আচঁল পোড়ার ঘ্রাণ
কামরুল ইসলাম
কার আঁচলে আগুন লাগে, মধ্যরাতে।
অবলা ইভের মতো কার দেওয়া গন্ধমে
সখ্যতা বিপন্ন করো, স্বর্গের।
তোমার দেহের মাংশে কাবাবের শিক
ঘরময় গনগনে অগ্নি।
লু' হাওয়া যৌবনে তোমার, অস্থির ভীতে।
চোখের ঝাঁঝালো দুপুরের হলুদ ঝরা শোক
নিরন্ন পেঁচকের মতো ডেকে যায়।
স্ট্রেচারের ভগ্ন বাহুর মতো বিপন্ন দু'টি হাত
শাবলের ঘায়ে ঘায়ে ভেঙ্গে যায়, তবু
কুড়িয়ে আনো আঁখের বিচালী; দুটি
কচু শাক, তোমার সংসার বড় অদ্ভুত ।
মধ্যরাতে, তোমাকে মনে পড়ে যায়
নিঃসর্গ বুকের জারুলে যার নীলাকাশ
নক্ষত্র ফোটাতো, সে এখন
বাঘের সম্মুখে ধৃতা হরিণীর মতো, লোভনীয় পাপ।
তোমার আঁচলের পোড়া গন্ধ, তুমি বুঝনা
তোমার অশরীর বিশ্বকোষের অধিপতি আমি
তন্দ্রাহত তুমি; অদৃশ্য ধাতব শিখা প্রজ্জ্বলিত শিহরে
তোমার আঁচল পোড়ানোর ঘ্রাণ পাই দূর থেকে
তুমি ম্রিয়মান উপড়ানো কলমিলতার মতো শুয়ে আছো
তোমার নিরীহ আঁচল নীরবে পুড়ছে
যে প্রিয় আঁচলে কোন এক আপন কিশোরের
রোদ পোড়া সোনামুখ মুছে দেবার কথা ছিল তোমার।
বি.দ্র. কিছু বানানের সংশয় থেকে গেল, যেমন 'সথ্যতা' শব্দটি সখ্যতা হবে কিনা বুঝতে পারলাম না।
বিদ্যা কম থাকার দরিদ্রতা অনুভব করছি প্রতিদিন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



