প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি শেখা ও শখের আলোকচিত্রী হওয়া
স্কুবা ডাইভিং শেখা, সমুদ্রের অপার সৌন্দর্যের ভান্ডার প্রবাল বাগান দেখা ( ছোট বেলায় পড়া তিন গোয়েন্দার সেই কিশোর, মুসা, রবিনের মত, যারা প্রায়ই দক্ষিণের দ্বীপ, অথৈ সাগরে অ্যাডভেঞ্চারে যেত আর হারিয়ে যেত প্রবাল বাগানের সৌন্দর্যে)
পলিনেশিয়ান কোন দ্বীপে থাকা (হাইতি, তাহিতি...)
আমাজনের চীরসবুজ জঙ্গলে ভ্রমণ (বলা বাহুল্য ”তিন গোয়েন্দা” থেকে উৎসাহিত..)
দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ, যেমন :- মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, পেরু,ব্রাজিল..
আমার স্বপ্নের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকাতে যাওয়া, কিলিমানজারো পর্বত, সুনীল সমুদ্র...
আফ্রিকার অন্যান্য দেশ যেমন কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে দেখা, ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত, পৃথিবীর বৃহত্তম সাফারী পার্ক দেখা
গিটার শেখা ...
একজন বিজ্ঞানী হওয়া, বাংলাদেশের জন্য এক যুগান্তকারী আবিস্কার করা, যা এই দেশের কৃষিকে আমূল পালটে দেবে..
আমার বাবাকে এক শান্তিপূর্ণ জীবন দেয়া শেষ বয়সে
জেনেটিক্সে মাস্টার্স ও পি. এইচ. ডি সম্পন্ন করা
দেশের বাহিরে অধ্যয়ন করতে যাওয়া, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, সুইডেন..
নিজের জামা কাপড় নিজেই তৈরি করতে শেখা,শুনতে অ™ভুত লাগলেও এটাই সত্যি কারণ দর্জি ভাইদের কাজ আমার মাঝে মাঝে মোটেও পছন্দ হয়না..
নিজের জীবনের প্রেমের কাহিনী নিয়ে একটি উপন্যাস লেখা..
সত্যিকারের বন্ধু পাওয়া
এক ছোট্ট মেয়ে বাচ্চার মা হওয়া,,
আমার সর্বশেষ কিন্তু সর্বপ্রিয় চাওয়া..
এক সুখী পরিবার..
এক স্বপ্ন সাথী যার কাছ থেকে আমি সত্যিকার এক স্বার্থহীন ভালবাসা পাব, যার কোলে আমি মাথা রেখে শেষ বয়সে মৃত্যুবরণ করব...
এই লেখাটি লেখার সময়ই আমি কল্পনায় ঘুরে এসেছি আমার সেই স্বপ্নের দেশগুলি থেকে । সত্যি বলতে কি,, আমার জীবনের বেশির ভাগ পরিকল্পনাই সফল হয়না,, আর অন্যদের কাছে প্রকাশ করলে তো আরও না.. তারপরও আমি বেপরোয়া আমার কাঁচা হাতে লেখাগুলো আপনাদের কাছে বলতে..তবে হ্যা, কিছু স্বপ্ন আছে যা পূরণ হওয়া আমার হাতে নেই যেমন শেষের স্বপ্নটি...তবুও স্বপ্ন দেখা , আশা নিয়ে বেচেঁ থাকা..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

