১/১১র পরে আমাদের আর পিছন ফিরবার পথ নাই্। আমরা কেবল সম্মুখে যাইতেছি।
কেউ কহিতেছেন মালএশিয়া হইব, কেউ কহিতেছেন সিঙ্গাপুর হইব।
অমাদের সোনালী পাটের দরকার নাই আমরা গ্যাস-কয়লা খনির ভেতর দিয়া হীরক লাভ করিব, অতঃপর আমরা হীরক রাজ্যে রূপান্তরিত হইব। এমুহূর্তে আনন্দে আমার প্রিয় পরিচালক সত্যজিৎ রায় এর মাষ্টারপিস "হীরক রাজার দেশে" থেকে কিছু সংলাপ মনে পড়িতেছে, মগজ ধোলাই যন্ত্র আবিষ্কারের পর বৈজ্ঞানিক ও হীরকরাজের কিছু সংলাপ মোটামুটি নিম্নরূ। ( ইহা একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র ইহার সাথে আমাদের বাংলাদেশের কোন মিল পাইলে তা কাকতালীয় বলিয়াই গন্য হওয়া সমিচীন হইবে।)
স্থান: হীরক রাজের দরবার।
কাল: প্রয়োজন অনুযায়ী ভাবিয়া লইতে হইবে।
"মগজ ধোলাই যন্ত্র"
বৈজ্ঞানিকঃ
এর সাহায্যে
রাজ ভক্তি প্রকাশে নারাজ যে
তারে করে তোলে
একনিষ্ঠ রাজ ভক্ত
ঘটনা সত্য।
এ যন্ত্র
মস্তিষ্কে রোপন করে মন্ত্র
বিরুদ্ধ মন্ত্র যত আজ
সব ধুয়ে মুছে
মাথা পরিষ্কর।
মন্ত্র ১
বাকী রাখা খাজনা
মেটে ভালো কাজ না
ভর পেট না ও খাই
রাজ কর দেয়া চাই
অনাহারে নাই খেদ
বেশী খেলে বাড়ে মেদ
যায় যদি যাক প্রাণ
হীরকের রাজা ভগবান।
রাজা কহিলেনঃ
এরে নিয়ে যাও রিমান্ডের ঘরে!
থুক্কু, এরে নিয়েযাও যন্তর মন্তর ঘরে।
* খন্ডত আর লিখতে পারছি না এ জন্য আমার প্রিয় পরিচালকের নামের বানানটা ঠিক করতে পারিনি।
এই কল্পরাজ্য যেন আমাদের কপালে নসিব না হয়, দয়া করে এর সাথে নিজেদের কোন মিল খুজতে যাবেন না যারা তবুও মিল খুজতে চান তাদের জন্য নীচের সংলাপ গুলো দেয়া হলো।
রাজাঃ আজ থেকে ইন্টারনেট বন্ধ
পারিষদঃ জী আজ্ঞা খোদা বন্দ
রাজাঃ কি নাম যেন পন্ডিতের, তারে বলবে সে পড়িয়েছে ঢের।
পারিষদঃ ইন্টার নেট!
রাজাঃ তুমি কি গবেট?
রাজাঃ আজ থেকে ইন্টারনেট বন্ধ।
পারিষদঃ জী আজ্ঞে
রাজাঃ এরা যত বেশী পড়ে
তত বেশী যানে
তত কম মানে।
ঠিক কিনা?
পারিষদঃ ঠিক। ঠিক। ঠিক।
*এবারে আসুন সবাই মিলে উপভোগ করি হীরক রাজার দেশে কিছু অসাধারণ মুহূর্ত।
কতই রঙ্গ
দেখি দুনিয়ায়,
ও ভাইরে
ও ভাই
কতই রঙ্গ
দেখি দুনিয়ায়...
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


