মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন (!): আটটি বুলেট শরীরে নিয়ে শেষ হলো মেধাবী ছাত্র “আহমইদ্দ্যা” (শিবির রহস্য)
আজকের আলোচ্য মেধাবী ছাত্রটি নাম আহমাদুল হক চৌধুরী - যিনি “আহমইদ্দ্যা” হিসাবেই বেশী পরিচিত। এক রাতে আটটি বুলেট শরীরের ভিতরে নিয়ে চলে আসেন চট্রগাম মেডিকেল কলেজে - পরে ধরাধামের মায়া ত্যাগ করে মর্গে শুয়ে থাকেন কয়দিন। তার সাথে তার সাথে মিনহাজ নামে আরেকজন মারা যায়। ( ১০ই সেপ্টেম্বর ২০০৪)
জানা যায় - মৃত মেধাবী ছাত্রটি শিবিরের নেতা - পরে জামাতের ক্যাডার ছিলেন - এক সময় সাতকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হন। মৃত্যুর আগে উনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগদান করেন। উল্লেখ্য তার দলত্যাগের সময়কালটি জামাত-বিএনপির ক্ষমতার মধুচন্দ্রিমার কাল হিসাবে বিবেচিত হয়।
শিবিরের এই মেধাবী ছাত্রটির নামে এক ডজন মামলা ছিল - যার মধ্যে ১০টি খুনের মামলা ছিল বলে পুলিশ সুত্র জানিয়েছে।
রেপিড একশন ব্যাটেলিয়ানের কমান্ডার লে: ক: এমদাদুল হক বলছেন -“তার নামে একশত টি খুনের সাথে জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া গেছে - এবং সে ক্রশ ফায়ারে মারা গেছে”। (এরপর বলা হয়েছে ক্রশফায়ারে বহুল প্রচারিত গল্পটি)
আহমইদ্দ্যা ১৯৯২ সাল থেকেই চট্রগাম জেলা - বিশেষ করে সাতকানিয়া এবং আশে পাশের নির্বাচনী এলাকাতে জামাতের একটা “ক্রাইম সিন্ডিকেট” চালাতো। বিনিময়ে জামাত তাকে নিরাপত্তা দিতো। কিন্তু বেশ কিছুদিন যাবত জামাতের এমপির সাথে বিরোধের জের হিসাবে জামাত ত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করে। তারপরই তার “ক্রশ ফায়ার” বরন করতে হয়।
পত্রিকা সূত্রে জানা যায় - জামাত ত্যাগের পর তাকে হত্যার জন্যে শিবির ক্যাডাররা দুইবার চেষ্টা করে। এর মধ্যে একটা নেয় জামাতের স্থানীয় এমপির ভাতিজা মঞ্জুর আলম( এপ্রিল ৫, ২০০৪) আর অন্যটা শিবির নেতা আজরাইল দেলওয়ার (১৬ই জুলাই ২০০৪) দুইটি প্রচেষ্টা নেয় - কিন্তু ব্যর্থ হয়।
এই অভিযানের সময় ১০ জন শিবিরের টপ টেররকে গ্রেফতার করা হয়। কুখ্যাত “শিবির নাসির”, “সাজ্জাদ খান”, “ফাইভ স্টার জসিম”, “বাইট্টা আলমগীর”, “তাসলিমউদ্দিন মন্টু”, “বাইট্টা ইউসুফ”, “আজরাইল দেলওয়ার”, মনজুর আলম”, “সারওয়ার আলম”, “ভাগিনা রমজান” - নামক মেধাবী শিবির নেতারা আটকে জেলে ছিল। আর ক্রশ ফায়ারে মারা যায় - হুমায়ুন আর ইয়াকুব।
হামিদুল্লাহ নামে আরেক মেধাবী ছাত্র এবং শিবির কর্মী পুলিশে গুলিতে আহত হয় - পরে আটকাবস্থায় মারা যায়। এছাড়া আরেক মেধাবী শিবির কর্মী মারা যায় তাদের মেধাবী ছাত্রনেতা “গিট্টু নাসির” এর গুলিতে।
এই অবস্থায় - শিবিরের সন্ত্রাসী দলটি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায় বলে পুলিশ সুত্রটি জানায়। সেখানে নেতৃত্বে আছে “গিট্টু নাসির”, “হাবিব খান” আর “বিডিআর সেলিম”। গিট্টু নাসির তিন ডজন মামলার আসামী বলে জানা যায় - যার মধ্যে প্রিন্সিপাল গোপাল মুহুরী হত্যার মামলায় মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হয়েছে। আর হাবিব খান কমিশনার লিয়াকত হত্যার আসামী এবং মুহুরী হত্যায় যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত।
এই হলো মেধাবী ছাত্রদের সংগঠন শিবিরের একটা চিত্র। এরাই পরবর্তীতে “সতলোকের দল জামাত” এর নেতা হবে এবং বাংলাদেশে সতলোকের শাসন কায়েম করবে !
বি:দ্র: - যদি কেহ উপরের খবরগুলোর কোন আপডেট দিতে পারেন - তাহলে বাধিত হবো।
(সূত্র: ডেইলি স্টার, নিউ এজ এবং ইয়াহু নিউজ)
(পূর্বে প্রকাশিত)
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।