ভায, ইসলাম ও সাপদায়িকতা
ফাহমিদ-উর-রহমান - ২০০৮-১১-০১
ভা য শটার মানে হেছ মূতি নিমাণের শিপ ভায যিনি তরি করেন তাকে বলা হয় ভার বা মূতি নিমাণকারী শিপকলার জগতে ভায একটা বড় হান জুড়ে আছে বিশেষ করে শিপকলার ইতিহাস আলোচনায় দেখা যায়, পাচাতের গিকো-রোমান এবং পাচের হিদু ঐতিহের ধারায় ভায একাকার হয়ে আছে এর কারণ, শিপকলা হেছ একটা সমাজ বা সভতার অগত মানুষের বিশাসের পতিধনি এই বিশাস আবার জম হয় কোনো না কোনো আদশকে কে ঝড়েবক বিাপন
দ করে, যা মানুষের মনে জম দেয় সিশীলতা দাশনিক কাট বলেছেন, শিপ হেছ একটা নিমাণ সেই অথে শিপী একজন সাও কিু শিপীর এই শিপকম পূণা হতো না, যদি না তার ভিতরকার বিশাস এই নিমাণে পেরণা না জোগাত
শিপকলার সে বিশাস বা ধমের একটা বড় সপক আছে দেখা গেছে, আদিম গুহাবাসীর জীবনেও ধমবিশাস তাদের শিপকলাকে পভাবিত করেছে শিপতািকরা বিশেষণ করে দেখেছেন, পিচম ভারতের অজা ও ইলোরা কিংবা ইউরোপের আটামিরা পবত গাে খোদাইকত শিপকলার মধেও ধমীয় ধান-ধারণার পতিফলন ঘটেছে শিপকলা হয়েছে কখনো কখনো ধম পচারের বিশেষ সহায়ক শিপকলার বিকাশে তাই দেখা গেছে, এক একটা ধমের অন পেরণা যখনই জগতে নতুন কোনো ধমমতের আবিভাব ঘটেছে, তখন সেই ধমবিশাসে বলীয়ান হয়ে শিপীরা নতুন কিছু সির পেরণা পেয়েছেন ফলে শিপকলাও বিশেষ তাপয অজন করেছে তাই ধমকে বাদ দিয়ে শিপকলার ইতিহাস আলোচনা অনেকটা অথহীন ধম মানুষের বিশাস, মূলবোধ ও জীবনাচারে াত নিমাণ করে এই াতের পকাশই আমরা দেখি বিভি ধমবিশাসী মানুষের ভেতরে উূত শিপকলার মধে কোনারক ও খাজুরাহোর মিদর শেষ পয মিদর থাকেনি তাজমহল, ম অব কডোভা শুধু মাজার বা মসজিদেই শেষ হয়ে যায়নি অথবা ইউরোপের বড় বড় গথিক কাথেডাল কিংবা মাইলো ীপের ভেনাসের মূতির খাতি কাথেডাল বা মূতির মধেই সীমাব থাকেনি শেষ পয এগুলো হয়ে উঠেছে শিপকলার এক একটি অতুল নিদশন ধমের পেরণা এসব সবজনীন সিতে সহায়ক হয়েছে আবার বিশি ধমবিশাস ও মূলবোধ এসব শিপকলাকে ত রূপ ও ভিমা দিয়েছে এই ত থাকার ভিমাকেই আমরা বলে থাকে সংতি
গিকো-রোমান ঐতিহের পথ ধরে বিকশিত পাচাতের শিপকলা কিংবা ভারতীয় শিপধারাকে বলা ঘধঃঁধষরংঃরপ বা ভাববাদী আট এই শিপধারায় জিনিসের াভাবিক অবয়ব, আকতি ও পরিমাপ বজায় রেখে বুঘেঁষাভাবে ছবি আঁকা বা মূতি গড়ার চো করা হয় পাচীনকালে গিকরা মানুষের মূতি গড়ত খুব নিপুণভাবে এসব মূতির মধে গিকরা দিতে চেয়েছেন সুঠাম, সুদর মানুষের াভাবিক রূপ এর অনেক নিদশন আজো টিকে আছে গিসে, পরবতীকালে রোমে এবং ভারতবষে এই ভাববাদী কলা বিকাশের কারণ হেছ ওই সমাজের মানুষের ওপর পাগান ধম ও সংতির পভাব
ইসলামী সমাজে এই ধরনের ভাববাদী কলার বিকাশ ঘটেনি কারণ ধম হিসেবে ইসলামের কতগুলো বশি আছে ইসলাম মূলগতভাবে তৌহিদবাদী ইসলামে বহু-ঈশরবাদিতা এবং পৌলিকতার (ওফড়ষধঃু) কথা চিাই করা যায় না ইসলামের সা নিরাকার তার কোনো ছবি বা মূতি রচনা সব নয় কোরআনে মূতি বা পাথরকে পবি ানে শা বা পূজা নিষি করা হয়েছে হাদিসেও পাণী ও মানুষের পকতি-পতিমা তরির বাপারে সুপ নিষেধাা আছে তাই মানুষ ও জীবজুর মূতি তরি করা মুসলমান সমাজে কখনোই উসাহ পায়নি সত কারণেই ইসলামপধান জনগোীর মধে ঐতিহাসিককাল ধরেই ভায শিেপর বিকাশ হয়নি
অনদিকে ইসলাম ধমের চেয়ে ধমের পচারক ও পতিাতা নবীর বিতকেও কখনো বড় করে তোলার কিংবা পূজা করার চো হয়নি ইসলামের নিজ বশিের কারণে অন ধমের মতো এখানে তরি হয়নি পুরোহিতত অন ধমের তুলনায় ইসলামের কিয়াকা, আচার-রীতি অনেক সহজ ও সাদামাটা সেই হিসেবেই ইসলামকে ধম হিসেবে বলা যায় ধনংঃধপঃ বা বিমূত তাই এই ধমবিশাসীদের ঘিরে যে শিপকলার বিকাশ ঘটেছে তাও অনেকটা বিমূত
ইসলামে কেন পাণী ও মানুষের মূতি নিমাণকে নিরুসাহিত করা হয়েছে, তা একটু আলোচনা করা যেতে পারে ও টোমেেট মানুষ ও পাণীর ছবি আঁকবার বা মূতি নিমাণের বাপারে নিষেধাা আছে সেই বিধিনিষেধ কালে কালে কাযকারিতা হারায় এবং গিজায় গিজায় যীশু ও মেরির মূতি এবং ছবির পূজা আর হয় ইংরেজিতে ওপড়হ শটার অথ হেছ চাচের ভিতরকার পতিমা পূজা ইসলাম ধমের পরিণতি যাতে এরকম না হয়, সেজন জীবজু ও মানুষের মূতি নিমাণকে নিষি করা হয়েছে বিভি ধমের ইতিহাস আলোচনা করলেও বোঝা যায়, কিভাবে শেষ পয ধম পবতকরাই দেবতার আসনে অধিিত হয়েছেন, পেয়েছেন পূজার আসন মূতিপূজার বিরুে গৌতম বুের আছে অনেক উপদেশ কিু শেষ পয তার অনুসারীদের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন উপাস দেবতা দেশে দেশে তার অনুসারীরা তার মূতি বানিয়ে পূজা শুরু করেন এভাবে বৌ ধমে পৌলিকতা ঢুকে যায় অথচ অনেকেই মনে করেন, বু সবত ছিলেন ধম সপকে উদাসীন; তার ধম ছিল মূলত মানবতাবাদী একটা নতিক পতি
ইসলাম ধমেও এরকম ঘটতে পারত, যদি না মূতি নিমাণের বাপারে শ বাধা-নিষেধ থাকত তারপরও মুসলমান সমাজে দু-একটা বতিকম ঘটেনি, তা নয় কিু বতিকম বতিকমই সেটাকে সাধারণীকরণ করা চলে না এসব দেখে মনে হয়, ইসলামে মূতি নিমাণের বাপারে যে আপসহীন মনোভাব দেখানো হয়েছে, তার পেছনে শ যুি আছে ইসলামের নবী চাননি তার অনুসারীরা তাকে পূজার আসনে বসাক ইসলামের মূল বিশাসের জায়গায় পৌলিকতা ও শিরক ফিরে আসুক, এটা তার কাম ছিল না ধমবিশাসের কারণে নেচারালিিক বা ভাযপধান শিপ ইসলামপধান জনগোীর মধে বিকাশ লাভ করেনি সত, কিু শিপকলার জগতে ইসলাম সি করেছে তুলনাহীন ফুল-ফসলের সমারোহ ইসলামী শিপকলার কেদবিদু হেছ হাপত এই হাপতের চরম উকষ ঘটেছে মসজিদে মসজিদকে সুদর করতে গিয়েই তরি হয়েছে ইসলামী শিপ চতন পরে এই চতন বিত হয়েছে শিপকলার অনান মাধমে ইসলামী শিপকলার পকতি হেছ উবপড়ধঃরাব বা নকশাপধান তার ল অলরণ সেদিক দিয়ে বলা যায়, ইসলামী শিপকলা অনেকখানি ধমনিরপে কিছু বতিকম বাদে ইসলামী শিপকলা কোনো ধমীয় কাহিনীর বণনা করতে যায়নি এটি কোনো পৌরাণিক কাহিনীর পতিভূ নয় এই ধমকে কেদ করে কোনো আইকন শিপও গড়ে ওঠেনি মানুষ ও তার নানা ঘটনার পটভূমিকায় তার রুচি ও ধারণার পয়োজনে এই শিেপর বিকাশ বড় বড় মসজিদ, মাজার, পাসাদ, দুগ, লিপিশিপ, গালিচা, কাপড় ও মপাের নকশার অলরণে মুসলিম শিপীরা অনন কুশলতার নজির রেখেছেন এসব শিপকলার ভেতর দিয়ে তারা শিপকমের রূপ ও রঙের নিজ সৌদয পতিা করেছেন এবং এই সৌদযের গুণেই শিেপর আবেদন তরি হয়েছে সেটি খাঁটি শিপ, যা কিনা নিদি বিষয় বা বুর বণনা করে না, কোনো মতবাদ পচার করে না নিজের রূপ ও গুণেই আবেদন সি করে এভাবে আধুনিককালে বিমূত শিপকলার আেদালন তরি হয়েছে একালে বিমূত শিপকলার একজন অগপথিক হেছন পাবলো পিকাসো তার জম েপনে, যা নাকি সাতশ বছর মুসলিশ শাসনাধীনে ছিল এখনো েপনের শিপকলায় ইসলামে উবপড়ধঃরাব ধঃ-এর পভাব রয়ে গেছে অনেক শিপ সমালোচকের বিশাস, পিকাসো যে বিমূত ছবি এঁকেছেন, তা মূলত ইসলামী েপনের রঙ ও রূপের ধারণার পভাব
আমাদের আধুনিক শিিত ও সেকুলার বুিজীবীরা ইসলামের কথা শুনলেই ূকুিত করেন কিংবা মধযুগীয় বা সাপদায়িক বলে গাল পাড়েন তারা জানেন না, শিপকলার জগতে বিমূততার ধারণা ইসলামেরই পেরণাজাত
ইসলাম যে দেশেই গেছে, সেখানে শিপকলার েে এই রঙ ও রূপের পরীা চলেছে আটশ বছর হলো ইসলাম এ দেশে এসেছে ভারতবষে ইসলাম পবেশ করে আরো কিছু আগে উপমহাদেশজুড়ে যে নতুন ইসলামী সমাজ গড়ে উঠল তাকে বুনিয়াদ করে এই উবপড়ধঃরাব ধঃ-এর বিকাশ শুরু হলো মধযুগের মুসলিম শাসকদের সময়ে বাংলাদেশের অসংখ মসজিদে (ষাট গুজ, সোনা মসজিদ, বাঘা মসজিদ) এর কিছুটা পমাণ আছে বাঙালি সমাজেও তাই সত কারণে অবয়বধমী ভায শিেপর বিকাশ ঘটেনি পতিবেশী হিদু সমাজে এর কিছুটা চচা থাকলেও ইসলামী বিশাসের দঢ়তার কারণে এতকাল মুসলিম সমাজে এটি কখনোই জায়গা করতে পারেনি
আজকাল মুসলিম সমাজের বিিছ কেউ কেউ ভায পতিার কথা বলছেন এরা ভায পতিাকে শিপচচা, সংতি ও পগতির আকাার সাথে যু করে দেখছেন মুশকিল হেছ পগতি শটা এত বহুল ববহত যে, এর পকত মূল িহর করা বেশ কঠিন আগেই বলেছি, শিপ ও সংতি হেছ জাতীয় চতনের পতিফলন একটি ইসলামপধান জনগোীর ভেতর থেকে উূত শিপকলা ওই সমাজের বিশাস ও মূলবোধকে ধারণ করবে এটাই াভাবিক জোর করে উপর থেকে ওই সমাজের সাথে সপকহীন কোনো শিপকে পতিা করতে গেলে তার পতিকিয়া হবে একটা অাভাবিক ঘটনার অাভাবিক পতিকিয়াই হয়ে থাকে
আমাদের সেকুলার বুিজীবী ও ভাবুকরা সংতির দিক দিয়ে ইসলাম ছেড়ে দিয়েছেন তারা তাদের ইসলামবিরোধিতার সিলসিলা পেয়েছেন পাচাত শিা ও ধান-ধারণা গহণের ভেতর দিয়ে একটি ইসলামপধান সমাজকেও তারা বিশেষণ করেন ওই পিচমা চোখ দিয়ে যার ফলে সামাজিক বিশেষণের েে বড় রকমের ভুল থেকে যায় এবং বিচারের েে সমতা পতিার সাবনা নাকচ হয়ে যায় ইসলামকে দেখতে হবে ইসলামের দি দিয়ে
দীঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন আমাদের সমাজকে পুরোপুরি বিকত, বিধ ও বিচুত করে গেছে ঔপনিবেশিক শিা ও দশন সেকেলে কথিত দেশি সাহেব তরি করেছে যারা আসলে ঈঁষঃঁধষ গঁঃধহঃ. মুসলমান সমাজে জমগহণ করেও এরা ইসলামের আতাকে ধারণ করতে পারেননি এরাই ইসলামের কথা শুনলে কারণে-অকারণে উ হয়ে পড়েন এবং দুততার সাথে ইসলামকে সাপদায়িকতা, মৌলবাদ, পতিকিয়াশীলতা ও মধযুগীয় তপরতার সাথে যু করে ফেলেন
সাপতিককালে বিমানবদরের সামনে একটি বাউল ভায নিমাণ ও তা সরিয়ে ফেলার ঘটনাকে কেদ করে উাপ ছাড়িয়েছেন দেশের সেকুলারবাদী বিশেষ করে কয়েকটি দ বাম সংগঠন এবং তাদের সমথক বুিজীবীরা এরা উাপ ছড়াতে জানেন, শীতলতা আনতে পারেন না এদের কথা হেছ, এর মাধমে বাকি শিপকে অপমান করা হয়েছে জাতির মননের সাথে সতিবিহীন পাগান কালচারকে পতিা করে তারা কি জাতীয় সংতির অপমান করছেন না? অথবা জোর করে ইসলামপধান জনগোীর ওপর পাগান কালচার পতিার কথা বলে তারা নিজেরাই কি পতিকিয়াশীলতা ও সাপদায়িকতার সফল নজির সি করছেন না
ফাের মতো উদারনৈতিক দেশেও সেখানকার মুসলিম মেয়েদের আইন করে তাদের সংতির পতীক হিজাব পরিধান নিষি করা হয়েছে সেখানকার বিঘোষিত সাংতিক বহুত আজ রীতিমত সাংতিক সাপদায়িকতায় পরিণত হয়েছে ফাকে বলা হয় শিপ সংতির দেশ পারিস হেছ শিপীদের তীথভূমি এই পারিসেও যদি শিপকলার খাতিরে সেখানকার িতীয় পধান জনগোী মুসলমানদের ঐতিহের কোনো সিল পতিার কথা ওঠে তবে তা এত সহজে সব হবে বলে মনে হয় না একই ঘটনার পুনরাবি ঘটতে পারে নিউইয়ক কিংবা লনে সুতরাং সাপদায়িকতা কিংবা পতিকিয়াশীলতা শগুলো ববহারের আগে বোঝা দরকার এসব আসলে কি বু এবং হান কালপা ভেদে এর পয়োগিক তাপয কতটুকু এ সেকুলারবাদীরা বেজায় পীড়িত বোধ করেছেন এই ভেবে, বাউল ভায সরিয়ে নাকি বাংলাদেশের হাজার বছরের অসাপদায়িক সংতিকে আঘাত করা হয়েছে শিপকলার ইতিহাস যারা জানেন, তারা ীকার করবেন ভায কোনোকালেও সেকুলার আট ছিল না এটা পুরোপুরি ধমগত আট অনদিকে বাঙালি মুসলিম সমাজে ভাযের চল কখনোই হয়নি এখন এসব কথা বলার উেশ হেছ, আমাদেরকে একটা সংশয়ের মধে ফেলে দেয়া বিশেষ করে ভাযকে অসাপদায়িকতার সমাথক করে তোলার মতো কানফাটানো, চোখ ধাঁধানো অনৈতিহাসিক বাজে কথা আর একটিও হতে পারে না
এক সময় পগতি ও পতিকিয়াশীল শ দুটো চালু হয় ফরাসি বিপবের পর পরিবতন যারা চায় তাদেরকে বলা হতো পগতিশীল অনদিকে পুরনোকে যারা আঁকড়ে ধরতে চায়, তাদেরকে বলা হতো পতিকিয়াশীল সময়ের পথ চলায় কমিউনিজম কিভাবে মতাতার দিক দিয়ে ফাসিজমকে ছাড়িয়ে গেছে এবং পতিকিয়াশীলতার আখড়ায় পরিণত হয়েছে, তা তো আমরা সোভিয়েট ইউনিয়নের ইতিহাস থেকে দেখলাম এদেশের কমিউনিদের পারাড হেছ এরা কখনোই পুরোপুরি মা কথিত পলেতারিয়েত কালচারের চচা করতে পারেননি লোকজ কালচারের নামে পাগান কালচার অথবা বড়জোর কলকাতার বাবু কালচারকে তারা সব বানিয়ে ছেড়েছেন
৫০ ও ৬০-এর দশকে এদেশের কমিউনিরা সামাজবাদ বিরোধিতার কথা বলত সেই সময় তাদের পগতিশীল বলা হতো কমিউনিজমের পতনের পর এদের সামাজবাদবিরোধিতা ফিকে হয়ে গিয়েছে এবং অনেক েেই তারা ইসলামবিরোধিতায় সামাজবাদের তিপবাহকে পরিণত হয়েছেন অনদিকে আজকের ইসলামপহীরা মধযুগীয় হওয়া সেও সবচেয়ে সামাজবাদবিরোধিতার কথা বলছেন সেই হিসেবে পগতি ও পতিকিয়াশীতার পুরনো বাখা মোটেই কাযকর থাকছে না
লালন শাহ ধমে মুসলমান ছিলেন কিু ধমের আচার পালনে তিনি ছিলেন উদাসীন অনেক লালন গবেষকের মতে, তিনি ছিলেন ইসলামের সুফীদের ারা পভাবিত এক বাঙালি মুসলিম মিিক তার সীতে তিনি ভাযের কথা বলেননি এবং নিজের ভায তরির বাপারেও কোনো ইিত দেননি তার সীতে আছে অবিনশর জীবনের সাথে মত জীবনের যোগাযোগের কথা, এই পথিবীর ণহায়িতের কথা, মানুষকে ভালোবাসার কথা এই ভাববাদী মিিকের ভায নিমাণ নিয়ে তাহলে জড়বাদী কমিউনিরা এত উতলা হয়ে উঠলেন কেন? এর কারণ একটাই তারা মুসলিম সমাজের ভেতরে এসব পাগান কালচার পতিা করে একটা পৌলিক গরহফ ংবঃঁঢ় তরি করতে চান অনদিকে তারা আমাদের করে তুলতে চান আতপরিচয়হীন ইউরোপে জাতিরা পতিার পর রাগুলো অনেক েে নাগরিকদের কাছ থেকে ধমের আনুগত গহণ করতে শুরু করে রা এমনসব পতীক গহণ করে যা পায় ধমের মানতা নিয়ে হাজির হয় যেমন মাকিন যুরাের াচু অব লিবাটি এ ধরনের পতীক আমাদের দেশের সেকুলারিরাও পতিা করতে চােছন এরকম পকিয়ায় ইসলামের মতো চূড়া একেশরবাদী ধমে গহণীয় হবে না আর সেরকম করতে হলে সমাজে সংঘাত ও পতিকিয়া দেখা দেবে তার লণ কি আমরা আজকাল কিছু কিছু দেখতে পািছ না আজকে বাঙালি মুসলমান সমাজকে পিচমাদের বিশায়নবাদী কালচার ও উনিশ শতকীয় কলকাতার বাবু কালচারের সে লড়াই করে টিকে থাকতে হেছ ইতিহাসের নানাপবে নানারকম শোষণ-শাসনের বিরুে ইসলাম পূববাংলার মুসলমানদের বড় পরিচয় যুগিয়েছে আজকের এই নব উপনিবেশের বিরুেও ইসলাম আমাদের আইডেিটটির পতীক এই পতীককে নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

