নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চর কাকড়া গ্রামে ডাকাত সন্দেহে শামছদ্দিন মিলনকে (১৬) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিক উল্যাহকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) হারুনুর রশীদ হাজারি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে... জানান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলীর নির্দেশে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করে তাকে ওখান থেকে প্রত্যাহার করে জেলা সদরের পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় রোববার রাতে ওই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকরাম শেখসহ দুই কনস্টেবল আবদুর রহিম এবং হেমারঞ্জন চাকমাকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। ওই দিনই মিলনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মাহবুবুর রশীদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটিকে সোমবারের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২৭ জুলাই সকালে উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের রহিম মিয়ার টেক এলাকায় ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে আলাউদ্দিন, পিচ্চি কালাম, ফারুক ও নিগ্রো হেলাল নামে চারজন এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরো দু’জনসহ মোট ছয়জন নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে ডাকাত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। গণপিটুনিতে নিহত চর ফকিরা গ্রামের মিলনের মা কহিনুর বেগম বাদি হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য ও এক নারী সদস্যের স্বামীকে আসামি করে গত ৩ আগস্ট নোয়াখালীর ২নং বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত কোম্পানীগঞ্জ থানা ওসিকে বাদির অভিযোগ এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



