পরিচয় এর পালা শেষ হতেই আসল কাহিনী শুরু। এবার একে একে প্রশ্ন করতে হবে! কি ভাল লাগে কি লাগে না, ভবিষ্যতের কি প্লান, সংসার নিয়ে কি তার চিন্তা ইত্যাদি ইত্যাদি।আর ভাল লাগে না অলক এর! এই নিয়ে চার বার, তার যতদূর মনেপরে সে জিবনে সব মিলিয়ে ৫ বার গেছে কুরবানির হাটে তার বাবার সাথে। আর একবার হলেই গরু দেখার সমান হয়ে যাবে। তবে পার্থক্য আছে, গরুর গায়ে হাত দেয়া যায় কিন্তু এখানে সেটা হয় না তবে এখানে সাজানো কিছু গল্প শোনা যায়। কিছু উত্তর তাকেও দিতে হয়, সেটা এখন কোন ব্যাপার না। প্রশ্নগুলো প্রায় একি রকম হয় তাই উত্তর দিতে কোন ঝামেলা নাই। কিন্তু এই বারে তাকে ঝামেলায় পরতে হল,
মালতিঃ কত নম্বরে আছি আমি?
অলকঃ সরি!
- মানে আমাকে নিয়ে কত জন দেখলেন?
ব্যাপক বিব্রতবোধ করতে লাগল অলক। কি বলবে ঠিক বুঝতে পারছে না।এত সুন্দর একটা মেয়ে এভাবে শুরু করবে!
- আচ্ছা থাক বলতে হবে না। আপনি কি সিগারেট খান?
- মাঝে মাঝে।
- এখন খাবেন?
- নাহ, ইচ্ছা করছে না।
- তাহলে একটু বসুন আমার টানতে হবে।
এই বলে বাইরে চলে গেল মালতি। অলক মোটামুটি হতবাক হয়ে গেছে! এই ধরেনের কিছু হবে সে চিন্তাও করতে পারেনি! তার কি চলে যাওয়া উচিত? নাহ সেটা খারাপ দেখায়। ছয় মিনিট পরে মালতি আসলো।
- সরি আপনাকে ওয়েট করতে হল।
- নাহ ঠিক আছে, আপনি কিছু নিবেন মানে চা কফি বা কোন ড্রিংকস?
- শুধু চা।
কি ভাবে আলাপ শুরু করা যায় ভাবছে অলক।
- কবে থেকে সিগারেট খান?
- ৬ মাস।
- আপনি কি চলে যাবেন এখন?
- আর একটু থাকি। প্রথমবারতো, এখনই চলে গেলে কেমন দেখায়! তাছাড়া বাসায়তো আপনাকে কিছু বলতে হবে। কেমন লাগল? কিছুতো বলতে হবে আপনাকে, তাইনা? পচ্ছন্দ হয়নি এই কথা বলেতো আর পার পাবেন না। কেন হয়নাই তার জাবাব দিতে হবে।
- আপনি কি করে বুজলেন আপনাকে আমার পচ্ছন্দ হয়নি?
- আমি আপানার জায়গাতে হলে করতাম না।
- দুঃখের বিষয় আপানি আমার জায়গাতে নেই। কোথায় আছে সে?
- কে?
- যার জন্য আপানার এত রাগ!
এবার মালতির চমকানোর পালা।
- হয়তো আপানার মত কারো সাথে গল্প করছে, আরো ভাল ভাবে বললে বাছাই করছে।
- আর একটা সিগারেট খাবেন?
- নাহ।
- চলুন বাইরে একটু হাটাহাটি করি, হ্রদটা খুব সুন্দর করে তৈরি করছে এরা। আর কিছু না হোক সময়টাকেতো উপভোগ করা যায়।
কুয়াশায় ঢাকা হ্রদের মাঝের ছোট দ্বীপটায় দারিয়ে থাকল তারা, কিছুক্ষণ বা বহুটা সময়!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

