"ঝাঁপর ঝাঁই খাঁপর খাঁই
কাঁড়া-ভহিস,বয়েল গাই
ঝাচা-মাচা ঝাচা মাচা"
:-) হিঃ হিঃ হিঃ
কিছু বুঝলা ও মনু? আমিও কিছু বুঝতে পারছি না। ভাবলাম এমন অদ্ভুত দর্শনের কবিতা এমন অদ্ভুত লেখার পাতাতেই মানায়।সুনির্মল বসুর 'জীবন খাতার কয়েক পাতা' বই থেকে নেয়া।
এখন অনেক রাত এবং অনেক ক্লান্ত,চোখ ঘুমে ভেঙ্গে আসছে।কিন্তু মনে হচ্ছে বিছানায় যাবার সাথে সাথে আমি মানে আমার ঘুমও ভ্যানিশিং ক্রিম এর মত উধাও হয়ে যাবে।ভাবলাম একটু বিছানায় গিয়ে রেস্ট নেই কিন্তু কিছু একটা লিখতে খুব ইচ্ছে করছে।যদিও এইটা কিছুই লেখা হচ্ছে না,আগামাথা কিছু নাই।দূর ছাই,এইসব পঁচা কি লিখছি।ঐ হয়েছে,পঁচা লেখাও রাখতে হয়,তাই না?
ওহ্,আমাকে তো দেখি মশারা খেয়ে খেয়ে পিকনিক করছে।সেদিন একটা কৌতুক পড়লাম।মশার মা ছোট মশাদের বলছে-'লক্ষী বাচ্চার মত থাক তাহলে পিকনিকে নিয়ে যাব রাতে'।তখন বাচ্চারা বলল-'কোথায় মা?' তখন মা মশা বলল-'পাশের বনে একদল মানুষ পিকনিকের জন্য এসেছে।' আয় হায়,আমার পা তো দেখছি লাল টুক টুক হয়ে যাচ্ছে। নাহ্,আর সুযোগ দেব না মশাদের,পিকনিক বন্ধ।
আহ্,গুড নিউজ।আমার চোখ থেকে ঘুম উপচে উপচে পড়ছে।একটু ঘুম গিফট করতে ইচ্ছে করছে কাউকে।কেউ কাউকে কখনো ঘুম দিতে চেয়েছে কি?সবার টার্গেট থাকে ঘুম কেড়ে নেয়া।আমি দিতে চাই ঘুম।এক বিন্দু ঘুম দিলাম দান করে।
আজ আমার মন খুব খারাপ ছিল,শরীরটাও ভাল ছিল না।এখনো মন খারাপ আছে।ইদানিং যে কি হয়েছে,একটু দুখী দুখী গান শুনলেই কান্না পায়,এত পানি যে কোথা থেকে আসে আমার চোখে,ঐ যে গানের মত,
'চোখটা এত পোড়ায় কেন,ও পোড়া চোখ সমুদ্রে যাও,সমুদ্র কি তোমার ছেলে আদর দিয়ে চোখে মাখাও. . .'
হঠাত্ আমার রুমমেট আপুর কথা মনে পড়ে গেলো।এই গানটা শুনতে শুনতে আপু একদিন বলেছিল-'তোর চোখ অন্নেক সুন্দর।চোখ সাজালে তো আরো সুন্দর। শোন্,যদি কাউকে মারতে চাস জাস্ট চশমা খুলে তাকাবি।ব্যস,ঐ ব্যাটা শেষ হয়ে যাবে,তোর চোখের ভেতর ডুবে যাবে।আহারে,সাঁতার না জানলে ডুবেই যাবে।' হিঃ হিঃ,আপু তোমার বুদ্ধি এপ্লাই করতে হবে একদিন।
কি যে আবোল তাবোল লিখেই চলেছি! সবাই তো আমার এই উল্টা পাল্টা লেখা পড়লে বিরক্ত হয়ে যাবে।লেখা তো হবে সুন্দর সুন্দর কথা দিয়ে।নাহ্,আর এসব পাগলামি কথাবার্তা লিখবো না। হিমি,স্টপ! হিমিকো স্টপ রাইটিং! 'হিমিকো' বোধ হয় জাপানের কোন রানীর নাম ছিলো।কি জানি,sure না।।।পসুরে
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



