somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পাহাড়ে রহস্য। (শেষ পর্ব)

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


গাছের সাথে হেলান দিয়ে ভাবতে লাগলাম কেমনে কি হল। অনিক আর শোভন একসাথে দৌড়াচ্ছিলো। শোভন এর দৌড়াতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিলো। অনিক শোভন এর হাত কাধে নিয়ে দৌড়াচ্ছিলো। জঙ্গল ঘন হওয়ায় কে যে কোনদিকে দৌর দিলাম টেরই পাই নি। আর পেছনের লোকটাও হাতে পিস্তল নিয়ে খুব দ্রুত আসছিল আমাদের দিকে। ওইটা দেখে আরও ভয় পেয়ে গেসিলাম। তারপর কতখন ধরে দৌড়াচ্ছি মনে নাই। পিছনে তাকিয়ে দেখি শোভন, অনিক আর ওই পিস্তল ওয়ালা লোকটা কেউ ই নাই। তিনজনই লাপাত্তা। সবাই যেন বাতাসে মিলিয়ে গেসে। তার পর থেকেই এই জঙ্গলে ঘুরে বেরাচ্ছি। কোন আইডিয়া নাই শোভন আর অনিক কই গেলো আর বাসায় ই বা যাবো কিভাবে আর বাসায় গেলোও আন্টিকে কি বলব?
বুঝলাম বসে থেকে লাভ নাই কিছু একটা করতে হবে। এভাবে শুরু করলাম। সূর্য এখন পশ্চিমে হেলে পড়ছে। আমরা যখন পাহাড়ে উঠা শুরু করলাম তখন সূর্য ঠিক আমাদের সামনেই ছিল তাহলে এখন সূর্যের বিপরীতে গেলে রাস্তা পাওয়া সম্ভব। উঠে দাড়িয়ে, মাননসই একটা গাছের ডাল ম্যানেজ করে হাটা শুরু করলাম সূর্যের বিপরীত দিকে। এখানে পাহাড় উঁচু হচ্ছে, মানে উপরের দিকে উঠছি। বিশ মিনিট হাটার পর মনে হল এখন নিচে নামছি।

কালু মনে মনে ভাবছে ছোকরা গুলো বেশ দ্রুতই নেমে যাছে। কিন্তু কালুর মনে কোন চিন্তা নেই কারন চাকরির গত তিন বছর এরকম বহু চিরিয়া কে সে ধরেছে। এই এলাকাটা কালুর ভাল মত চেনা। এই তো কিছুদিন আগেই চারজন আস্তানা দেখে ফেলছিল পালানোর আগেই ঘুরপথে কালু আরও তিনজন কে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, ঠিক একদম সামনে গিয়েই পড়ছে সবগুল কে আটক করে নিয়ে আসছিল আস্তানায়। আর এই পোলাপান গুলা যাবে কই। কিন্তু কালু মনে মনে ভাবতেছে যেই ছোকরাটা বাঁশ টা ছুরে মারছে ওরে ধরে আগে দুইটা কষে চর লাগাবে। হাতটা এখন ও ব্যাথায় টন টন করতেছে। কালু সামনে তাকাতেই দেখতে পেল দুইজন একসাথে দৌড়াচ্ছে আর একজন আলদা। দুই জনের একজন আবার আর একজনের কাধে হাত দিয়ে দৌড়াচ্ছে। কালু বুঝল এরা এর বেশি দূর যেতে পারবে না। হল ও ঠিক তাই। ১৫ মিনিট দৌড়ানোর পর শোভন চিৎকার করে অনিক তুই যা আমি আর দৌড়াইতে পারবো না অনেক হয়রান লাগতেছে। অনিক বলল,”কি বলিস তোকে রেখে যাবো নাকি পাগল? এসব নিয়ে ওরা কথা কাটাকাটি করতেই কালু ওদের পিছনে হাজির। কালুর পিস্তল দেখে অনিক কিছু বলার সাহস করল না। নইলে দুইজন ধরলে যত শক্তিশালি ই হোক ওদেরকে নিয়ে যেতে পারতো না।
ওদেরকে যখন ধরে নিয়ে গেসে আমি তখন বেশ খানিকটা এগিয়ে গেসি। কালু ভাবল এই দুজনকে আস্তানায় রেখে বাবুল আর খায়রুল রে নিয়া বের হব ওই বজ্জাত টারে ধরতে। ক্যাম্পে দুইটাকে বেঁধে কালু ওর দুই সাংগ পাঙ্গ নিয়ে বের হয়ে ঘন্টা খানেক খোঁজাখুঁজির পর যখন পেল না ভাবল ওই বজ্জাতটা হয়তো পালিয়ে গেসে।

বেশ কিছুখন ধরেই নিচে নামছি হটাত খেয়াল করলাম বড় একটা গাছের উপর একটা মাচার মত। ভাল মত খেয়াল করার পর বুঝলাম ওটা একটা ওয়াচ টাওয়ার। দ্রুত একটা গাছের আড়ালে গিয়ে লুকালাম। এদিক ওদিক তাকাচ্ছি এরকম আরও ওয়াচ টাওয়ারের খোঁজে, পাঁচ মিনিট খুজতেই পেলাম আর একটা। ওয়াচ টাওয়ার গুলো এমন ভাবে বানানো খুব ভালভাবে কেউ খেয়াল না করলে ওটার নিচ দিয়ে চলে গেলো ও ওটার উপস্থিতি টের পাবে না। আরও আছে কিনা দেখতে ভাল মত খুজলাম কিন্তু পেলাম না। হয়তো আছে আমার চোখে পড়ছে না। মনে মনে ভাবলাম এখানেই হয়তো কিছু একটা আছে। নইলে যে জঙ্গলে মানুষ ই আসে না সেখানে ওয়াচ টাওয়ার বানিয়ে মানুষ কি করে! গাছের আড়াল নিয়ে কিছুদুর নামতেই দেখতে পেলাম দুই পাহাড়ের মাঝখানে কিছুটা সমতল জায়গা সেইখানে কিছু মানুষের আনাগোনা। আরও নিচে নামতেই কলজে টা ধক করে উঠল! দেখি শোভন আর অনিক পিছমোরা করে একটা গাছের সাথে বাঁধা। দুই জন ই মাথা নিচু করে কিজানি ভাবছে। আরও কয়েকজন কে দেখালাম পায়ে শিকল দেয়া। আমাদের পিছনে যে দৌড়াচ্ছিল তাকে কোথাও দেখলাম না। ভাবলাম হয়তো আমাকেই খুজতেই গেসে যেকোনো সময় এসে পরবে। তাড়াতাড়ি এখান থেকে কেটে পরা যাক। পিছনে ঘুরে উঠতে যাবো দেখি তিনজন কি নিয়ে তর্কাতর্কী করে এদিকেই নামছে। আমি তাড়াতাড়ি একটা ঝোপের আড়ালে গিয়ে লুকালাম। ১০ মিনিটেই ওরা নিচে নেমে একটা গেটের আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেলো। আমি তাড়াতাড়ি উঠে ওয়াচ টাওয়ার থেকে যাতে বা দেখা যায় এমন ভাবে আস্তে আস্তে গাছের আড়াল নিয়ে ঘুরপথে নিচের দিকে নামতে লাগলাম।

ঘন্টা খানেক নামার পর মনে হচ্ছে পাহাড় আর বেশি নেই । কিন্তু আমি যে কোথায় আছি সেই সম্পর্কে কোন ধারনাই নাই আমার। আরও কিছুক্ষণ নামার পর হটাত করেই রেইল লাইনটা দেখতে পেলাম । রেইল লাইনটা দেখে মনটা আনন্দে নেচে উঠল। আরও দ্রুত নামতে লাগলাম কারন শোভন আর অনিক ওইখানে আটক আছে কিছু একটা করতেই হবে। রেইল লাইন ধরে হাটলেই শহরে পৌছানো কোন ব্যাপার হবে না। আধ ঘন্টার মত লাগলো রেইল লাইনে পৌছাইতে । দেখলাম যেই রাস্তা দিয়ে আমরা পাহাড়ে গেসি সেইখান থেকে বেশ খানিক টা উত্তরে এসে পরছি। খুব ক্লান্ত হলেও আমলে নিলাম না। দৌড়াতে লাগলাম আধ ঘন্টা পর রাস্তায় উঠতেই দেখি একটা অটো। হাত তুলে থামালাম। মামা সীতাকুণ্ড থানায়। আমাকে এভাবে হাপাতে দেখে, আরও বেশি অবাক হল থানার কথা শুনতে কিন্তু কিছু না বলে বলল,” উঠে বসেন মামা।“ উঠেই বললাম মামা দ্রুত চালাও। দশ মিনিটেই থানার সামনে পৌঁছে গেলাম। ভারা দিয়ে আমি থানার ভিতরে দৌরে গেলাম। ইনচার্জ অফিসারের রুম দেখে নিয়ে সোজা সেখানে গেলাম। থানা ইনচার্জ অফিসার বসে চা খাচ্ছিল আমাকে এভাবে হাপাতে দেখে বলল তুমি আগে স্থির হয়ে বস তারপর সবকিছু বল। উনি কনস্টেবল কে বললেন পানি দিয়ে যেতে। পানি দেখতেই মনে পরল সেই সকালে পানি খেয়েছি সারাদিন আতঙ্কে আর পানির কথা মনেও পরে নাই। পুরা গ্লাস এক চুমুকে শেষ করে সকাল থেকে কিভাবে কি ঘটল সব খুলে বললাম। ইন্সপেক্টার সাহেব সব শুনে বলল,” তাই তো বলি হটাত করে কেন এইখানে মানুষ নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে।“ উনি দ্রুত ওয়াকিটকিতে কথা বলতে শুরু করলেন। একদম অল্প সময়ের নোটিশে ফোর্স রেডি করে পাশের থানা থেকে আরও ফোর্স এনে রওনা দিলেন। প্রথমে আমাকে নিতে না চাইলেও আমি বললাম আমি গেলে আপনাদের সুবিধাই হবে কারন কোথায় কি আছে আমি ভাল মত দেখেছি । আমতা আমতা করেও শেষ পর্যন্ত রাজি হয়ে গেলেন আমাকে নিতে।

৪.১৫ তে ফোর্স এর ২০ জন কর্ডন করে উপরে উঠতে লাগলো কোন শব্দ না করেই। সবার হাতেই অটোম্যাটিক রাইফেল। কারন ওই গোপন আস্তানায় যারা আছে সবাই আর্মড। আমি ইন্সপেক্টার সাহেব কে পাহাড়ের নিচে থাকতেই ডেটেইলস বলেছি কোথায় কি আছে। সবাই খুব দক্ষ, খুব দ্রুত নিশব্দে উপরে উঠে গেলো। আমি অনেক পিছিয়ে পরলাম। ৪.৪৫ এ ইন্সপেক্টার সাহেব অ্যাকশন শুরু করলেন। গোপন আস্তানার সবাই খুব হচকিয়ে গেসে কারন কেউ কল্পনাই করতে পারেনি এই গোপন জায়গায় ও হামলা হতে পারে। যারা হাত তুলছে তারা বেঁচে গেসে যারা আর্মস তুলে বাহাদুরি করতে গেসে সবাইকে সোজা গুলি করে উপরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ফোর্স এর মাত্র দুজন আহত হয়েছে। দুজন ই আহত হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার থেকে ছোড়া গুলিতে। একজনের হাতে গুলিবিদ্ধ গয়েছে ওপর একজনের চামড়া ছিলে একটা বুলেট বের হয়ে গেসে এছারা সবাই ঠিক আছে। আমি যখন ক্যাম্পে পৌছালাম দেখালাম আটক করা হইছে ১৮ জন কে। আর যারা বন্দি ছিল তাদের বাধন খুলে দেয়ে হয়েছে। বন্দি হয়েছিল ১৩ জন, তারা এক পাশে দারিয়ে ফিস ফাস করছে। শোভন আর অনিক কে দেখতে পেয়ে দৌরে গেলাম আবার তিন বন্ধুর দেখা হইছে এই খুশিতে তিন বন্ধুর চোখেই পানি চলে এলো।

ওদিকে বাসায় আন্টিও অনেক টেনশন করছে। সন্ধ্যা ছয়টা বাজে এখন ও আমাদের কোন খবর নাই। বাসায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে সারে ছটা বেজে গেলো। আসার আগে ইন্সপেক্টার সাহেবের থেকে জানলাম ওটা একটা গোপন জঙ্গি আস্তানা। গত তিন বছর ধরে ওই গভীর জঙ্গলে ট্রেইনিং সেন্টার খুলছে। নিজেদের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্যই যারাই আস্তানা দেখে ফেলেছে তাদেরকেই কিডন্যাপ করা হইয়েছিল। এই হল ওই পাহাড়ের জঙ্গলে মানুষ নিখোঁজ হওয়ার রহস্য। বিদায় নেওয়ার আগে তিনি আমাদের কে ধন্যবাদ জানাতে ও ভুললেনন না।

হটাৎ করেই ঘুম থেকে ধরফরিয়ে উঠতেই দেখি ফোন টা ভাইব্রেট হচ্ছে। ঘুম ভাঙ্গার কারণটা বুঝতে পারলাম কিন্তু যেই স্বপ্নটা দেখছি সেইটা র জন্য এখন ও বুকটা ধরফর করছে। ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি শোভন কল করসে। রিসিভ করতেই, ওপাশ থেকে শোভন চিৎকার করে,” দোস্ত ট্যুর ফাইনাল আম্মু রাজি অনিক ও বাসায় মান্যাজ করসে। আমরা অনিকের নানা বাড়ি ই যাচ্ছি। তোর কথা মত অনিক কে বৃহস্পতিবার এর টিকেট ই কাটতে বলছি। আর শোন অনলাইনে টিকেট কাটলে পার টিকেট ২০০ টাকা করে ডিস্কাউন্ট আছে। আমিও ফোনের মধ্যেই চিৎকার করে ইয়াহু।। অনেকদিন ধরে আমাদের ট্যুর এর কোথা চলছিল যাক অবশেষ এবার আমরা যাবো। খুশিতে মন নেচে উঠল কিন্তু মাত্রই যে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখলাম সেটা বললাম না কারন ট্যুর এর দিন বাসে বলব গল্পটা।


যথা সময়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় আমাদের বাস ছাড়ল। বাস ছাড়তেই শোভন আর অনিক কে আমার স্বপ্নে দেখা গল্প টা বল তে শুরু করলাম। শোভন বলল,” দাঁড়া বন্ধু আগে ফেবু তে একটা স্ট্যাটাস দিয়ে নেই।“
শোভন ওর স্ট্যাটাস এ লিখল
“ট্রাভেলিং টু সীতাকুণ্ড, চিটাগং
মাঝা হবে, এডভেঞ্চার হবে।“
গাড়ির চলার সাথে সাথে আমার গল্প ও চলতে থাকল।।

শেষ।

প্রথম পর্বের লিংকঃ Click This Link
দ্বিতীয় পর্বের লিংকঃ Click This Link
তৃতীয় পর্বের লিংকঃ Click This Link
চতুর্থ পর্বের লিংকঃ Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৩
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

» গাঁও গেরামের ছবি (মোবাইলগ্রাফী-৩৬)

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২



ঘাসের উপর প্রজাপতির ছবি তুলতে গিয়ে, পিপড়েদের কবলে পড়েছিলাম। ঠিকমত ক্লিক দিতে পারছিলাম না তাই ঠাঁয় বসে ছিলাম হঠাৎ কুট কুট কামড় টের পেয়ে তাকিয়ে দেখি পা আমার লালে লাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

রফিক ভাই

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪২



আমার বাসার সামনেই ফেনী ফার্মেসী।
ফার্মেসীর মালিক রফিক ভাই। রফিক ভাই আমার বন্ধুর মতোন। তবে তার বয়স আমার চেয়ে বেশী। আমি প্রায়ই ফেনী ফার্মেসীতে আড্ডা দেই। রফিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃষ্নচ্ছায়ায় স্বপ্নের অমনিবাস (অবরোহ)

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

আলোকিত আঁধার এক
ঘোর কৃষ্নচ্ছায়ায় গ্রাস করে স্বপ্নের অমনিবাস
আত্মমর্যদা বাক স্বাধীনতা
চিরন্তন মুক্তির স্বপ্ন মূখ থুবড়ে, চারিদিকে শকুনির উল্লাস!

ভেজানো পাটা’শের মতো খুলে খুলে আসে মূল্যবোধ
নীতি নৈতিকতা, পরম্পরা- হারিয়ে যায়
হাওয়াই মিঠাই স্বাদে! দুর্বৃত্তায়নের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদী অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টে কারা আক্রমণ চালায়েছে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৩



গত শনিবার (সেপ্টেম্বর, ১৪) সৌদী আরবের আবকিক অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টে ড্রোন-গাইডেড মিসাইল আক্রমণ চালিয়ে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় অয়েল-প্রসেসিং প্ল্যান্টটিকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে; এতে সৌদীর দৈনিক তেল উদপাদন ক্ষমতা অর্ধেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাদ–লিবিয়া যুদ্ধ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৭



ছবি: যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে টয়োটা যুদ্ধের সময়ে একটি টয়োটা পিকআপ থেকে চাদীয় সৈন্যরা

চাদ–লিবিয়া যুদ্ধ ছিল ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে লিবীয় ও চাদীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত কয়েক দফা বিক্ষিপ্ত যুদ্ধ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×