আমি নিজে ব্যাপারটি নিয়ে কয়েকদিন ধরে ভাবছি, আসলে এই ক্ষেত্রে কি করা উচিত।স্বাভাবিক ভাবে যেটা হয় ভালোলাগা আর ভালোবাসা যেটাই বলেন সেটা মনের গভীর কোনে চাপা পরে যায়।
অতি সাহসি কেউ তবু হয়ত নিজের ভালোলাগা প্রকাশ করে ফেলবেন। এই ক্ষেত্রে পরবর্তী ঘটনা কি ঘটল সেটা আমাদের মূল আলোচনা না। আসলে আপনার তার সামনে যাওয়া , না যাওয়ার ব্যাপারটাই আমাদের মূল আলোচনার বিষয়।
আপনি যদি লজিক্যলি অথবা মোরালি ভাবেন তাহলে, আপনার মনে প্রথমেই মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড এর কথা , তাদের রিলেশন এর বর্তমান অবস্থা, কতদিনের রিলেশন ইত্যাদি জানার চেস্টা করবেন আথবা ভাববেন।
এইবার আসেন আন্টি লজিক নিয়ে কথা বলি। আরে মিয়া পছন্দ হইসে প্রপোজ করব। যা হওয়ার হইব। রাজী হইলে রাজী না বললে না। বয়ফ্রেন্ড আবার কি। আজকালকার মেয়েদের এইরকম দুইচারটা বয়ফ্রেন্ড থাকবেই তাইবলে কি প্রপোজ করব না নাকি।
যাই হোক এই প্রসঙ্গে অনেকেই অনেক কথা বলবে। আমি নিজেও অনেক কথা বলি। এই প্রসঙ্গে এত কথা বলার কারণ হল, গত কাল ফেসবুকে এক ফ্রেন্ড এর এক স্ট্যাটাস দেখে সব এলোমেলো হয়ে গেলো। আসুন দেখি কি সেই স্ট্যাটাস ..................
মেয়েটির একটি বয়ফ্রেন্ড আছে...... “তাতে কি”......ফুটবল এও ত এক জন গোল কিপার থাকে...তার মানে এই নয় যে, তুমি গোল দিতে পারবেনা......।
[লেখায় বানান ভুলের জন্য চরম ভাবে লজ্জিত]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


