা আপনার যাবতীয় সম্পত্তি ক্রোক করে নেবে। এক ধাক্কায় ধর্নাঢ জীবনযাপন থেকে একেবারে রাস্তায় নেমে আসার এই প্রক্রিয়া এত সহজ কোন ব্যপার নয়। ধাক্কা সামলাতে না পেরে অনেকের উচু তলা বিল্ডিং থেকে ঝাপিয়ে পড়ার খবর প্রায়শই পত্রিকায় ছাপা হয়।

এই অবস্থার জন্য আপনি কাকে দোষ দেবেন, ব্যাংক না কি সেই প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে যে অগ্র পশ্চাৎ বিবেচনা না করে নিজেকে এই ধরনের পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে? আপনার বিবেচনায় যদি এর দায় ব্যাংকের মনে হয় তাহলে আপনার কাছে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো অবস্য খুবই মহান বলে বিবেচিত হবে। কারন এদেশে ঋনখেপালপীরা আত্মহত্যা করে না। বড় বড় ঋনখেলাপীরা এই দেশে নির্বাচনে দাড়ায়। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে প্রতিদিন এদেশের ব্যাংক থেকে লোপাট হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। রেমিটেন্সের কারনে কোন মতে ধুকে ধুকে এখনও বেচেঁ আছে ব্যাংকগুলো। খেলাপি ঋণ দেশের অর্থনীতির জন্য এক অভিশাপের নাম। কিন্ত এসব নিয়ে লেখালেখি তেমন একটা হয় না ।কারই বা দায় পরেছে এইসব নিয়ে লিখে কারো রোষানলে পড়ার!!

কিন্ত কাউকে না কাউকেতো বলির পাঠা বানাতেই হবে। ডঃ ইউনুসের চেয়ে বড় বলির পাঠা আর কে আছে এই দেশে।আর তাইতো ডঃ ইউনুসের গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে নানান অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডা চালু আছে এই দেশে। বিভিন্ন সময়ে গ্রামীন ব্যংক কতৃপক্ষ ও প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদেরা সেইসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।সেগুলোর খানিকটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

গ্রামীণ ব্যাংক দেশের পল্লী অঞ্চলের ভূমিহীন দরিদ্র নারী-পুরুষদের জন্য ঋণ সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্যাংক অধ্যাদেশ, ১৯৮৩-এর অধীনে একটি কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে ঐ বছরের অক্টোবর মাসে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষ ধরনের ব্যাংক। গ্রামের ভূমিহীন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নির্ভরযোগ্য উপায়ে জামানতবিহীন ঋণ প্রদানের উপযোগিতা ও সাংগঠনিক কাঠামোর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে জোবরা গ্রামে গ্রামীণ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। দরিদ্রদের, বিশেষত মহিলাদের সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করলে তারা উৎপাদনমুখী আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম কি-না এ সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করাও গ্রামীণ প্রকল্পের অপর একটি উদ্দেশ্য ।নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ভূমিহীন দরিদ্র জনগণকে আয় সৃষ্টিকারী ও জীবিকানির্ভর নানাবিধ কাজের জন্য নগদ অর্থ অথবা উৎপাদনের উপকরণ হিসেবে জামানতবিহীন ঋণদান করাই গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কাজ। ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংক পল্লী অঞ্চলের ভূমিহীন ও অশিক্ষিত নারীদেরকে নিজস্ব ব্যবসায়, অন্যান্য আয়সৃষ্টি ও আয়বর্ধক কার্যাবলি হাতে নেওয়া ও চালানোর সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়। এতে দরিদ্র মহিলারা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনে কিছুটা স্বাধীনতা, আত্মনির্ভরশীলতা, আত্মমর্যাদা এবং সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষমতা লাভ করে। বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণের গ্রামীণ মডেল বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশসহ আমেরিকা, কানাডা, জার্মানি এবং ফ্রান্সের মতো উন্নত দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণ/হ্রাসে ব্যবহূত হচ্ছে। ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পদ্ধতি দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য একটি কার্যকর ও ফলপ্রসু মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি স্বরূপ প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে। (উইকিপিডিয়া থেকে)

গ্রামীন ব্যাংক সম্পর্কে অপপ্রচার চালানো হয় যে এই ব্যাংক থেকে ঋন নিয়ে প্রচুর দরিদ্র মানুষ ঘর বাড়ী, ঘটি বাটি বিক্রি করে ঋন শোধ করছে এবং অনেকে ঋন শোধ করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে । গ্রামীন ব্যাংক ঋন দেয় আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য , ব্যক্তিগত খরচ মেটানোর জন্য নয়। এই ব্যাংকে ঋন পেতে হলে আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম কি-না এ সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করেই ঋন দেয়া হয়। এখন কেই যদি আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে টাকা না খাটিয়ে , ব্যক্তিগত খরচ মিটিয়ে ঋনগ্রস্ত হয়ে পড়ে , তাতে ব্যংক কতৃপক্ষের দায় কেন থাকবে?

গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে সবচেয়ে বহুল উচ্চারিত অপপ্রচার হচ্ছে এর সুদের হার বেশি
। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে গ্রামীন ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তি জারীর মাধ্যমে জানায় যে , ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক রাষ্ট্রীয় সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ সুদের হার ঠিক করেছে ২৭%। আর গ্রামীণ ব্যাংকের সর্বোচ্চ সুদের হার উৎপাদনশীল খাতে ২০%, অন্য খাতগুলোতে যথাক্রমে ৫%, ৮% ও ১০%। গ্রামীণ ব্যাংকে ৫ ধরনের ঋণ কার্যক্রমের জন্য ৫ ধরনের সুদের হার প্রচলিত রয়েছে। এই ঋণ কার্যক্রমগুলোর সুদের হার নিম্নরূপ:
(১) উপার্জনশীল খাতে ঋণের সর্বোচ্চ সুদ ২০%। ১০০০ টাকা ঋণ নিলে এক বছরে সাপ্তাহিক কিস্তিতে এ ঋণ পরিশোধ করলে মোট পরিশোধ করতে হয় ১১০০ টাকা। অর্থাৎ এক হাজার টাকার ঋণের ওপর বছরে মোট ১০০ টাকা সুদ। মূল টাকার ওপর ফ্ল্যাট রেটে মাত্র ১০% সুদ দিতে হয়। সাপ্তাহিক কিস্তিতে পরিশোধ করা হয় বলে এ ঋণের কার্যকর সুদ ২০%। (২) গৃহ নির্মাণের জন্য ঋণ নিলে সুদ দিতে হয় ৮% হারে। (৩) সদস্যের ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ঋণ নিলে শিক্ষা চলাকালীন কোনো সুদ চার্জ করা হয় না। শিক্ষা সমাপ্তির পর ৫% হারে সুদ চার্জ করা হয়। (৪) গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদেরও ঋণ দেয়। এ ঋণ সুদবিহীন। (৫) সদস্যদের কেন্দ্রঘর নির্মাণের জন্য যে ঋণ দেয়া হয় সেটাও সুদবিহীন।
গ্রামীণ ব্যাংক জানিয়েছে , ‘‘উল্লেখ্য যে, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরআই) আইন, ২০০৬ এর আওতায় প্রণীতব্য বিধিমালার খসড়া বিষয়ে ৪ এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণীর ৫ অনুচ্ছেদে এই মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের সাধারণ ক্ষুদ্রঋণের বর্তমান কার্যকর বার্ষিক সুদের হার ২০% (যা ফ্ল্যাট পদ্ধতিতে ১০%)। ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য এমআরআই কর্তৃক নির্ধারিত সর্বোচ্চ সুদের হার ধার্য করা হয়েছে ২৭%। গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ সুদের হারের চাইতে ৭% কম।’’
গ্রামীণ ব্যাংক জানিয়েছে , ‘‘আরো উল্লেখ্য যে, গ্রামীণ ব্যাংক জন্ম থেকেই তার গ্রাহকদের ঋণের ক্ষেত্রে ডিক্লাইন ব্যালেন্সের ওপরই সুদ ধার্য করে আসছে। অর্থাৎ গ্রামীণ ব্যাংক কখনই পরিশোধিত ঋণের ওপর সুদ ধার্য করে না। অধিকন্তু ঋণের ক্ষেত্রে গ্রামীণ ব্যাংক সব সময় সরল সুদ হিসাব করে; অর্থাৎ চক্রবৃদ্ধি সুদ হিসাব করে না। গ্রামীণ ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতিতে মূল ঋণ এবং আদায়যোগ্য সুদের হিসাব পৃথক খাতে সংরক্ষণ করা হয়। এ ক্ষেত্রে কখনই সুদকে মূল ঋণের সাথে একীভূত করা হয় না। তাছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ কোন অবস্থাতেই মূল টাকার বেশি হতে পারে না। ঋণগ্রহীতা দীর্ঘদিন ঋণ পরিশোধ না-করলে মোট সুদের পরিমাণ মূল টাকার বেশি হতে পারে না। এছাড়া সালতামামিতে নীট মুনাফা অর্জিত হলে গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক হিসেবে শেয়ার হোল্ডার সদস্যদেরকে ডিভিডেন্ড প্রদান করা হয়।’’

গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে আরেকটি বড় অপপ্রচার হচ্ছে, এর ৮৪ লাখ মালিক আসলে নামেমাত্র মালিক, তাঁরা কোনো লভ্যাংশ পান না, সবকিছু ভোগ করেন ড. ইউনূস নিজে। প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, এই ৮৪ লাখ সদস্যের মধ্যে এরই মধ্যে ব্যাংকের শেয়ার কিনেছেন ৫৫ লাখ সদস্য, এই সদস্যরা ৫৫ কোটি টাকার শেয়ারের বিনিময়ে এ পর্যন্ত লভ্যাংশ পেয়েছেন ৭৭ কোটি টাকা। গ্রামীণ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার গরিব মহিলারা লভ্যাংশ পেয়েছেন অধিকাংশ সুপ্রতিষ্ঠিত কোম্পানির চেয়েও অনেক বেশি। কিন্তু ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার নন বলে তিনি নিজে কোনো লভ্যাংশ পাননি কখনো। (প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন থেকে নেয়া)

ব্যাংক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ,কোন চ্যরিটি অর্গানাইজেশন নয়। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে কয়জন অবিবেচক মানুষ লোন ডিফল্টার হয়ে স্বর্বস্য খুইয়েছে সেটার ওপর ব্যাংকের সফলতা বা ব্যার্থতা নির্ভর করে না। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে কতজন স্বনির্ভর হয়েছে সেটার সফলতাই উপড়ই নির্ভর করে যে কোন ব্যাংকের অস্তিত্ব। আমাদের দেশে গ্রামে গঞ্জে একটা সময় দরিদ্র মানুষ গ্রাম্য মহাজনদের কাছ থেকে নিয়ম নীতি বহির্ভূত চড়া সুদে ঋন নিত।গ্রামীন ব্যাংক সেই অশিক্ষিত , প্রতারক , লোভী মহাজনদের সুদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে সমাজের অবহেলিত, নিগৃহীত ও শোষিত দরিদ্র শ্রেনীর কাছে পৌছে দিয়েছে ব্যংকিং সুবিধা।

ডঃ ইউনুসের বিরুদ্ধে যত অপপ্রচার ও প্রপাগান্ডাই চালু থাকুক না কেন , প্রতিটি বিবেকবান মানুষেরই সাদা এবং কালর মাঝে ফারাক বোঝার ক্ষমতা আছে। একদিন হয়ত এই দেশে সুশাষন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সেইদিন ভীন দেশে সম্মানিত কিন্ত নিজ দেশে নিগৃহীত এই মানুষটির সঠিক মূল্যায়ন হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৪
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"জয় চেরনোবগ"

লিখেছেন উদাসী স্বপ্ন, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৫৯


ইউরোপের অনেক রেস্টুরেন্টের বারে ফানবোর্ডে লেখা থাকে "ড্রিংক বিয়ার সেভ ওয়াটার"। এই লেখাটা প্রথমবার দেখে বেশ হাসি আসলেও বারটেন্ডার যখন বললো আফ্রিকার অনেক দেশে বিশুদ্ধ পানির দাম বীয়ারের চেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভৌতিক কাহিনী - জ্বীন সাধনা [প্রথম পর্ব]

লিখেছেন নীল আকাশ, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:১৩



ভর দুপুরবেলা। রিক্সা থেকে নেমেই তাড়াহুড়া করে কুরিয়ার সাভির্সের একটা দোকানে ঢুকল রুমি। ছোট কাগজে লেখা একটা গোপন নাম্বার দেখাতেই দোকানদার ওর হাতে একটা মাঝারি সাইজের প্যাকেট তুলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

» প্রকৃতির ছবি, দেশের ছবি (ক্যানন ক্যামেরায় তোলা)-২

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

বিভিন্ন সময়ে তোলা ক্যানন ক্যামেরার ছবি। আশাকরি ভালো লাগবে আপনাদের ।



হীম পড়েছে তো হয়েছেটা কী-টক খেতে কী মানা
পকেট থেকে বের করো তো পয়সা দু'আনা,
কিপটে মানুষ ফাঁকি বাজি-কত কিছু জানো
যেমন করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিরল কাঁটার বাতাস

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪০


আমার গাড়িতে একটা লাশ। আমি গাড়িটা চালিয়ে যাচ্ছি। হ্যাঁ, আমিই বহন করে নিয়ে যাচ্ছি লাশটাকে। লাশটা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে না। একজন মানুষ যখন মারা যায়, তার রক্ত, বীর্য, ঘাম,... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই বৈশাখে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১০




বৈশাখ মাস।
দুপুরে ভাত খেতে বসে দেখি, সুরভি রুই মাছ রান্না করেছে পটল দিয়ে। আমার প্রচন্ড রাগ লাগল। রুই মাছ কেউ পটল দিয়ে রান্না করে?
সুরভি হাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×