somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশকে নিয়ে কে কি পরিকল্পনা করছে : আবু জুবায়ের

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশকে নিয়ে কে কি পরিকল্পনা করছে
আবু জুবায়ের


মানুষের সাধারণ চাহিদা কি,এটা নিয়ে আজ পর্যন্ত অনেক কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও জটীল রুপ ধারন করেছে। এই দেশের খেটে খাওয়া মানুষেরা তাদের প্রাত্যহিক জীবন অতিবাহিত করবার জন্য এক ধরনের সংগ্রামে লিপ্ত আছে। তাদের কাছে বাংলাদেশের সাধারন নির্বাচন কতটুকু প্রভাব বিস্তার করেছে সেটা এখন পর্যালোচনার সময় এসেছে।একটি জাতির সামাজিক,রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক,বিনোদন ইত্যাদি বিষয় নির্ভর করে সে দেশের রাষ্ট্রীয় নীতির অনুশীলনের উপর।কোন দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রয়োজন কেন হয়?একটি দেশ স্বাধীণ হবার পরও এই আশংকা কেন থাকে?আধিপত্যবাদের কথা বার বার ফিরে আসে কেন?এগুলো কি শুধুমাত্র রাজনৈতিক বুলি নাকি এর রাষ্ট্র সংঠনের ক্ষেত্রে এর প্রয়োজন আছে।এসব কিছু ভেবে দেখার সময় এসেছে।রাজনৈতিক ফন্দি ফিকিরের মধ্যে অনেক বিষয় আমাদের অলক্ষ্যে থেকে যাচ্ছে,সেগুলো পর্যালোচনা না করলে তথাকথিত পরিবর্তনের তামাশা জনগনের কাছে অধরাই থেকে যাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে আমরা রাজনৈতিক পরিস্থতির বিশ্লেষন করার চেষ্টা করছি। একটি বিতর্কিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাশীন হয়েছে আওয়ামী লীগ। প্রশ্ন হচ্ছে, এক মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে আওয়ামী লিগকে ক্ষমতায় বসানোর পিছোনে কি উদ্দ্যেশ্য থাকতে পারে।আমাদের অনেকগুলো বিষয় চিন্তা করতে হবে।আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত থাকলেই জনগনের মধ্যে তাদের বিষয়ে নানা পরিচতি আছে ,যেমন-

১। আওয়ামী লীগ ভারত সমর্থিত একটি দল।তারা ভারতের কাছে নানাভাবে দ্বায়বদ্ধ। আওয়ামী লীগ মুসলিম লীগ থেকে প্রতিষ্ঠিত দল হলেও ভারতের কংগ্রেসের সাথে অনেকে মিল খুজে দেখেন।

২। আওয়ামী লীগের বাকশাল থিওরি সম্পর্কে সচেতন মহল অবগত থাকলেও সাধারন মানুষের কাছে এটা সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য নাই।এই ক্ষেত্রে আমি এটা বি এন পির মত দলকে দোষ দিব।কারন যেই দল এদেশের গনতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছে তারা দিন বদলের ঢেউ তুলেছে,তাদের সম্পর্কে তারা সচেতন করতে পারেনি।যে দলের আদর্শের মূল ভিত্তে বাকশাল তারা বাংলাদেশে তাদের রাজনৈতিক তত্ত্ব দিয়ে জনপ্রিয় হতে পারে না।

৩। এদেশের দূর্ণীতির ইতিহাস যদি খোজা হয় তবে দেখা যাবে এতা নগ্নভাবে শুরু হয়েছিল কবে থেকে।১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর মধ্যে বাংলাদেশে যে পরিমান সাহায্য এসেছিলো সে সাহায্য দিয়ে দেশ শুধু মাত্র গড়ে তোলাই নয় এদেশের মানুষকে বিদেশে গিয়ে অর্থ উপার্জন করতে হত না।অনেক ইতিহাসবিদ,রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন এই সমস্ত সাহায্যের টাকার মূল অংশটাই চলে গেছে ভারতে।এছাড়া মুজিব বাহিনীর সহায়তায় ভারতীয় সেনা বাহিণী ব্যপক লুঠপাঠ চালায়।এই লুঠপাটের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা মেজর জলিল শেখ মুজিবের বিরাগভাজন হয়ে যান।তখনকার সময়ে লেখা একটা ছড়ার অবতাড়না এখানে করতে চাই-

মুক্তিযুদ্ধের পরে
বাংলাদেশের কলকব্জা
ট্রাকে নিয়ে ভরে
শুরু করে লুঠ
প্রতিরোধে মেজর জলিল
তুলে ধরে মুঠ।

আমার এই স্বল্প শরীরের লেখাতে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কথা লিখে পরিপূর্ণ তথ্য দেয়া যাবে না।আওয়ামী লীগ এখন পেছোনে ফিরতে চায়না,এর প্রধান কারন তাদের বাংলাদেশ নিয়ে দালালি যদি এদেশের জনগন বুঝতে পারে তাহলে তাদের থেকে বড় রাজাকার আর কেউ হবে না।এটা আমি বলতে পারছি এই কারনে যে আপনারা একটু খেয়াল করলে দেখবেন আওয়ামী লীগের কেউ বিপদে পরলেই ভারতের আশ্রয়ে চলে যান।শেখ হাসিনা বহুদিন দিল্লিতে কাটিয়েছেন এছাড়া দলের নেতা কর্মি ছাড়াও অন্যান্য বুদ্ধিজীবিদের দিকে তাকালে দেখব তারা এদেশের ইলিশের চেয়ে প্রিয় গোপাল বিষয়ীর শাড়ি অনেক প্রিয়।আমি একজনের নাম করতে পারি তিনি হোচ্ছেন আওয়ামী সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলের নেতা হাসান যাকে অনেকে র এর বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিনিধি হিসাবে চিহ্নিত করে।সে গত বেশ কিছুদিন ভারতে থাকার পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার কয়েকদিন আগে থেকে এখানে দেখা যাচ্ছে।তারমানে আমরা এটা ধরে নিতে পারি মার্কিন এবং ভারত সমর্থনটপুষ্ট আওয়ামী লীগ পুরানো অনেক রাজনৈতিক হিসাব মিটানোর জন্য ক্ষমতায় বসানো হয়েছে।এসব কিছু জনগন ঠিকই খেয়াল করছে।বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে জামাল কামাল এখনও মুছে যাইনি।এই প্রতিশোধের রাজনীতিতে ভারত সমর্থিত আওয়ামী লীগ দেশ কে কোথায় নিয়ে যায় এটা এখন দেখার বিষয়।সামগ্রিক ভাবে আওয়ামী লীগের ভারত প্রিতী বাংলাদেশের মানুষ কোন দিনই গ্রহণ করেনি।ভারতে বাংলাদেশের কি পরিমান সম্পদ পাচার হয়ে গেছে সেটা এখন বের করে ক্ষতিপূরন দাবি করা উচিত।

৪। মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের আন্তঃর্জাতিক রাজনীতিতে যে সখ্যতা হয়েছে সেখানে আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সামনে চলে আসবে।ইরাক,আফগানিস্তান,পাকিস্তান,ফিলিস্তিনি ইত্যাদি মুসলিম দেশ গুলোর মত বাংলাদেশে এমন কিছু একটা হবে কিনা সেটা অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।আমেরিকার কৌশল সম্পরকে আমরা জানি যে তারা দেশে দেশে তাদের সুবিধা মত এজেন্ট নিয়োগ করে ।আমি জানিনা হাসিনা সে নিয়োগটি পেয়েছেন কিনা ।যেভাবে মরিয়ার্টিকে মন্ত্রণালয় গুলোতে অফিস করতে দেখছি তাতে সবার সন্দেহ অনেক বেড়ে গেছে।ভারত কৌশলগতভাবে এদেশে একটা দুর্বল সরকার থাকুক সেটা চায়।এটা এদেশের কোন মানুষের বুঝতে বাকি নেই।জরুরী অবস্থা নিয়ে আসা,আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করা,বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভারত প্রেম নিয়ে আসার জন্য সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব্যদের দিয়ে এদেশের সংস্কৃতি বিরোধী নানা অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তরুন সমাজ কে বিভ্রান্ত করা।শোনা যায় যে এদেশের (ভারতীয় হাই কমিশন মুখি)কিছু বুদ্ধিজীবি বিশেষ এসাইনমেন্ট নিয়ে এদেশের মানুষের মধ্যে “মেরা ভারত মহান হে “ এটা শেখানোর চেষ্টা করা করছে।একটা কথা মনে রাখতে হবে যে শুধু মাত্র সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে একটি দেশকে দখল করা যায়।বাংলাদেশের সকল মানুষ যদি বলে আমরা ভারতীয় তখন কি কিছু করার থাকবে?এই বাংলাদেশকে ভুটান,সিকিমের রুপ দেবার ইচ্ছা ভারতের অনেক আগে থেকেই ছিল।এখন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের বন্ধু হওয়াতে এটা অনেক সহজ মনে হচ্ছে।

৫। হাসিনা রাজনীতিতে দ্বৈত পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে।বাংলাদেশের কথা বলে ভারতের পক্ষে নির্লজ্য দালালি (যেটা কিনা বি এন পির জন্য ব্যাক ডেটেড ফরমুলা!)।এদেশের মানুষের মধ্যে সে তার বেটার বউ খুজে পেলনা।শেষ পর্যন্ত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের হাতে নিজের ছেলেকে সোপে দিয়ে নিজে ক্ষমতা লুটে নিলেন।

আবার অন্যদিকে রাজাকারের কথা বল্লেও মেয়েকে বিয়ে দেন রাজাকারের ছেলের সাথে(বর্তমানে মন্ত্রি পরিষদ সদস্য)।

৬। ভারতীয়দের কাছে আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় দল।তারা বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় তাদের দেখতে চায়।এটার পিছোনে কি কারন থাকতে পারে সেটার সম্পর্কে আমি কখনো ভেবে দেখিনি।পাঠক এই বিষয়ে আপনারা হয়তো ভাবচ্ছেন।

৭। ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের কৌশলগত চাহিদা বেড়েছে।এর অনেক গুল কারন রয়েছে।ভারতের জন্য যে সমস্ত সুবিধা প্রয়োজন সেগুল হল-

ক। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে (করিডোর) সেভেন সিস্টারের সাথে সামরিক যোগাযোগ।

খ। চিটাগাঙ্গের বন্দর ব্যবহার সুবিধা।

গ। বাংলাদেশের বাজার দখল।কৃষি উতপাদনের সকল ক্ষেত্রে ধস নামানো,যাতে করে বাংলাদেশের মানুষ ভারতের উপর নির্ভরশীল হয়।

ঘ। বাংলাদেশের খনিজ সম্পদের ব্যবহার।

ঙ। সমুদ্র সীমানা তাদের দখলে নিয়ে যাওয়া।

চ। ধীরে ধীরে এদেশের মানুষকে ভারতের মুখাপেক্ষি করে দেওয়া যাতে করে জাতি হিসাবে আমরা তাদের থেকে নিচু অবস্থায় থাকতে পারি।

ছ। বাংলাদেশ যাতে মুসলিম প্রধান দেশ হিসাবে না থাকে সেটাও তাদের লক্ষে আছে।যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথ কৌশলে ধীরে ধীরে তারা আগাবে।

জ। বাংলাদেশের আকাশ সীমা ব্যবহার।যেটা আমরা করতে পারিনা।

ঝ। এদেশে একটা সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল গড়ে তোলা যার মাধ্যমে ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশের মানুষের চিন্তার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া।

ঞ। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ভারতের পোষ্য দেশ হিসাবে স্বিকৃতি।

ট। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে শেষ করে দিয়ে ভারতিয় জাতীয়তাবাদ তথা বাংগালি জাতিয়তাবাদকে প্রতিষ্ঠিত করা।এছাড়া আরও অনেক উদ্দ্যেশ্য হয়তো আমারা অচিরেই বুঝতে পারবো।

মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব আবার একটু ভিন্ন।

১। ভারতের স্বার্থ সংরক্ষন করা।আন্তঃর্জাতিক কৌশলগত কারনে ভারতের কিছূ চাহিদা পূরণ করা তাদের দ্বায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

২। আন্তঃর্জাতিক সন্ত্রাস বিরোধী আন্দলনের প্লান অনুসারে মুসলিম দেশ গুলোকে তাদের নিয়ন্ত্রনে রাখা প্রয়োজন।

৩। বাংলাদেশ যেহেতু ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেই নি,সেহেতু তাদের স্বীকৃতি দেয়ার ব্যবস্থা করাও তাদের স্বার্থ।এখানে বলা দরকার ভারতের সাথে ইসরাইলের সম্পর্ক বর্তমানে খুবি ভাল।

৪। মুসলিম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ যাতে অর্থনৈতিক ভাবে আরেকটা মালয়শিয়া না হয় সেটাও একটি বিষয়।

৫। বাংলাদেশে যাতে ন্যাশনালিস্ট ফোর্স না থাকে সেটার ব্যাবস্থা করা।

৬। এছাড়া বাংলাদেশের খনিজ সম্পদের দিকে যে একে বারেই খেয়াল নেই সেটা কিন্তু বলা যায় না।

৭। সাম্রায্যবাদি শক্তি হিসাবে তাদের নানা ধরনের মাতুব্বরি তো রয়েছেই।

৮। আর কিচ্ছু দিনের মধ্যে ভারতের বাংলাদেশ সন্ত্রাসী রাস্ট্র হিসাবে ঘোষনা এবং যুক্ত্ররাস্ট্র দ্বারা সমর্থনের মাধ্যমে এদেশ কে জঙ্গীবাদি দেশ হিসাবে পরিচিতি করন।ইত্যাদি।

বাংলাদেশ নিয়ে চিন্তা ভাবনা অনেক আগে থেকেই ভারত শুরু করেছিল।অনেক দিন ধরে তারা চেষ্টা করছে বাংলাদেশ তাদের মত করে নিয়ন্ত্রন করতে।কিন্তু এদেশের মানুষ কখন সেটা হতে দেইনি।এখন অন্য পন্থা তারা বেছে নিয়েছে।আওয়ামী লিগকে ক্ষমতায় বসানোর মাধ্যমে তাদের পরিকল্পনার অনেকটা কাজ এগিয়ে নিয়ে গেছে।ভারতের সমর্থনে আওয়ামী লীগ যে ক্ষমতায় এসেছে সেটা একে বারেই পরিষ্কার।

১। যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে এই মর্মে হাসিনা যে ঘোষনা দিয়েছে সেটা ভারত-মার্কিন থিওরি হিসাবে সবায় দেখছে।

২।বাংলাদেশকে জংগীবাদি,সন্ত্রাসি রাষ্ট্র হিসাবে হাসিনা সাম্রায্যবাদি শক্তির শুভেচ্ছা দূত হিসাবে কয়েক বছর ধরে কাজ করছে।

৩। ভারতীয় মন্ত্রী প্রণব মূখোপাধ্যায় তার শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন এবং এত তারাতারি তার বাংলাদেশে সফর সবাইকে অবাক করেছে। যে প্রণব বাবু সিডোরের সময় চাল দেবার কথা বলে দিলেন না ।

৪। ভারতের গণমাধ্যম গুলো ব্যাপকভাবে হাসিনার বিজয়ের খবরকে প্রকাশ এই সত্যিটা প্রমান করেছে।

৫। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র তাদের রিপোর্ট অনুসারে শেখ হাসিনার আর বেঁচে থাকবার কথা না।নির্বচনের আগে এই সংস্থার এই ধরনের প্রচার বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে।তার মানে আমরা ধরে নিতে পারি র বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে তাদের দ্বায়িত্ব পালন করছে।

৬। ক্ষমতায় না আসতেই ট্রাঞ্জিট কিংবা করিডর দেবার জন্য আওয়ামী লীগ তরিহরি করছে।

আরও অনেক বিষয় আছে যেখান থেকে বোঝা যায় ভারতের যেমন আওয়ামী লীগকে দরকার আছে ,ঠিক তেমনি আওয়ামী লীগেরও ভারতকে দরকার আছে।

কিন্তু সমস্যায় পড়েছে বাংলাদেশের জনগন,তাদেরকে ক্ষমতাহীন করে রাখা হয়েছে।ফাকিবাজির নির্বাচনে বি এন পিকে কয়েকটি আসন দিয়ে নির্বাচনকে একে বারে বাতিল যাতে না করা হয় এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।ভারত-মার্কিণ চক্রান্তকে ব্যবহারিক রুপ দেবার জন্য আমরা আফগানিস্তানে হামিদ কারজাইকে বসানো হয়েছে।বাংলাদেশে শেখ হামিদ কারজাই তৈরি হল কিনা সেটা এখন প্রমানিত হচ্ছে।কয়েকদিন আগে দাউদ হায়দারের একটা লেখাতে হাসিনাকে শেখ ওবামা হিসাবে দেখিয়েছেন,তবে বাংলাদেশের সাধারন মানুষ মনে করছে শেখ হামিদ কারজাই।

বাংলাদেশে আর কয়েকদিনের মধ্যে সন্ত্রাস আর জংগী দমনের নামে ভারতীয় সেনা বাহিনীর বাংলাদেশের মানুষ এবং সেনা বাহিনী চেয়ে চেয়ে দেখবে।আর শেখ হামিদ সরি হাসিনা দিন বদলের সনদের পরিবর্তে অনিবার্য কারনে দিন বদলের যুদ্ধ ঘোষনা করবে বাংলাদেশের সাধারন মানুষের বিপক্ষে তখন বলবে-এখন জংগীবাদ নির্মূল করাই আমাদের প্রধান কাজ।

Email:[email protected]
Click This Link
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×