somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লকডাউনে এই মানুষগুলো বাচঁবে কিভাবে?

২৫ শে মার্চ, ২০২০ দুপুর ২:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :






সোস্যাল মিডিয়া , গনমাধ্যম এবং পাড়ায় পাড়ায় মাইকিং করে সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানানো হচ্ছে। উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেনী ঘরে থাকার সকল প্রস্তুতি নিয়ে ঘরেই থাকছে। কিন্ত ঢাকা শহড়ের গৃহহীনেরা কোথায় যাবে? বস্তিতে বাস করা মানুষগুলো যারা দিন এনে দিনে খায় তাদের মুখে খাদ্য তুলে দেবে কে? পত্রিকায় দেখলাম পার্শ্ববর্তী ভারতে ৮ কোটি মানুষকে ৬ মাস ফ্রি চাল দেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এছাড়াও কানাডা, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশের সরকারদের নানান জনবান্ধব ঘোষনার ভিডিও এখন ফেসবুকে ভাইরাল। কিন্ত আমাদের দেশের সরকারী তরফ থেকে ছুটির ঘোষনা ছাড়া আর কোন জনবান্ধব পদক্ষেপের কথা এখন পর্যন্ত শুনি নাই। কিছু সেচ্ছাসেবী সংগঠন বিচ্ছিন্নভাবে সাহায্য তুলে নিম্নবিত্ত মানূষের মুখে খাবার তুলে দেয়ার কর্মসূচী হাতে নিয়েছে । কিন্ত সরকারী উদ্যোগ ছাড়া এভাবে কি এই দেশের কয়েক কোটি দরিদ্রের অন্ন সংস্থান সম্ভব ?

ছুটির ঘোষনার পর অনেক মানুষকে তীরবেগে শহড় ছেড়ে গ্রামে ছুটে যেতে দেখা যাচ্ছে। সোস্যালমিডিয়ায় এদের নিয়ে ট্রলও করা হচ্ছে। কিন্ত কেউ কি জানতে চেয়েছে কেন এভাবে গ্রামের দিকে ছুটছে মানুষ? নিজের বাসার ঠিকা বুয়া বা রাস্তায় কোন রিকসাওলাকে জিজ্ঞষা করলে উত্তরটা পেয়ে যাবেন। কাজের বুয়াদের বিদায় করে দিচ্ছে মানুষ, রিক্সাওলা সিএঞ্জিঅলাদের কোন পেসেঞ্জার নাই, শপিংমল কন্সট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করা মজুরদের এখন কাজ নাই। এরকম আরো শত শত পেশার মানুষ যারা পুরোপুরি দৈনন্দিন আয়ের উপড় নির্ভরশীল , তাদের হাত এখন পুরোপুরি খালি। ফেসবুকে একটা পোস্টে দেখলাম একজন লিখেছে যে '' আপাতত কাজে আসতে বারন করে কাজের বুয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম এখন বাড়ীর দিকে ছুটছে কেন ? সে উত্তর দিল যে এই শহরে এখন কাজ নাই আমাদের। তাহলে এখানে থেকে খাব কি? তবে কি গ্রামে খাবার আছে? প্রত্তুত্তরে জানালো , গ্রামেও খাবার নাই, কিন্ত করোনায় বা না খেয়ে যদি মরতেই হয় তবে নিজ গ্রামের মাটিতে মরাই ভাল!''

সবাই আজ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষনের জন্য। তীর্থের কাকের মত আশ্বাসবানী শোনার অপেক্ষায় আছে কোটি কোটি মানুষ।


সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০২
২৮টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিজ্ঞান নিয়ে এসেছে জোড়া বাছুর জন্মপ্রযুক্তি!!

লিখেছেন মুজিব রহমান, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:৪০


বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট জোড়া গরু উৎপাদনে সাফল্য পেয়েছে। তারা জোড়া বাছুর জন্মানোর প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে।সাধারণত গাভি বছরে একটি বাছুরের জন্ম দেয়। এখন দুটি ভ্রূণ স্থাপন প্রযুক্তির... ...বাকিটুকু পড়ুন

কার্ত্তিকের আকাশে দেখি আষাঢ়ের মেঘ… অবেলায় ঝরে জল

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:০৮



আজ নিয়ে ক্রমাগত তিন দিন ধরে আকাশটা ঝরছে। ভালই লাগছে। বাংলার প্রতিটা ঋতুর আছে একেকটা আলাদা আলাদা সৌন্দর্য। কিন্তু অধুনা সেই ঋতু বৈচিত্রেও ঘটছে নানা পরিবর্তন। তবে আমি সেটা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রঙ বদলের খেলা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৯:৪৮


কাশ ফুটেছে নরম রোদের আলোয়।
ঘাসের উপর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিশিরকণা।

ঝরা শিউলির অবাক চাহনি,
মিষ্টি রোদে প্রজাপতির মেলা।

মেঘের ওপারে নীলের অসীম দেয়াল।
তার ওপারে কে জানে কে থাকে?

কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

শ্রদ্ধেয় ব্লগার সাজি’পুর স্বামী শ্রদ্ধেয় মিঠু মোহাম্মদ আর নেই

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

সকালে ফেসবুক খুলতেই মনটা খারাপ হয়ে গেল।
ব্লগার জুলভার্ন ভাইয়ের পেইজে মৃত্যু সংবাদটি দেখে -

একটি শোক সংবাদ!
সামহোয়্যারইন ব্লগে সুপরিচিত কানাডা প্রবাসী ব্লগার, আমাদের দীর্ঘ দিনের সহযোগী বিশিষ্ট কবি সুলতানা শিরিন সাজিi... ...বাকিটুকু পড়ুন

=স্মৃতিগুলো ফিরে আসে বারবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:০৮



©কাজী ফাতেমা ছবি
=স্মৃতিগুলো ফিরে আসে বারবার=

উঠোনের কোণেই ছিল গন্ধরাজের গাছ আর তার পাশে রঙ্গন
তার আশেপাশে কত রকম জবা, ঝুমকো, গোলাপী আর লাল জবা,
আর এক টুকরা আলো এসে পড়তো প্রতিদিন চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×