একুশটি বসন্ত পার হই্য়া বাইশটি বসন্ত আসি আসি করিলেও প্রেম আর আসিতেছিল না। প্রেম কেন আসেনা ইহার কোন কারন উৎঘাটন করিতে না পারিয়া এই আধম অবশেষে ব্লগাইতে উদ্যত হইল। কিন্তু বিধি বাম এই অধমের কোন লিখাই কেন যেন পাঠককুলের মন:পুত হয়না
এই বিশেষ বিশেষ ব্যপার হইতে অধম একটি বিষয় বাছিয়া লইল। আর তাহা হইল লুল । কারন অধম লক্ষ্য করিল ব্লগে লুল সম্প্রদায়ের আধিক্য।
যেই ভাবা সেই কাজ, অধম একটি করিয়া লুল পোষ্ট করে আর ....না বলিলেও হইবেক। সচেতন পাঠককুল বুঝিতে পরিয়াছেন বলিয়াই অধমের ধারনা।
যাহা হউক ভালই কাটিতেছিল। খাইয়া ঘুমাইয়া ব্লগাইয়া ব্যস্ত দিবস কাটিতেছিল। প্রেম করিবার কথা অধমের আর মনে হয় না। মনে হইলেও কিছু করিবার নাই কারন এই অধমের ন্যায় ভুক্তভুগী পাঠক মাত্রই যানেন , "প্রেমের বাজারে বালিকাগণের বালকবন্ধু একটি জাতীয় সমস্যা"
উক্ত সমস্যার তেমন কোন প্রতিকার নাই বিধায় ব্লগাই আর ব্লগাই
যাহাহউক বারান্দায় উচ্ছল বালিকারা গলায় ওরনা প্যাচাইয়া উরিয়া উরিয়া বেঢ়াইতেছিল আর দুষ্ট বালকগণ তাহাদের ওরনা এবং এর আশেপাশের অঞ্চল
বালিকা ও আচ্ছা বলিয়া কিছুদুর যাইয়া আবার ঘুরিয়া আসিয়া বলিল, আচ্ছা আপনি ব্লগার নিরব সাক্ষী না? এইবার এই অধম পুরাই তব্দা খাইয়া গেলুম। বালিকা ইহা কি কহিল। যাহা হউক এর পর বহু বেলা কাটিয়া গিয়াছে, এই অধম বহু নিরঘুম রজনী পার করিয়াছে অত:পর বালিকার বালকবন্ধু নাই ইহা জানিয়া, অধম এক শুভ দিন দেখিয়া বালিকাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়া বসিল। এর পর বালিকা ইনাইয়া বিনাইয়া নানান কথা দিয়া অধমকে পরাস্ত করিতে না পারিয়া এক অতি অদ্ভুত শর্ত দিয়া বসিল, ঠিক আছে তোমার সাথে প্রেম করতে পারি যদি তুমি ব্লগে আর লুল পোষ্ট না দেও
এখন এই অধমের কি হপে ???
পদটিকা: উপরুক্ত ঘটনা ব্লগার নিরব সাক্ষী এর বাস্তব এবং কল্পনার মিশ্রন। তাই ইহাকে ব্লগারের একান্ত ব্যক্তিগত ভাববার কোন কারন নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


