ইদানিং প্রায় সব জায়গাতেই ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে যে, আমাদের দেশেও পুজিবাদীরা বেশ ভালই অগ্রগতি লাভ করেছে।
আল্লাহতালা কুরআনের বেশ কিছু আয়াতে নাস্তিক ও মুনাফেকদের আচার আচরণ সম্বদ্ধে ১৪০০ বছর আগেই পরিস্কার বলে দিয়েছেন, নতুন করে কিছু বলার নেই । আর এরা মুখে যা বলে তাতো কমই এদের মনে আছে এর থেকেও খারাপ কিছু।
ভাল-মন্দ, নেগেটিভ-পজেটিভ, আস্তিকতা- নাস্তিকতা সব কিছুইতো
পক্ষ বা বিপক্ষ সাপেক্ষ ব্যাপার
পক্ষ বা বিপক্ষ মূলত দুটোঃ
১. সত্য বা ভালোর পক্ষে
২. মিথ্যা বা খারাপের পক্ষে ।
বস্তুত পৃথিবীতে কোন কিছুই নিরপেক্ষ নয়। আর ধর্মনিরপেক্ষতা সেওত এক ধরণের পক্ষ , তাই নয় কি ?? নিরপেক্ষতা মূলত সুবিধাবাদীদের পক্ষ ছাড়া আর কিছুই নয়।
ধর্মনিরপেক্ষতার প্রেক্ষাপট:
ধর্মনিরপেক্ষতা আসে মূলত ফরাসী বিল্পরের সময়। তখন ধর্ম যার্জকরা মানুষকে অত্যাধিক নিযাতন করতো । তারা বলত যেহেতু আমরা যাজক ফলে আমাদেরকে ঈশ্বর পাঠায়াছে তেমাদেরকে শাসন করার জন্য। এভাবে তারা সাধারণ মানুষকে শোষন করত। সাধারণ মানুষ একসময় এর প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে । সাধারণ মানুষ এভাবে শেখে যে যেহেতু ধর্মের নামে আমাদেরকে শোষন করা হয়েছে তাই ধর্মকে বাদ না দিয়ে শুধু ব্যক্তিজীবনে রাখা যায় মানে যার ইচ্ছা সে পালন করবে তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে এর কোন প্রভাব থাকবে না। এভাবেই ধর্মনিরপেক্ষতা জন্ম । যা কিনা ফ্র্যান্সের মানুষের এতটা সাময়িক অনুভূতি ছিল। এখানেও কিন্তু ধর্মের কোন দোষ নেই। সংক্ষেপে লিখলাম ।
ধর্ম যেহেতু লিমিটিড তাই আমি ধর্মের পক্ষে নয়।
আমি মুসলমান আমি মানবতার পক্ষে। আর ইসলাম আমাকে সেই মানবতা শিক্ষায়। কারণ ইসলাম মানে জীবনবিধান ধর্ম নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



