মেলা গরম পড়ছে। এত গরম যে বোইনে আমার মাথার ডিম ভাঙলো। আমি চেইতা কইলাম,"কি করলি?" ও কইলো,"দেখি ডিম খান পুচহয় কি না!"
ওর পিত্তিজ্বলা আনন্দ দেইখা নিজেরে মনে হইলো গরম লৌহ দন্ড! কিছু কইলাম না, চামে ছাইড়া দিলাম। সকাল থিকাই মেজাজ গরম। বাপের লগে আমার কোল্ড অয়ার চলতাছে। হেয় কয় ফরিদপুরে যাইতেই হইবো, আমি কইলাম জান থাকতেও না।এদিকে আমার বোইনে ফোড়ন কাটে," দিন ভইরা পেট ফুলাইয়া ঘুমাইবো আর ইন্টারনেটে আকাম করবো।"
আর যায় কৈ, আল্টিমেটাম ছাড়লো," ঈদে ফরিদপুরে না গেলে ঈদে কিছু পাইবা না।"
আমার মনে বিষাদের টর্নেডো বইয়া গেলো। মনের দুঃখে কইলাম," আব্বাজান, আমারে এক জোড়া ওয়েস্টিকসের আন্ডাওয়্যার আর ক্রোকোডাইলের স্যান্ট গেন্জি কিননের টাকা দেও।" কিছু না বইলা মুখে ঝ্যামটা মাইরা সে দুকানে চইলা গেলো।এদিকে আমার বোইনে মনের আনন্দে সুমনের "চাইতে পারো" গান ফুল ভলিউমে ছাড়লো। ওর আবার ড্রেস কেনা হইয়া গেছে! আমার দুই মামতো আসলো, শুরু করলো কে কি কিনছে। ওগো কথা শুইনা আমার কেমুন জানি সন্দেহ লাগলো! একটার ঘাড়ে বাড়ি দিয়া কইলাম ঘটনা কি? কয়,"কিছু না আপনের বোইনে শিখায় দিছে, আমরা তাই কইতাছি!" শালার একটা দিন, ষড়যন্ত্রের দিন!
রাইতে আসলো আব্বাজান আর আমারে ডাক দিলো, হাতে কিছু পোটকা পাটকি।মনে আমার জসিমের ড্যান্স দেওন শুরু করছে, ভাবলাম ঈদের শার্ট আনছে। আমি মুখ খান গম্ভীর মাইরা কইলাম," ডাকলা কেন?"
-এই লও এক জোড়া আন্ডারওয়্যার আর এক জোড়া স্যান্ট গেন্জী।
খুইলা দেখি স্যান্ট গেন্জির স্টিকারে লেকা রহিমা গার্মেন্টস। আর আন্ডুয়া ফুটপাত মেড থুক্কি লেখা মেড ইন তাইওয়ান!দুঃখে আমি কি কমু নিজেই ভুইলা গেলাম। তাই এই ১০টনি দুঃখ শেয়ার করনের লিগা মারলাম একখান পোস্ট।
আমার সান্ত্বনা দেওওওওও ওহে মহান ব্লগবাসী!!(আম্মাআআ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

