somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাসেল হেল্পার।।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া।

রাসেল ঘরে ঢুকে বাতিটা কোনরকম জ্বালিয়ে, বিছানায় টানটান হয়ে শূয়ে পড়লো। বিছানা আর কি? জোড়াতালি দেওয়া একটা কাঠের চকি। সারাদিন অমানুষিক খাটুনির পর যখন শরীর আর চলে না, তখন রাসেলের কাছে এই চকি ই সবচেয়ে দামি বিছানা। এখন সময়, সন্ধ্যা সাতটা। আজ বেশ আগেই চলে এসেছে বাসায়। ওর মা আসবে তাও কম করে আরো এক ঘন্টা পর। রাসেল অবশ্য প্রতিদিন ওর মায়ের আসার, অনেক পরেই বাসায় আসে। খুদায় পেট জ্বলে যাচ্ছে কিন্তু খাবার কিছু যেঁ বাসায় নাই সেটা রাসেল ভাল মতই জানে। মা বাসায় আসলেই তবে পেটে খাবার পড়বে এটা ভেবে রাসেল যেভেবে শুয়ে ছিল সেভাবেই পড়ে রইলো।

রাসেলের মা মানুষের বাড়ি বাড়ি ঝি'ইয়ের কাজ করে। যে বাসাতে কাজ করে সেখান থেকে, প্রতিদিন রাতে একটাই বাটিতে ভাত আর তরকারী নিয়ে আসে। সেগুলো দিয়েই রাসেল আর তার মা উদর পূর্তি করে। সারাদিন লেগুনার হেল্পারি করার পর রাতে যখন রাসেল বাসায় ফিরে, তখন ওর মা ওকে খাইয়ে দেয়। রাসেলকে ওর মা যখন খাইয়ে দেয় তখন সারাদিনের খাটুনির কথা রাসেল বেমালুম ভুলে যায়।

রাসেল। থাকে মোহাম্মাদপুর বাশবাড়ির বস্তিতে, একটা ঘুপচি রুমে। কেউ বয়স জিগ্যেস করলে, উত্তর দেয় আট বা নয়। কিন্তু আসলে ওকে তারচেয়ে ও ছোট লাগে। দুনিয়াতে মা' ছাড়া রাসেলের আর কেউ আছে কিনা ও সেটা জানে না। রাসেল ওর বাবাকে মনে করতে পারে না। মায়ের মুখ থেকে যতটুকু শুনেছে ওর বাবা নাকি ও ছোট থাকতেই বিয়ে করে অন্য কোথাও চলে গেসে। গত বছরের আগ পর্যন্ত রাসেল ওর মায়ের সাথে এ বাসা ও বাসায় ঘুরতো। মা কাজ করতো আর রাসেল ওর মায়ের সাথে সাথেই থাকতো। কিন্তু ওর মায়ের সামান্য আয়ে ওদের চলা মুশকিল। তাই গত এক বছর ধরে, রাসেল জিগাতলা-মিরপুর রুটের লেগুনার হেল্পারি শুরু করেছে।

রাসেল প্রায় ঘুমিয়ে গেসিলো, ওর মা কপালে হাত রাখতেই ওর তন্দ্রা কেটে গেল।
"কিরে বাজান শইলডা কি খারাপ নি, তাড়াতাড়ি চইলা আইছোস যে?"
রাসেল ব্যবহারে জীর্ণ প্যান্টের পকেট থেকে আশিটা টাকা বের করে মায়ের হাতে দিয়ে বলে, না মা শইল খারাপ না। আইজকা ছাত্ররা আন্দোলন করছে তাই বেশি খ্যাপ মারতে পারি নাই। ওস্তাদ একশ দিসিলো, বিশ টেকা খাইছিলাম।"
রাসেলের মা জিগ্যেস করে, "আন্দোলন কিহের?
তা তো কইবার পারুম না মা। তয় ওস্তাদ কইলো, কই জানি একটা বাস অনেক গুলান ছাত্র-ছাত্রি চাপা দিয়া মাইরা ফালাইছে। তাই হগল ছাত্র-ছাত্রী নাকি রাস্তায় নামছে যেঁ গাড়ি পাইতাছে অইটাই ভাংতাছে।
থাক ভালা অইছে তাড়াতাড়ি আইছোস। যা গোসল কইরা অ্যায় খাবি। আজকে মুরগির গোশত আছে তাড়াতাড়ি অ্যায়।

মায়ের কাছে খাবারের কথা শুনতেই যেন পেটে খিদা আবার নাড়া দিয়া উঠলো। রাসেল বলে, মা মেলা খিদা লাগছে আগে খাইতে দাও পরে গোসল করমু। রাসেলের মা ছেলেকে খাইয়ে দেয়, নিজেও খায়। রাসেল বলে, মা তুমি সব গোশত আমারে দিতাছো কেন! তুমিও খাও।" ওর মা বলে, আরে বলদা আমি তো বড় তুই খা। তোর মত ছোট থাকতে আমিও অনেক খাইছি।"
রাসেল বুঝতে পারে না বড় হইলে কি গোশত খাওয়া নিষেধ হইয়া যায় নাকি!

রাসেল প্রতিদিন সকাল ছয়টায় ঘুম থেকে উঠে, ছাই দিয়ে কোনরকম দাত ঘষে বের হয়ে পরে। আজকেও ছয়টা বাজতে ওর মা ডাক দেয়, ও রাসেল উঠ বেলা হইয়া গেলো যাবি না। রাসেল উঠে প্রতিদিনকার মত প্যান্ট আর গেঞ্জিটা পরে, ছাইয়ের বোতল থেকে একটু ছাই হাতে ঢেলে বাইরে বের হয়ে পরলো। ওরা যেঁ বস্তিত্তে থাকে সেখানে অনেক মানুষের জন্য একটা টিউবওয়েল। সেখানে সিরিয়াল দিয়ে হাতমুখ ধুইতে গেলে সাঁরা সকাল পার হয়ে যাবে। তাই ও দাত মাজতে মাজতে মোহাম্মাদপুর বাস স্টান্ডের মসজিদে এসে হাতমুখ ধোয়। কিছুখন বাদেই রাসেলের ওস্তাদ লেগুনা নিয়ে চলে আসে। কিরে রাসেইল্লা কহন আইছোস?"
ওস্তাদ মাত্রই আইছি।"
নাস্তা খাইছোস?"
রাসেল গত একবছর হাতে গুনে কয়েকবার হয়তো বাসায় নাস্তা করছে। ও আর ওর মা বাসায় খাবার বলতে শুধু রাতের খাবার ই খায়। ওর মা কোন বাসা থেকে সকালে কিছু দিলে খায় না দিলে না খেয়েই কাজ করে।
না ওস্তাদ খাই নাই।"
চল তাইলে আগে খাইয়া লই পরে খ্যেপ মারুম।"

রাসেলের কাছে সকালেই খ্যেপ মারতেই সবচেয়ে ভাল্লাগে। এসময় চারদিকে ঠাণ্ডা বাতাস থাকে যেটা রাসেলের সবচেয়ে প্রিয়। তারচেয়ে বড় কথা কোন জ্যাম থাকে না। সকালে যাত্রীও থাকে বেশ রকমের। প্রথম ট্রিপ দেয়ার পর লেগুনা জিগাতলা আসার পর দেখলো, অনেক স্টুডেন্ট একসাথে জড়ো হয়ে আছে। রাসেল ভাবতেছে আজকে ও কি আন্দোলন হবে নাকি। তবে ও ভেবে পাইলো না, প্রতিদিন ই তো কত মানুষ গাড়ির চাপায় মারা যাচ্ছে কখন তো আন্দোলনের কথা শুনে নাই। এসব নিয়ে বেশি ভাবার সুযোগ পেল না, একটু পর আবার ব্যস্ত হয়ে পরলো লেগুনায় যাত্রী তুলতে। ঐ শঙ্কর, মোহাম্মাদপুর, শ্যামলী, মিরপুর। গলা ফাটাইয়া যাত্রী ডাকছে। অমন লিকলিকে একটা শরীর থেকে এতো জোরে আওয়াজ দিতে শারীরিক শক্তির চেয়ে মানসিক শক্তিই বোধয় বেশি লাগে।

রাসেল যখন পরেরবার জিগাতলা আসলো তখন জিগাতলা যেন জনসমুদ্র। রাসেল ওর কৌতূহল আর ধরে রাখতে পারলো না। ও লেগুনা রেখেই জনসমুদ্রের দিকে গেলো। একজন স্কুল ড্রেস পরা ছাত্রকে রাসেল জিগ্যেস করল, ভাইয়া কি অইছে? সবাই এইহানে কেন দাঁড়াইয়া আছে। ছাত্রটি, ছোট লিকলিকে রাসেলের প্রশ্নের উত্তরে, ওর মাথায় হাত দিয়ে বলল ভাইয়া গতকাল আমাদের তিনজন ভাইবোনকে বাস চাপা দিয়ে মেরে ফেলছে। তাই সেইটার বিচার চেয়ে আমরা আন্দোলন করছি। রাসেল ভাবে, আজকে ও যদি স্কুলে পড়তো তাইলে ও তো এই আন্দোলনে যোগ দিতো। রাসেলের অনেক ইচ্ছা ছিলো স্কুলে যাওয়ার। কিন্তু ওর মায়ের যেঁ টাকা নেই, তাই ওরে স্কুলে দিতে পারে না এটা রাসেল জানে। তবে ও ভাবে আন্দোলনে যোগ দিতে কি স্কুলে যাইতে অইবো?

রাসেল নিজেও সারাদিন রোডে থাকে। নিজেই দেখে কিভাবে ওর ওস্তাদরা লেগুনা চালায়। ও নিজেই একবার লেগুনা থেকে ছিটকে পরে গিয়ে অনেকদিন অসুস্থ অবস্থায় বাসায় ছিলো। ও ভাবতেছে না এই আন্দোলন ঠিক ই আছে। এসব ভাবতে ভাবতে, ও নিজেই কখন জানি জনসমুদ্রে মিশে গেসে। চারদিক থেকে আরো ছাত্র ছাত্রী আসছে। এ জনসমুদ্রকে যেন মহা সাগরে রুপ না দিয়ে এরা ক্ষান্ত হবে না। সবাই গলা ফাটিয়ে স্লোগান দিচ্ছে, উই ওয়ান্ট জাস্টিস। নিরাপদ সড়ক চাই। আমার ভাইয়ের রক্ত লাল, পুলিশ কোন চ্যাটের বাল। রাসেল সারাদিন গলা ফাটায় যাত্রী ডেকে। সে ডাকে থাকে ক্লান্তি। কিন্তু আজকে যখন গায়ের সমস্ত শক্তি দিয়ে ও বলছিলো, আমার ভাইয়ের রক্ত লাল, পুলিশ কোন চ্যাটের বাল। ক্লান্তির বদলে ওর যেন গায়ে আরো শক্তি আসছিল।

পুরা জিগাতলা, সিটি কলেজ এরিয়া যেন জনমহাসমুদ্র। অনেক অবিভাবক ও চলে এসেছে আন্দোলনে। সারাদিন ছাত্র ছাত্রীরা নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে চিৎকার করে শ্লোগান দিয়ে নিজেদের ভাইবোনদের হত্তার বিচার চাচ্ছে। অভিবাবকরা খাবার এনে ছাত্র ছাত্রীদের খাইয়ে দিচ্ছে। এটা দেখে রাসেলের ও মনে পরলো সেই সকালে খাওয়া হইছে এখন তো বিকাল। সাথে তো টাকা ও নেই কি খাবো। এসব ভাবনা শেষ হওয়ার আগেই, একজন অভিবাবক এসে রাসেল কে একটা হানিকম্ব(রুটি) আর কলা দিল। উনি যেন রাসেলের মনের কথা বুঝতে পেরেই দিয়ে গেল।
আন্দোলন বেশ চলছিলো হতাৎ করেই যেন জনসমুদ্র রণসমুদ্রে রুপ নিলো। একদল লোক হেলমেট পরে এসে লাঠি সোটা দিয়ে পিটিয়ে ছাত্রছাত্রিদের ছত্র ভঙ্গ করে দিলো। এই হযবরল অবস্থায় ও কি করবে ভেবে না পেয়ে মোহাম্মাদপুরের দিকে হাটা দিলো। মোহাম্মাদপুর এসে দেখে এ যেন এক নতুন মোহাম্মাদপুর। কোন যানবাহন বলতে কিচ্ছু নেই, কয়েকটা রিকশা ছাড়া। এখন বাসায় গিয়ে কি করবে এইটা ভেবে ও মোহাম্মাদপুরেই কিছুখন বসে রইলো। সন্ধ্যা হওয়ার বাসায় আসতে দেখলো ওর মা চলে এসেছে।
ওর মা ওকে দেখে কিরে বাজান তাড়াতাড়ি আইলি যেঁ, কিছু অইছে নি?"
মা তোমারে কাইলকা কইছিলাম না আন্দোলন হইতাছে। আজকে আরো বড় আন্দোলন অইছে মা। আজকে ঢাকার শহরে কোন গাড়ি চলে নাই।"
এটা শুনে ওর মা জিগ্যেস করে, তগো লেগুনা চলে নাই?"
মা তোমারে কি কই কইলাম না কোন গড়ীই চলে নাই। লেগুনা তোমার কাছে গাড়ি মনে অইলো না?
একদিন লেগুনা না চলা মানে কি, রাসেলের মা সেটা জানে। আজকে রাসেল বাসায় কোন টাকা আনতে পারে নাই, এটা রাসেলের মা বেশ বুঝতে পারলো। রাসেলের মা শুধায়, লেগুনা না চললে তুই কই আছিলি সারাদিন?"
রাসেল বেশ হাসিমুখে উত্তর দেয়, মা আমিও আজকে আন্দোলন করছি।"
রাসেলের মা বেশ অবাক হয়। তার এত্তটুকুন ছেলে কি কয়! তোর আন্দলনে যাইয়া কাম নাই। লেগুনা না চললে তুই বাসায় ই থাকিস।
রাসেল কয় কেন মা? আন্দোলনে যাওয়া দোষের কি? গাড়ি চাপা দিয়া মানুষ মারবো, এটার বিচার চাইতে পারবো না? রাসেলের মা জিগ্যেস করে, "তুই এতকিছু কইত্তে জানলি?"
কেন মা, অইখানে যেই ভাইয়া গুলা আছিলো তাঁরাই কইছে। জানো মা আজকে কি কইয়া স্লোগান দিসি? ওর মায়ের উত্তরের অপেক্ষায় না থেকেই ও বলে উঠে, আমার ভাইয়ের রক্তে লাল, পুলিশ কোন চ্যাটের বাল।
ওর মা শুনে কয়, চুপ থাক এইসব কইস না। পুলিশ হুনলে ধইরা নিয়া জাইবো।"

পরেরদিন সকালে রাসেলকে ওর মা, কাজে যাওয়ার আগে ডাক দিলো। এই নে দশ টেকা রাখ, কিছু কিন্না খাইস। বলেই ওর মা বের হয়ে যায়। রাসেল ওর জীর্ণ প্যান্ট আর গেঞ্জি টা গায়ে গলিয়ে, দশ টাকা পকেটে নিয়ে বের হয়ে গেলো। মোহাম্মাদপুর আসতে দেখে গতকাল সন্ধ্যায় যেমন দেখে গেসে তেমন ই আছে। আজকে যেন রাস্তায় মানুষও নাই। রাসেল জিগাতলার দিকে হাটা দিলো। ধানমন্ডি সাতাশে কয়জন ছাত্র ছাত্রী রাস্তা দখল করে গত কালকের সেই স্লোগান দিচ্ছে। রাসেল ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে গিয়ে সজোরে শ্লোগান দিলো, আমার ভাইয়ের রক্তে লাল, পুলিশ কোন চ্যাটের বাল। রাসেলের শ্লোগান যেন আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হচ্ছিলো।
স্লোগান দিয়ে গলা শুকাইয়া কাঠ। একজনের ব্যাগে পানির বোতল দেখে। রাসেল বলল, ভাইয়া একটু পানি দিবেন। ছাত্রটা ওরে চিনতে পারছে। কারণ এতখন রাসেল ই শ্লোগান দিয়ে সবাইকে উৎসাহ জোগাইছে। ছেলেটি ব্যাগ থেকে বিস্কুট দিয়া বলে, আগে বিস্কুট খাও পরে পানি। তুমি এতক্ষণ যেঁ জোড়ে জোড়ে স্লোগান দিসো, মাশআল্লাহ। রাসেল খাওয়া শেষ করে আর কিছুখন ধানমন্ডি সাতাশে থেকে জিগাতলার দিকে গেল।

জিগাতলার কাছাকাছি আসতেই রাসেলের মনে হইলো, এত মানুষ একসাথে ও মনে হয় কোনদিন দেখে নাই। সবাই যেন খুব খেপে আছে। আকাশ বাতাল তোলপাড় করে সবাই স্লোগান দিচ্ছে, উই ওয়ান্ট জাস্টিস। রাসেল ও সে সমুদ্রে মিশে গেলো। একপাশে কিছু ছাত্র রা নিজেদের জামা খুলে রঙ দিয়ে গায়ে ভিবিন্ন স্লোগান লিখছিলো। রাসেল ও গিয়ে বলল, ভাইয়া আমারে আইকা দেন না। রাসেল তো আর পড়তে পারে না কিন্তু শ্লোগান গায়ে লেখার ব্যাপারটা ওর মনে ধরেছে। ছেলেটি ওর পিঠে লিখে দিলো 'নিরাপদ সড়ক চাই'।

আন্দোলন চলছিল এর মধ্যেই ছাত্রদের সাথে একদল হেলমেট আর পুলিশ বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়ে গেলো। রাসেল ভেবে পায় না পুলিশ ছাতদেরকে কে মারছে। দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া পালটা ধাওয়া চলল। ছাত্ররা যাতে পালটা হামলা করতে পারে সেজন্য রাসেল ও ওদেরকে ইট পাথর কুরিয়ে এনে দিচ্ছিলো। ছাত্রদের সংখ্যার কাছে হার মেনে হেলমেট বাহিনী গুলি ছোড়া শুরু করল। যখন ওরা গুলি ছুড়ছিল তখন ও রাসেল স্লোগান দিচ্ছিলো, আমার ভাইয়ের রক্তে লাল, পুলিশ কোন চ্যাটের বাল। হটাত করেই একটা গুলি এসে রাসেলের পিঠ ফুট করে বের হয়ে গেলো। রাসেল 'মা' চিৎকারটা যেন আকাশ বাতাস কাপিয়ে দিচ্ছিল।।

রাস্তার কালো পিচে রাসেলের নিথর দেহ পরে ছিলো।
ওর পিঠে তখনও লেখা ছিল, 'নিরাপদ সড়ক চাই'।
বাবহারে জীর্ণ পকেটে ছিলো মায়ের দেয়া দশ টাকা।।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০১৯ রাত ১০:৪৬
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে-১১১

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২২



দুটি হাঁসের পিছনে একটি হাঁস, দুটি হাঁসের সামনে একটি হাঁস, এবং দুটি হাঁসের মাঝখানে একটি হাঁস। মোট ক’টি হাঁস রয়েছে?

১। লোকে যে কেন বসন্তের গুনগান করে বুঝতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোয়াবিয়া ছিল সত্যদ্রোহী, হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমাণীত

লিখেছেন রাসেল সরকার, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩




عن أَبِي سَعِيدٍ الخدري ، قَالَ: " كُنَّا نَحْمِلُ لَبِنَةً لَبِنَةً وَعَمَّارٌ لَبِنَتَيْنِ لَبِنَتَيْنِ ، فَرَآهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَيَنْفُضُ التُّرَابَ عَنْهُ ، وَيَقُولُ: وَيْحَ... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাড়ীর সবকিছু এক নম্বর শুধু ব্রেকটা একটু নড়বড়ে!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০২




দলের ভিতর শেখ হাসিনার চলমান শুদ্ধি অভিযান দেখে উপরের শিরোনামটি মনে পড়ল, ভাল কিছু করতে হলে আগে নৈতিক স্বচ্ছতা থাকতে হয় তাহলে মানুষ মন থেকে নিবে।
ছাত্রলীগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি রক্তাক্ত লাল পদ্ম

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪


সেল ফোনটা বেজেই চলেছে ।বিরক্ত হয়ে ফোনটা তুললাম। রাগে গা জ্বলে যাচ্ছে বলে নাম্বারটা না দেখেই চেঁচিয়ে বললাম ।
-এই কে ?
- আমি ।
মিষ্টি একটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সবাই যদি দেশকে ভালোবাসে, এত ভালোবাসা যায় কোথায়?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৮



সবাই ভালোবাসা চায়, সবাই ভালোবাসতে চায়, নারীরা হয়তো একটু বেশী চান, এটাই প্রকৃতির নিয়ম! কোন দেশ তার নাগরিকের কাছে কোনদিন ভালোবাসা চাইতে আমি শুনিনি; বিশেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×